‘ভাই, মেরে লাশকো ভারতমে ভেজ দেনা!’

মাজেদুল নয়ন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি ও ভিডিও: দীপু মালাকার

পাকিস্তান থেকে মুজাহিদের ট্রেনিং নেয়া আবু সাঈদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ৩ নং সেক্টরে আখাউড়ায় যুদ্ধ করছিলেন ভারতীয় সেনা রেহমান গুল।

আখাউড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া: পাকিস্তান থেকে মুজাহিদের ট্রেনিং নেয়া আবু সাঈদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ৩ নং সেক্টরে আখাউড়ায় যুদ্ধ করছিলেন ভারতীয় সেনা রেহমান গুল। ৫ ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্তানি বাহিনী বিমান থেকে হামলা চালায়। সেদিন কোড্ডা গ্রামে বাংকারের ভেতরও আর নিরাপদ থাকার যো ছিল না। বিমান থেকে ছোড়া বৃষ্টির মতো গুলি বাংকার ভেদ করে রেহমান গুলের কান ঘেঁষে কাঁধে আঘাত হানে। তখনও আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে শত্রুপক্ষের বিমান। রেহমান গুলকে নিরাপদে আর কোথাও সরানো সম্ভব ছিল না। এতো বড় আঘাতের স্থানে কাঁপড় চেপেও রক্তক্ষরণ বন্ধ করা যাচ্ছিল না। একসময় নিস্তেজ হয়ে আসে গুলের দেহ।

আবু সাঈদকে তিনি বলে যান তার শেষ ইচ্ছের কথা, ‘ভাই, মেরে লাশকো ভারতমে ভেজ দেনা!’ (ভাই, আমার লাশটা তোমরা ভারতে পৌঁছে দিও।)

আখাউড়া মুক্ত করার এই যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে ভারতীয় মিত্রবাহিনী।
আগরতলা বিমানবন্দরকে নিরাপদ রাখতে ভারতীয় মাউন্ট ব্যাটেলিয়ান ছিলেন মিত্রবাহিনী হিসেবে।ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানীর আগরতলা বিমানবন্দর ঘেঁষা বাংলাদেশের সীমান্ত শহর আখাউড়া। সমতলভূমি আখাউড়ায় খুব বেশি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি মুক্তিযোদ্ধারা। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই আখাউড়ায় প্রবেশ করে পাকিস্তানি বাহিনী। তবে মুক্তিযোদ্ধারাও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ভয়ে-আতঙ্কে সাধারণ মানুষ তাদের ভিটেমাটি ছেড়ে রওয়ানা করেন সীমান্তের ওপারে। ততদিনে ভারতে বেশ কয়েকটি শরণার্থী ক্যাম্প তৈরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে হাফালিয়াতে ছিল সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্পটি।

২১ জুন দক্ষ পাকিস্তানি বাহিনীর পরিকল্পিত হামলার মুখে টিকতে না পেরে ৩নং সেক্টর কমান্ডার মেজর কে এম শফিউল্লাহর নেতৃত্বে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটে ভারতে চলে যান।

এর পরের মাসগুলোতে ভারতের সীমানায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি  গেরিলা হামলাও চলতে থাকে। থ্রি-নটথ্রি, এলএনজি, এসএমজি, রাশিয়ান স্টেন গান, এসএলআর রাইফেল, টুইনস মর্টার ও থ্রি-ইঞ্চ মর্টারের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো মুক্তিযোদ্ধাদের। প্রথম দিকে অস্ত্রের ঘাটতি থাকলেও আগস্ট মাসে প্রয়োজনীয় অস্ত্র হাতে আসে।
আগরতলা থেকে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত আক্রমনে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক সেনারা।এ সময় গেরিলা হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীর মনোবলে চিড় ধরানো, পরস্পরের কাছ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, তাদের অস্ত্র-গোলাবারুদ-খাদ্যদ্রব্য যাতে পরিবহন যেন না হতে পারে, যানবাহন ইত্যাদি যাতে চলাফেরা করতে না পারে সেজন্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দেয়া, বিদ্যুৎ এবং পেট্রোল ইত্যাদির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানোর কাজে ব্যস্ত থাকে মুক্তিসেনারা। পাশাপাশি চলতে থাকে রাজাকারদের নির্মূলের কাজও।

৩ নং সেক্টরের অনেক মুক্তিযোদ্ধাই ভারতের আসামের পাহাড়ি অঞ্চল ইন্দ্রনগরে প্রশিক্ষণ নেন। এখানে গেরিলাদের বেশিরভাগই ছিলেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ছিল পাহাড়ের উপর। উপজাতীয় কয়েকটি বাড়ি খালি করে মুক্তিযোদ্ধাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র সরকার রাজপুত এবং শিখ ক্যাপ্টেন চৌহান।

রেলযোগাযোগের দিক থেকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে আখাউড়া ছিল ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ।  ২ ও ৩ নং সেক্টরের মাঝেই ছিল আখাউড়ার অবস্থান। তাই হবিগঞ্জের মনতলা থেকে শুরু করে আখাউড়ার সিংগারবিল পর্যন্ত সীমানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
অন্যদিকে সিলেটের সঙ্গে রেলযোগাযোগ নির্বিঘ্ন রাখার জন্যে আখাউড়া নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মরিয়া ছিল হানাদাররাও। এ কারণে আখাউড়া শহরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তান আর্মির শক্তিশালী টাইগার ফোর্সকে নিয়োজিত করা হয়।

অন্যদিকে আগরতলা ও গুরুত্বপূর্ণ বিমান ঘাঁটিকে নিরাপদ রাখতে ভারতের বিশেষ মাউন্টেন ব্যাটেলিয়ানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুই পক্ষই ছিল আর্টিলারি হামলায় অত্যন্ত পারদর্শী।

এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ এবং পরবর্তী দিনগুলোতে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে ছিলেন মেজর এ. এন. এম. নুরুজ্জামান।

১৩ সেপ্টেম্বর কলকলিয়া সাবসেক্টর মুকুন্দপুরের একটি ট্রেনে অপারেশন চালায়। ৪টি বগিতে থাকা প্রায় ৭০ জন পাকিস্তানি সৈন্য নিহত এবং আহত হয়। বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি বাহিনী মুকুন্দপুর ছেড়ে চলে যায়। তবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে পাকিস্তানি সৈন্যরা পুনরায় মুকুন্দপুর দখল করে রেললাইন মেরামত করে।
বাংকার থেকে ভারতীয় সীমানায় অস্ত্র তাক করে রাখতো হানাদারেরা।
নভেম্বরের শেষ দিকে ‘এস’ ফোর্সের অধিনায়ক মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা আখাউড়া ফিরে পেতে মরণপণ লড়াইয়ে নামেন।

‘এস’ ফোর্সের ২নং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেণ্টের কমান্ডিং অফিসার মেজর মঈনের ব্যাটেলিয়ান ডিসেম্বরের প্রথম রাতেই আখাউড়ার দিকে এক সাঁড়াশি অভিযান চালায়। ভোর অব্দি তুমুল যুদ্ধ চলার পর বেগতিক দেখে পিছু হটে যায় পাকবাহিনী।

১১ নং বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার মেজর নাসিম আগরতলার উত্তর দিকে ধর্মঘরে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেন। ধর্মঘরকে সামনে রেখে মোহনপুর-আগরতলা রোডে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান গ্রহণ করে সাবসেক্টর বি-কোম্পানি। তবে পরের দিন সকালেই আবারও আর্টিলারির সহায়তায় তীব্র পাল্টা আক্রমণ করে পাকিস্তানি বাহিনী।

৩ ডিসেম্বরই আখাউড়ায় হামলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অপারেশনে অংশ নেয়া মুক্তিযোদ্ধাদের একটি প্লাটুনকে ভারতের আগরতলার শালবাগান ক্যান্টনমেনেট নিয়ে যাওয়া হয়। সকলকে তিন দিনের শুকনো খাবার দেয়া হয়। সেখান থেকে লিচুবাগানে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে তুলে দেয়া হয় অস্ত্র।  এসবের মধ্যে ছিল স্টেন গান, এসএলআর এবং গ্রেনেড ইত্যাদি।  হাতে একটি সীল মেরে দেয়া হয় যেন শহীদ হলেও কোন পক্ষের লাশ তা দেখেই চেনা যায়।
পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে বাংকারগুলো।এই প্লাটুনটির নেতৃত্বে ছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন জুনু সিং। লিচুবাগানের নতুননগর হাইস্কুল মাঠে ব্রিফিং করেন তিনি। বলেন, ‘ভাববেন ভুট্টো লক্ষ লক্ষ বুলেট তৈরি করেছে, কিন্তু এর একটাও আমার জন্য নয়। আমরা এখন বাংলাদেশে প্রবেশ করবো এবং স্বাধীন না হওয়ার আগে ফিরবো না।’ জুনু সিং-এর বক্তব্যে আরো উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সেনারা।

এ প্লাটুনটি প্রথমে সীমান্তের পাশে মেথর পট্টিতে অবস্থান নেয়। এরপর পশ্চিম দিকে রওয়ানা করে রাত আটটার দিকে তারা সুলতানপুর-আগরতলা সড়কের পাশে কোড্ডা নামক গ্রামে একটি অস্থায়ী বাংকার তৈরি করেন। সেখানে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সেনা অবস্থান নেন। এদিন আগরতলা সীমান্ত দিয়ে আরো কয়েকটি গ্রুপ আখাউড়ায় প্রবেশ করে আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়।

পরের দিন হানাদারেরা কোড্ডায় বাংকারে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের ব্যাপারটা কোনোভাবে জেনে যায়। তবে তাদের ধারণা ছিল না, সেখানে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর কতোজন সদস্য রয়েছেন! অথচ বেকুবের মতো, ১০ থেকে ১২ জনের দল নিয়ে হামলা চালায় পাকিস্তানি সৈন্যরা। এই নির্বুদ্ধিতার ফলও তারা পায়। কাছাকাছি আসামাত্র মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে ১১ থেকে ১২ জন পাকসেনা মারা যায়। তাদের অস্ত্র ও গুলি কেড়ে নেয় মুক্তিবাহিনী। আশপাশের আরো কয়েকটি ক্যাম্প থেকে পাকিস্তানি বাহিনী হামলা করে। ওই রাতে ট্যাংক দিয়েও হামলা করে হানাদারেরা।

এই বাংকারে ভারতীয় ক্যাপ্টেন জুনু সিংও ছিলেন। তার হাতে থাকা ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র থেকে তিনি ট্যাংক লক্ষ্য করে শেল ছোড়েন। বিকল হয়ে পথের ধারে পড়ে যায় ট্যাংক। হামলাকারীদের মৃত্যুবরণ করতে হয়। সবমিলিয়ে এ সংখ্যা পঞ্চাশোর্ধ হবে বলেই ধারণা।

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া আর হবিগঞ্জের সীমান্তবর্তী সোনারবাদি, কালিকাপুর, জয়নগর, কেলাপাড়া, কল্যাণপুর, জিগাপুর, কুড়িপাইকা গ্রামজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সবখানেই মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর কাছে ধরাশায়ী হতে থাকে পাকবাহিনী।
আখাউড়া রেল স্টেশনে শক্ত ঘাঁটি গাড়ে হানাদারেরা।এরপর ৫ তারিখ আখাউড়ার বিভিন্ন স্থানের মতো কোড্ডাতেও পাকিস্তানিরা বিমান হামলা চালায়। বিমান হামলায় বাংলাদেশি মুক্তিবাহিনীর অনেক বীর যেমন শহীদ হন, তেমনি রেহমান গুলের মতো অনেক ভারতীয় সৈন্যও জীবন দান করেন।

এরপর ৫ তারিখ দুপুরে মনতলাতে সাবসেক্টর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় উপজাতীয় বংশোদ্ভূত ক্যাপ্টেন রানা। পাঁচ তারিখ রাতে পুরোদমে ভারতীয় বাহিনীসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সামনে এগিয়ে যেতে বলা হয়।

রাতে ভারতীয় মাউন্টেন ব্যাটেলিয়নও ভারী অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে। গণবাহিনীর হাতে দেয়া হয় হালকা অস্ত্র। বেছে বেছে কয়েকজনের হাতে এলএমজি, কয়েকজনকে এসএমজি ও গ্রেনেড দেয়া হয়। এদিন ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের নিয়মিত বাহিনীকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের মূল কর্তব্য।

আগরতলার এই দিকে বাংলাদেশে প্রবেশের পথটি একটু ঢালু হয়ে নেমেছে। ফলে প্রবেশ করাটা খুব সহজ ছিল না। আর পাকিস্তানি আর্মি ছিল তাদের ক্যাম্প ও বাংকারে নিরাপদ স্থানে।ফলে কিছুটা প্রতিকূল ভূমি পেরিয়েই বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকতে হয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যোদ্ধাদের।  মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত আক্রমনে আখাউড়া স্টেশণ ছাড়তে বাধ্য হয় পাকসেনারা।ভোর রাতেই শুরু হয়ে যায় যুদ্ধ। পাকিস্তানি ঘাঁটিগুলোর ওপর আর্টিলারি হামলা চালায় মাউন্টেন ব্যাটেলিয়ন। ৬ তারিখ আখাউড়া থেকে পিছু হটে যায় পাকবাহিনী।

তিন তারিখের পর অনেক জায়গাই তখন শত্রুমুক্ত। আখাউড়া মুক্ত করে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী ঢাকার পথে রওয়ানা দেয়। প্রথমে মুক্তিযোদ্ধাদের বলা হয়, আশুগঞ্জ এবং মিত্রবাহিনীর গোকর্ণঘাট হয়ে যাওয়ার কথা। তবে পরে পথ পরিবর্তন করা হয়। আর আশুগঞ্জের পথে পাকিস্থানি হানাদারদের আক্রমণে এক প্লাটুন ভারতীয় সৈন্যের সকলেই মারা যান।

যারা বর্ণনা দিয়েছেন: আখাউড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবু সাঈদ এবং মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন ও লীলু মিয়া।

সহযোগিতায়:

আরও পড়ুন:

** ক্যান্টনমেন্টের সহায়তায় খুন, ধর্ষণে লিপ্ত হয় বিহারীরা
** অমরখানা: ৬নং সেক্টরের বড় এক যুদ্ধক্ষেত্র
** পাটগ্রামের ত্রিমুখী ডিফেন্স ছিল পাকসেনাদের কাছে ‘চীনের প্রাচীর’
** তেলডালার রসদে রৌমারীতে পূর্ণাঙ্গ রণ-প্রশিক্ষণ ক্যাম্প
** বাবাজী বললেন, ‘এক ইঞ্চ আন্দার আন্দার বোম্বিং কারো’
** ভোগাই নদীর ওপাড় থেকে তেলিখালী, চেলাখালী

** আমীর ডাকাতের বাড়িতে থেকে চরাঞ্চলে গেরিলা আক্রমণ
** তোরা, তেলডালা থেকে মুজিব ক্যাম্প
** পাকবাহিনীর ওপর গারো-হাজংদের প্রতিশোধের আগুন

বাংলাদেশ সময়: ০৮০০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৬
এমএন/জেএম

ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লেন মেসি
রোনালদোর ৪০০ গোলের মাইলফলকেও জয়বঞ্চিত জুভেন্টাস
ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান
৭ প্রকল্পে মিলেছে সৌদি ঋণ, পাইপ লাইনে ৪ প্রকল্প
আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

আলফ্রেড নোবেলের জন্ম

শেষ মুহূর্তে ম্যানইউ’র হোঁচট, কোচের ধ্বস্তাধস্তি 
হেড-নেক ক্যান্সার প্রতিরোধে তামাক দ্রব্য পরিহার
গণতন্ত্র রক্ষায় সবকিছু করতে প্রস্তুত আ.লীগ
রাবিতে মাথাচাড়া দিয়েছে ভর্তি জালিয়াত চক্র
দুর্বল বার্নলিকে উড়িয়ে দিয়ে শীর্ষে গার্দিওলার সিটি