php glass

টোকিও দূতাবাসে শোকদিবস পালিত

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

টোকিওতে শোক দিবস পালিত

walton

ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস যথাযথ মর্যাদা আর ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করেছে টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস।

বৃহস্পতিবার ( ১৫ আগস্ট) সকালে দূতাবাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শোকদিবস পালিত হয়। টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়েছে।

টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্যে দিয়ে শোকদিবসের প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। এসময় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সব শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়ায় দূতাবাসের সব কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। পরে অতিথি, জাপান প্রবাসী এবং জাপান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র  প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রাবাব ফাতিমা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন বাঙালি জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা -যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল। তিনিই যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণে আসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছিলেন। দ্রুততম সময়ে জাপানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি আদায় ও তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন।

আলোচনা পর্বে প্রবাসী নেতারা জাতীয় শোকদিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেন। এ শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে আরো উদ্যম ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের উন্নয়নে অধিকতর অবদান রাখার অঙ্গীকার করেন।

আলোচকরা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার এবং রায় কার্যকর করার জন্য সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে পলাতক খুনিদের দেশে এনে রায় বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান তারা। বক্তারা একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজেরও দ্রুত নিস্পত্তি ও রায় কার্যকরের দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতির পিতার সংগ্রাম আর জীবন-কর্ম নিয়ে ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১১৫২ ঘণ্টা, আগস্ট ১৫, ২০১৯
টিআর/এসএইচ

ksrm
শনিবার জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবে ছাত্রদল
ভবন থেকে পড়ে উপ-সচিবের গাড়ি চালকের মৃত্যু
কোম্পানীগঞ্জে অপহৃত স্কুলছাত্রী খাগড়াছড়ি থেকে উদ্ধার
আইজিসিসির আয়োজনে গাইলেন অদিতি মহসিন
রাস্তা খালি করতে দুই মোটরসাইকেল এসকর্ট রেখেছিলেন শামীম


‘ক্ষেপ’ বন্ধ করতে পয়েন্ট আনলো পাঠাও
আবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
ভুটানকে হারালো বাংলাদেশের কিশোররা
বিখ্যাত লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
বসুন্ধরা কিংস একাডেমি কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন যশোর