ত্রিপুরায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হচ্ছে স্ট্রবেরি

সুদীপ চন্দ্র নাথ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

স্ট্রবেরি। ছবি: বাংলানিউজ

walton

আগরতলা (ত্রিপুরা): ত্রিপুরার কৃষি দফতরের অধীনস্থ উদ্যান বিভাগের রাজধানীর পার্শ্ববর্তী নাগিছড়া এলাকার গবেষণাকেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে গুল্ম জাতীয় লতানো উদ্ভিদের চারটি জাতের স্ট্রবেরি চাষ করা হচ্ছে। এটি চাষ করতে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।

১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম স্ট্রবেরির চাষ করা হয়েছিলো ফ্রান্সের ব্রিটানি অঞ্চলে। পরে বিভিন্ন দেশে এ ফলের চাষের প্রবণতা বাড়তে থাকে। এ ফলটি শীতপ্রধান দেশে বেশি চাষ করা হয়ে থাকে।স্ট্রবেরির ক্ষেতে কাজ করছেন এক কর্মকর্তা। ছবি: বাংলানিউজরাজ্যে পাঁচ বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে স্ট্রবেরি চাষ করা হচ্ছে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন ওই গবেষণাকেন্দ্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর সুবল দেবনাথ।

তিনি বলেন, শীতপ্রধান অঞ্চলের ফল হলো স্ট্রবেরি। রাজ্যে এখন শীত মৌসুম তাই এটি চাষের জন্য বেশ উপযোগী। পাঁচ বছর ধরে এ ফলটি চাষ করা হচ্ছে। স্ট্রবেরির ফুল। ছবি: বাংলানিউজএখানে ক্যামেরুসা, নভেলা, সুইচার্লি ও ফেস্টিবেল জাতের চারটি স্ট্রবেরি চাষ করা হচ্ছে। তবে এবার ১২০ বর্গমিটার জমিতে ক্যামেরুসা এবং নভেলা জাতের স্ট্রবেরি চাষ করা হয়েছে। জমিতে প্রায় ৩শটির মতো চারা লাগানো হয়েছে। জমি থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচশ গ্রাম স্ট্রবেরি পাওয়া যাবে। তবে এর কিছুটা তারতম্য হতে পারে। বাকি দু’টি জাত আগের বছরেও লাগানো হয়েছিলো।

সুবল দেবনাথ বলেন, আগামী বছর এক হাজার বর্গমিটার জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখন স্ট্রবেরি চাষ করা বাণিজ্যিক লাভের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।গাছে কাঁচা স্ট্রবেরি। ছবি: বাংলানিউজস্ট্রবেরি চাষ লাভজনক হলে কৃষকদের এটির ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। চাষিরা ফলটি চাষ করলে বেশ লাভবান হবে বলে আশাবাদী তিনি।

তিনি আরও বলেন, গবেষণাগারে টিস্যু কালচারে এই ফলের চারা তৈরির গবেষণা চালানো হচ্ছে। পরে চাষিদের মধ্যে তা বিতরণ করা হবে। এখন স্ট্রবেরির বীজ বর্হি:রাজ্য থেকে এনে এখানে চাষ করা হচ্ছে। গাছে পাকছে স্ট্রবেরি। ছবি: বাংলানিউজঅক্টোবর-নভেম্বর মাসে স্ট্রবেরি চারা জমিতে লাগানো হয় এবং দু’মাসের মধ্যে গাছে ফল চলে আসে। মার্চের শেষে ও এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে গাছ থেকে ফল পাওয়া যাবে।ত্রিপুরা সরকারের কৃষি দফতরের উদ্যান বিভাগ। ছবি: বাংলানিউজস্ট্রবেরির পাকালে লাল টুকটুকে হয়। খুব পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি ফল। এতে প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ই, ফলিক এসিড আছে। গন্ধ, বর্ণ ও স্বাদে আকর্ষণীয় এ ফল থেকে রস, জ্যাম, আইসক্রিম, মিল্ক শেক, কেকসহ আরও অনেক খাদ্য তৈরি করা হয়। তবে বর্তমানে বেকারি শিল্পে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে স্ট্রবেরির।

বাংলাদেশ সময়: ০৯১৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২০
এসসিএন/এএটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আগরতলা কৃষি
সোনাইমুড়িতে জ্বর-শ্বাসকষ্টে ইতালি প্রবাসীর মৃত্যু
আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে চলছে অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা
প্রতিনিয়তই লকডাউন হচ্ছে রাজধানীর নতুন এলাকা
রক্তাক্ত ধর্ষিতা শিশুকে থানায় নিয়ে মায়ের আহাজারি
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ থেকে বিকল্প পথে গ্রামগঞ্জে শতশত মানুষ


যমুনা টিভির এক সাংবাদিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ঘরেই শবেবরাতের ইবাদতে রাজধানীবাসী
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন
বিএসএমএমইউ’র অধ্যাপক ও মেয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত
করোনা:আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে ফিরলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন