php glass

পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশের সবচেয়ে বড় টারবাইন স্থাপন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

স্টিম টারবাইন। ছবি: বাংলানিউজ

walton

পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে দেশের সবচেয়ে বড় স্টিম টারবাইন স্থাপন করা হয়েছে।

চলতি বছরের আগস্টে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে এর একটি ইউনিট। এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই একটি ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এতে বিদ্যুৎ উপাদনের খরচ বহুলাংশে কমে আসবে।

বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) সহকারী প্রকৌশলী মো. পিঞ্জুর রহমান বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্ল্যান্ট চালু করার জন্য দিন-রাত শ্রমিকরা কাজ করে যাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে আমরা পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ১ এর টারবাইন বসিয়েছি। যেখান থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে।

বিসিপিসিএল’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসএম মেহেদী হাসান জানান, প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী আগস্টে এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের প্রথম টারবাইন বসানো হয়েছে এবং আরও একটি টারবাইন বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবরে কলাপাড়ার ধানখালীতে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রাথমিক জ্বালানি কয়লা ও দ্বিতীয় জ্বালানি ডিজেল যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে সরবরাহ করা হয়।

বর্তমানে ২৬৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উপাদনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। ভবিষ্যতে আরও ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড বর্তমানে বাংলাদেশি ৮ হাজার ও ২ হাজার চাইনিজ শ্রমিক দিয়ে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।

নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের নিবার্হী প্রকৌশলী রেজওয়ান ইকবাল খান জানান, সিভিল কাজ প্রায় শেষ, ইউনিট-১ এর টারবাইন, জেনারেটর বসানো শেষ এবং বয়লার ইরেকশনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। চিমনি, কুলিং টাওয়ার এবং পানি পরিশোধনের কাজ চলমান রয়েছে। পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ইউনিট আগস্টে উৎপাদনে যাবে এবং ২য় ইউনিট ছয় মাস পরে উৎপাদনে যাবে।

তিনি আরও জানান, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম নদীপথ। নদীতে পর্যাপ্ত ড্রাফট না থাকায় বড় ভেসেল এখানে আসতে পারছে না। ফলে লাইটার ভেসেলে করে কয়লা আনতে হয়। এতে করে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ড্রাফট বাড়াতে নদীতে ড্রেজিং কাজ শুরু করেছে।

চীনা কোম্পানির ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের নিবার্হী প্রকৌশলী অংজিজু জানান, বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬০ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২২, ২০১৯
আরএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: তাপবিদ্যুৎ পটুয়াখালী
কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: আটজন লাইফসাপোর্টে
‘একজন অফিসার চাইলে জেলা-উপজেলার চেহারা বদলে দিতে পারেন’
থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট করা যাবে না
পরবর্তী করণীয় ঠিক করবেন সিনিয়র আইনজীবীরা
সেঞ্চুরির পর তামিমের ৫


খাগড়াছড়িতে ডিজিটাল দিবসে র‌্যালি-সভা
এ রায়ে আমরা ‘শকড’: মাহবুব উদ্দিন
খালেদাকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ কামরুলের 
কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
২০২৩ সালের মধ্যে দেড় কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে