আগরতলায় শুরু দুই দিনব্যাপী ভারত-বাংলাদেশ পর্যটন উৎসব

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

পর্যটন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, ছবি: বাংলানিউজ

walton

আগরতলা (ত্রিপুরা): ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ভারত-বাংলাদেশ পর্যটন উৎসব।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আগরতলার রাজবাড়ি উজ্জ্বয়ন্ত প্রাসাদের সামনে বর্ণিল আলোক প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ, ত্রিপুরা সরকারের পর্যটন দফতরের মন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায়, ত্রিপুরা রাজ্যের পশ্চিম আসনের সংসদ সদস্য প্রতিমা ভৌমিক, আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার কিরীটি চাকমা, ত্রিপুরা সরকারের পর্যটন দফতরের অধিকর্তা বিশ্বশ্রী বি উপস্থিত ছিলেন।

বিপ্লব কুমার দেব বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন কোনো বিষয় নয়, এ সম্পর্কের কথা বললে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কথা বলতে হয় এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কথা বলতে হয়। আর বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দু’দেশের সম্পর্ককে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা বলেছেন বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জমি ভারতবিরোধী কাজে ব্যবহার হবে না, তা থেকেই বুঝা যায় ভারতের প্রতি তার অনুরাগ কত বেশী। 

পাশাপাশি তিনি বলেন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ত্রিপুরা রাজ্য সবচেয়ে বেশী লাভান্নিত হবে, সেইসঙ্গে বাংলাদেশও উপকৃত হবে। ভারতের জন্য চট্টগ্রাম ও আশুগঞ্জ বন্দর খুলে দেওয়া হলে বাংলাদেশ ভারতের আট রাজ্যের সুবিধা পাবে। এখন হলদিয়া বন্দর ব্যবহার করছে উত্তর-পূর্ব ভারতের আট রাজ্য। চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের রাজ্যগুলো ব্যবহার করলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতির রেভিনিউ পাবে। তবে সবচেয়ে বড় সম্পর্ক হচ্ছে হৃদয়ের সম্পর্ক। এই সম্পর্ক উভয় দেশে অটুট রয়েছে। ত্রিপুরা সরকার হেল্থ ট্যুরিজমে প্রধান্য দিচ্ছে, আগামী কিছু দিন পর ত্রিপুরা রাজ্যেও বিশ্বমানের হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। এর সুবিধা বাংলাদেশের নাগরিকও পাবেন। সেইসঙ্গে ত্রিপুরা রাজ্যে কিছু কল সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে যেগুলো পরিচালিত হবে বাংলায়। যার সুবিধা বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোও নিতে পারবে।  

সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ বলেন, ত্রিপুরা সরকারের পর্যটন দফতরের মন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায়ের আমন্ত্রণে এসেছি। আমার সঙ্গে সমাজ সেবক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতারা এসেছেন। ত্রিপুরা তথা ভারত ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ১ কোটি জনগণকে সহায়তা দিয়ে ছিলো, তা ভুলে যাওয়ার নয়।

সেইসঙ্গে তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষদের আহ্বান রাখেন বাংলাদেশের পর্যটন এলাকাগুলো দেখতে আসার জন্য। পর্যটনের মধ্যদিয়ে মৈত্রীর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও জানান তিনি।
 
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০
এসসিএন/ওএইচ/

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ-স্পিডবোট চলাচল স্বাভাবিক 
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের মায়ের মৃত্যুতে ডিক্যাবের শোক
কলকাতা বন্দরের নাম হলো ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ট্রাস্ট’
সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন কামাল লোহানী
ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসের কর্মকর্তার মৃত্যুতে ড. মোমেনের শোক


ফজলে রাব্বি চৌধুরী আর নেই
করোনায় মৃত-আক্রান্ত সাংবাদিকদের ঝুঁকিভাতার দাবি
বকেয়া বেতনের দাবিতে জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিকদের বিক্ষোভ
ঢাকায় ভার্চ্যুয়া‌লি ফাইল হ‌বে চে‌ক ডিজঅনা‌রের মামলা
না’গঞ্জে বৃষ্টির পানিতে ডুবেছে সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ