‘গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের মূল্য কম হওয়া উচিত’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) উপদেষ্টা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: রাজধানী থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুতের দাম কম হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) উপদেষ্টা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) খুচরা বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনে শুনানি চলাকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ মন্তব্য করেন।  

অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, রাজধানীর বসবাসকারীরা বিদ্যুতের যেসব সুবিধা ভোগ করেন, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ সে সুবিধা ভোগ করতে পারে না। ঢাকায় যেভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া হয়, গ্রামে বিদ্যুৎ সেবা সেই তুলনায় অত্যন্ত সীমিত। গ্রামে ও ঢাকায় বিদ্যুতের দাম এক হতে পারে না। 

গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের দাম কমানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষের আয় ও জীবনযাত্রার মান রাজধানীবাসীর থেকে অপ্রতুল। ঢাকা ও গ্রামে বিদ্যুতের মূল্য কোনো যুক্তিতেই এক গ্রহণযোগ্য নয়।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ঢাকার মানুষকে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ প্রদান করতে বিদ্যুৎ বিভাগের জনবল এবং অন্যান্য বিষয়ে খরচও বেশি হয় । সুতরাং এ খরচের টাকা রাজধানীবাসীর কাছ থেকে নেওয়া উচিত। এ টাকা গ্রামের মানুষের কাছ থেকে গ্রহণ করাটা অন্যায়। ঢাকা থেকে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুতের মূল্য অবশ্যই কম হওয়া উচিত। 

গণশুনানিতে জুরি বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। এছাড়াও জুরি বোর্ডে ছিলেন কমিশনের সদস্য রহমান মুর্শেদ, মিজানুর রহমান ও মাহমুদউল হক ভূঁইয়া। 

মধ্যাহ্ন বিরতির পর ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের বিষয়ের ওপর শুনানি চলছে।    

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৯ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০২, ২০১৯
আরকেআর/এমএ

লাঞ্ছিত না করে শ্রমজীবী মানুষকে খাদ্য দিন: ক্ষেতমজুর সমিতি
সরকারি খাস জমিতে বাড়ি পাচ্ছেন সেই বৃদ্ধ
ছিন্নমূল মানুষকে একবেলা খাবার দেবে ডিএমপি
টিভিতে ‘আমার ঘরে আমার ক্লাস’ শুরু সকাল ৯টায়
ভূতুড়ে নগরী ঢাকা


সংকট মোকাবিলায় জনগণ জাতীয় ঐক্য স্থাপন করেছে: জেএসডি
নারায়ণগঞ্জে পর্যাপ্ত পিপিই মজুদ আছে: ডিসি
বগুড়ায় দিনমজুরদের খাদ্যসামগ্রী দিলেন আ’লীগ নেতা রনি
বগুড়ায় হোম কোয়ারেন্টিনে ৭৫২, ছাড়পত্র পেয়েছে ১৬১ জন
করোনা ইউনিটে নেয়ার পরেই রোগীর মৃত্যু