তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ত্রিপুরা, হাসপাতালে রোগীদের ভিড়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ত্রিপুরা

walton

আগরতলা (ত্রিপুরা): গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে আগরতলাসহ ত্রিপুরাবাসী। রাজ্যে তীব্র গরমে মানুষের প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত। নেই কোনো বৃষ্টির ছিটেফোঁটা। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা বাজতেই তাপমাত্রার তেজ যেন আরও বাড়তে থাকে। রাস্তা-ঘাটেও কমে যায় লোকজন। অতিরিক্ত গরম পড়ায় রাজ্যে বেশি সমস্যায় পড়েছে শিশু-কিশোররা।

php glass

রাজ্যের আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য মতে, শনিবার (২৭ এপ্রিল) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবার রাজধানী আগরতলার আই জি এম হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় রোগী নিয়ে অভিভাবকদের দীর্ঘলাইন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গৌতম দেবনাথ বাংলানিউজকে জানান, এই মৌসুমে তীব্র গরম পড়ায় প্রকৃতিতে এক ধরনের বিশেষ ভাইরাস দেখা দেয়। যা শিশুদের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। এখন শিশুরা জ্বর, সর্দি, কাশি ও পেটের পীড়ায় বেশি ভুগে। এই অবস্থা থেকে রেহাই পেতে শিশুদের মা-বাবাকে খুব সচেতন থাকতে হবে।হাসপাতালে রোগীদের দীর্ঘলাইন। ছবি: বাংলানিউজচিকিৎসক ডা. গৌতম দেবনাথ আরও জানান, কড়া রোদে বাইরে না বের হওয়াই ভালো। যদি বের হতেই হয় তাহলে ছাতা নিয়ে বের হবেন। এছাড়া প্রচুর  পানি ও শরবত পান করতে, বাসি-ভাজা ও মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। এসব বিষয় মেনে চললেই শিশুসহ বড়দের অসুখবিসুখ কম হবে।

এদিকে, আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস জানাচ্ছে, চলমান তাপপ্রবাহ রাজ্যবাসীকে পোড়াবে আরও কিছুদিন, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সূর্যের এই তেজি ভাব থাকবে। মাঝে মধ্যে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪২ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৭, ২০১৯
এসসিএন/এএটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আগরতলা
পঞ্চম ধাপের উপজেলা ভোটে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় মঙ্গলবার
চা পাতা ভর্তি কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২
হুয়াওয়ে’কে আর এন্ড্রয়েড সেবা দেবে না গুগল
আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ালো ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা
চুয়াডাঙ্গায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে গ্রেফতার ১৩


লক্ষ্মীপুরে ১ হাজার ৪০ টাকায় ধান ক্রয়
ইয়াবা পাচার: এসএ পরিবহনের তিনজন র‍্যাব হেফাজতে
এখন চলছে সুপার স্ট্রাকচার নির্মাণের কাজ 
মাদক মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দু’জনের কারাদণ্ড
লামায় পাহাড় থেকে পড়ে কাঠুরিয়ার মৃত্যু