php glass

খাগড়াছড়িতে স্বাগত জানায় শাপলা!

শামীম হোসেন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: শামীম হোসেন-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

খাগড়াছড়ি শহরে বাস থেকে নামার পর প্রথমেই যে স্থাপনা বা ভাস্কর্য চোখে পড়বে তা হলো শাপলা চত্বর। মূলত এটাই এ শহরের প্রাণকেন্দ্র। অনেকে একে খাগড়াছড়ির সিম্বল বলে থাকেন। 

খাগড়াছড়ি থেকে ফিরে: খাগড়াছড়ি শহরে বাস থেকে নামার পর প্রথমেই যে স্থাপনা বা ভাস্কর্য চোখে পড়বে তা হলো শাপলা চত্বর। মূলত এটাই এ শহরের প্রাণকেন্দ্র। অনেকে একে খাগড়াছড়ির সিম্বল বলে থাকেন। 

শাপলা চত্বরকে কেন্দ্র করেই ব্যবসা-বাণিজ্য, হাট-বাজার গড়ে উঠেছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় আন্দোলন, সংগ্রামের শুরুও হয় এ শাপলা চত্বর থেকেই। 

খাগড়াছড়ি থেকে এ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্পটগুলোতে যেতে পর্যটকদের এখান থেকেই চান্দের গাড়ি নিতে হবে। চত্বরের পূর্ব দিকে দিঘিনালা-সাজেক সড়ক, উত্তর দিকে চট্টগ্রাম-ঢাকা সড়ক, দক্ষিণ দিকে শহীদ কাদের সড়ক এবং পশ্চিমে গঞ্জপাড়া সড়ক।

শাপলা চত্বরের গা ঘেঁষে বামে ও ডানে রয়েছে মুক্তমঞ্চ, ঈদগাহ মাঠ।

দূর থেকে দেখলে এ চত্বরে কেবল শাপলার ভাস্কর্য রয়েছে বলেই মনে হবে। তবে একটু কাছ থেকে দেখলে শাপলা চত্বরকে ঘিরে রাখা দেয়ালে চোখে পড়বে সিমেন্টের গায়ে খচিত বাংলাদেশের সূর্য সন্তানদের ভাস্কর্য। এসব ভাস্কর্যের ঠিক উপরেই ৫২’র ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে খচিত রয়েছে বিভিন্ন বর্ণমালা। এর বাইরে স্টিলের রেলিং দিয়ে পুরো চত্বর ঘেরাও দেওয়া রয়েছে। 

শাপলা চত্বরকে ঘেরা দেয়ালে তাকালে প্রথমেই চোখে পড়বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য। এরপর চারপাশের একপাক ঘুরলেই আরো চোখে পড়বে যথাক্রমে জেনারেল এম এ জি ওসমানী, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, কে এম সফি উল্লাহ, খালেদ মোশাররফ, একে খন্দকার, মীর শওকত আলী, সি আর দত্ত, কর্নেল আবদুর রব, মো. রফিকুল ইসলাম, মেজর এমএ জলিল, এম এ মঞ্জুর, এম এ বাসার, আবু ওসমান চৌধুরী, কাজী কামরুজ্জামান, কর্নেল আবু তাহের, এ এইচ এম কামরুজ্জামান, এম মনসুর আলী, তাজউদ্দিন আহমেদ ও সৈয়দ নজরুল ইসলামের সিমেন্ট নির্মিত ছবির প্লেট সাঁটা । মোট বিশ জনের ভাস্কর্য এ চত্বরের চারপাশের দেয়ালে খচিত।

‘শাপলা চত্বর’ নামে এ ভাস্কর্য নির্মাণ করেছেন ভাস্কর ডি কে দাস মামুন। নামফলকের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২২ আগস্ট বর্তমান পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম এ ভাস্কর্য উদ্বোধন করেন। যদিও অনেক আগে থেকেই এখানে শাপলার ভাস্কর্য ছিল।

জানা যায়, ২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর শাপলা চত্বরের ভেঙে ‘টাইম স্কয়ার’ তৈরি করে। তবে সবাই এটাকে শাপলা চত্বর বলেই জানতো। টাইম স্কয়ার নাম দিলেও এখানে কোনো টাইম মেশিন (ঘড়ি) ছিল না। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের শুরুর দিকে ২০১৩ সালে পৌরসভার উদ্যোগে এটিকে নতুন সাজে গড়ে তোলা হয়। 

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪২ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৫, ২০১৬
এসএইচ/জেডএম

**রাঙামাটিতে পাহাড়ি পোশাকের রকমারি পসরা
**দুই হাজার ফুট উঁচুতে যাত্রী ছাউনি!
** আকাশছোঁয়া পাহাড়ি পথে রুমা
** লেকের দু’ধারে প্রকৃতির সঙ্গে রোমাঞ্চ!
** ঝুলন্ত ব্রিজ পার্কের অব্যবস্থাপনায় বিরক্ত পর্যটক
** মেঘ-পাহাড়ের অকৃপণ সৌন্দর্যের আধার খাগড়াছড়ি
** পর্যটকদের কাছে খাগড়াছড়ির ফল-সবজির কদর
**অনাবিল শান্তি শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে
 

‘টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে’
গণতন্ত্র ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: ফখরুল
মানিলন্ডারিং মামলা, নির্বাচন কমিশনের ২ কর্মচারী গ্রেফতার
‘১০ হাজারের বেশি সার্ভেয়ার-সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা নিয়োগ হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় দরকার তরুণদের সম্পৃক্ততা’


মিঠুনের ঝড়ো ব্যাটে সিলেটের সংগ্রহ ১৬২
আওয়ামী লীগে দূষিত রক্ত রাখা হবে না: সেতুমন্ত্রী
দর্শকশূন্য বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ
রাশিয়ান সংস্কৃতি কেন্দ্রের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
মানব উন্নয়ন সূচকে একধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ