php glass

১০ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছে ত্রিপুরা সরকার: মনোজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ত্রিপুরা সরকারের খাদ্য ও জনসংভরন দফতরের মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। ছবি: বাংলানিউজ

walton

আগরতলা: গত বছরের মতো এবছরও ত্রিপুরার বিভিন্ন মহাকুমার কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনছে রাজ্য সরকারের খাদ্য ও জনসংভরন দফতর। ইতোমধ্যে সরকার কৃষকদের কাছ ১০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি ধান কিনেছে। 

সোমবার (১৫ জুলাই) ত্রিপুরা সরকারের খাদ্য ও জনসংভরন দফতরের মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব বাংলানিউজকে এ কথা জানান।

তিনি জানান, রাজ্য সরকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কুন্টাইল ধান ১৭শ ৫০ রুপি দামে কিনছে। গত বছর প্রথমবারের মতো রাজ্যের কৃষকদের কাছ থেকে ফুড করপোরেশন অব ইন্ডিয়া (এফসিআই) সহায়ক মূল্যে ধান কিনেছে। এজন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এফসিআইকে অনেক ভর্তুকি দিতে হয়েছে। কারণ এফসিআই যে মূল্য ভরতের অন্য রাজ্য থেকে ধান ভাঙায়। ত্রিপুরায় তার মূল্য তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। তাই ধান ভাঙানোর জন্য এফসিআইকে অতিরিক্ত খরচ ত্রিপুরা সরকারকে দিতে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এবছর রাজ্য সরকার সহায়ক মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনছে। পরবর্তীতে এ ধান ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে তা সাধারণ মানুষের কাছে বিতরণ করা হবে। 

তিনি আরও জানান, ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের আয় বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারই অংশ হিসেবে ত্রিপুরা সরকার কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনছে। কৃষকরাও সরকারের এ সিদ্ধান্তে খুশি। রাজ্যের প্রায় সব কৃষকই সরকারের কাছে ধান বিক্রি করছে। কারণ বাজারের পাইকারের চেয়ে তুলনামূলকভাবে সরকার বেশি দামে ধান কিনছে।

এদিকে, ভারত সরকার সম্প্রতি ধানসহ খাদ্য শস্যের সহায়ক হিসেবে প্রতি কুন্টাইল ধান ১৭শ’ ৫০ রুপি থেকে বাড়িয়ে ১৮শ’ ৩৫ রুপি করেছে। আরও কিছুদিন পর কৃষকরা সরকারের কাছে নতুন মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন। 

বাংলাদেশ সময়: ১৫১৮ ঘণ্টা, জুলাই ১৫, ২০১৯
এসসিএন/আরআইএস/

ksrm
জবিতে ভর্তি আবেদনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
কক্সবাজারে ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৪ জনকে কোপালো সন্ত্রাসীরা
চ্যানেলমুখে নাব্য সংকট, রাতে চলছে মাত্র ৪ ফেরি
ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ভাঙচুর-মারধরের অভিযোগে মামলা
মাহিন্দ্রার পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, চালক নিহত


চার্জার মেরামতকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোচালকের মৃত্যু
টেকনাফে ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতিকে গুলি করে হত্যা
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নয়নে প্রস্তাব
রপ্তানি বেড়েছে চামড়াজাত পণ্যের, কমেছে চামড়ার
দেশ নিয়ে চাওয়া পাওয়া