php glass

যে কারণে জমেছে এবারের বিশ্বকাপে গোল উৎসব!

1622 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
গোল উৎসবে মেতেছে ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসর। প্রথম ১০ দিনে ২৬টি ম্যাচে ৭৭টি গোল হয়ে গেছে। এর মধ্যে ২০ জুন ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচেই হয়েছে ৭ গোল। আবার এক ম্যাচে তিন গোল হয়েছে এমন ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়েছে অনেকগুলো।

ঢাকা: গোল উৎসবে মেতেছে ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসর। প্রথম ১০ দিনে ২৬টি ম্যাচে ৭৭টি গোল হয়ে গেছে। এর মধ্যে ২০ জুন ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচেই হয়েছে ৭ গোল। আবার এক ম্যাচে তিন গোল হয়েছে এমন ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়েছে অনেকগুলো।

বিশ্বকাপের এবারের আসরের প্রথম দশ দিন শেষে গোলের গড়সংখ্যা দেখা যাচ্ছে ২.৯ গোল। সর্বোচ্চ গড় গোল হয়েছিল ১৯৫৮’র সুইডেন বিশ্বকাপে। সেবার প্রতি ম্যাচে গড়ে ৩.৬ গোল উদযাপন করা হয়।

২০তম বিশ্বকাপের এ আসরের প্রথম থেকেই এত গোলের পেছনে বেশ কিছু কারণের কথা জানিয়েছেন মাঠ ও আবহাওয়া বিশ্লেষকরা। এ পর্যায়ে তুলে ধরা হচ্ছে সেসব বিশ্লেষণ।

পাল্টা আক্রমণে টিকি-টাকা’র আধিপত্য ধ্বংস: ১৮ জুন চিলির বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের এবারের মিশন শেষ হয়েছে ‘টিকি-টাকা’ খ্যাত স্পেনের। আর তাতে পতন হয়েছে ছন্দের ফুটবল সাম্রাজ্যের।



গত ছয় বছর ধরে স্পেন তাদের খেলার এ ধরন অব্যাহত রেখেছে। একই ফরম্যাটে খেলা চলছে শীর্ষ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনায়ও। এ ধরনের খেলা বিশ্ব ফুটবলে পরিচিত হয়ে যাওয়ায় সে কৌশলই সবাই রপ্ত করতে শুরু করেছে। অথচ অতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ‘টিকি-টাকা’র আধিপত্য ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের দুইটি ম্যাচে মোট ৭টি গোল হজমের মধ্য দিয়ে।

উষ্ণ আবহাওয়া: ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে আবহাওয়া ছিল ঠাণ্ড। সে তুলনায় ব্রাজিলের আবহাওয়া গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপ-গ্রীষ্মমণ্ডলীয়। আবহাওয়ার এ বৈচিত্র্যের কারণে খোলোয়াড়রা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে গিয়ে বেশি পরিমাণে ভুল করছেন। আবহাওয়ার বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার কোচ আনজে পোস্তেকগলু বলেন, বিষয়টি হঠাৎ গোল বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দ্রুত গোল দেওয়া: ১৬ জুন ঘানা-যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচে মাত্র ৩২ সেকেন্ডে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিন্ট ডাম্পসি। ডাম্পসির এ গোল বিশ্বকাপের পঞ্চম দ্রুততম সময়ের গোলের রেকর্ড।

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের গোলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অধিকাংশ দলই প্রথমার্ধে গোলের দেখা পেয়েছে। সে কারণে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই প্রতিপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করে শেষ পর্যন্ত বেশ সাফল্য তুলে নিতে পেরেছে।

নতুন কৌশল অবলম্বন: ২০১০ বিশ্বকাপে অধিকাংশ দল ৪-২-৩-১ ফরম্যাটে খেলে সাফল্য পেয়েছে। তবে এবারের বিশ্বকাপে এ ফরমেটে বেশ নতুনত্ব দেখা গেছে। স্পেনের বিপক্ষে নেদারল্যান্ড ৫-৩-২ ফরম্যাটে খেলে বেশ সাফল্য পায়।

ওই ম্যাচ জয়ের পর ডাচ স্ট্রাইকার অ্যারিয়েন রোবেন বলেন, এ ফরম্যাটে খেলার কারণে আমাদের ডিফেন্সের খেলোয়াড়রা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পেরেছেন। তাতে আমি (রোবেন) ও রবিন ফন পার্সি বেশ জায়গা পেয়েছি।

গড়মাত্রায় গোলকিপিং: পার্সি, রোবেন, টিম কাহিল, নেইমাররা এখন পর্যন্ত আমাদের বেশ কিছু অসাধারণ গোল উপহার দিয়েছেন। আবার কিছু কিছু গোল এসেছে গোলরক্ষকদের নিম্নমানের গোলকিপিংয়ের কারণে।

আবার কোনো কোনো গোলরক্ষকের উচ্চতা ও ইনজুরি সংক্রান্ত শারীরিক সমস্যার কারণেও এবারের বিশ্বকাপে গোল উৎসব জমে উঠেছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৯৪৯ ঘণ্টা, জুন ২১, ২০১৪

‘দরিদ্র্য মানুষটিই হয়ে উঠেছিলেন এশিয়ার অন্যতম দানবীর’
শফিকুলের গানে শুরু ফোকফেস্টের দ্বিতীয় দিনের পরিবেশনা
বাংলাদেশে ধর্মীয় সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বিদ্যমান
ট্রেন দুর্ঘটনায় নাশকতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে
ব্যবসায়ীর ২০ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘উপহার’ পেলেন রিকশাচালক


ফরিদপুরে আনসার আল ইসলামের ২ সদস্য আটক
ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, মরদেহ উত্তোলন
রাজশাহীতে দু’দিনে দেড় কোটি টাকার কর আদায়
১০০ ফুটবল মাঠের সমান ময়লার ভাগাড়!
পাঁচ বোলারের চারজনের ‘সেঞ্চুরি’