গ্যাস জটিলতায় শাহজালাল সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টোরির একটি প্ল্যান্ট। ছবি: সংগৃহীত

সিলেট: গ্যাস সরবরাহ জটিলতায় সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দৈনিক ২ কোটি ১৭ লাখ টাকার লোকসানের মুখে পড়েছে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানাটির। 

php glass

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারখানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

কারখানার একটি সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, সংস্কার কাজের জন্য সোমবার (০৫ জানুয়ারি) কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। 
মঙ্গলবার সকালে সার উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও গ্যাস সরবরাহ জটিলতায় কারখানা চালু করা যায়নি। 

শাহজালাল সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মনিরুল হক বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের কোনো সমস্যা নেই। গ্যাস সরবরাহ পেলে এই মুহূর্ত থেকেই উৎপাদনে যেতে পারবো। 

তিনি বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ আছে। বিষয়টি নিয়ে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।’ 

প্রায় ১ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এই কারখানা থেকে বর্তমানে দৈনিক ১৫ থেকে সাড়ে ১৫শ’ মেট্রিক টন সার উৎপাদন হচ্ছে উল্লেখ করে এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া ১৪ হাজার টাকা টন বিক্রি করা হয়ে থাকে। 

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে জালালাবাদ গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বন্ধ করছি। ওখানে এখন সীমিত আকারে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সার উৎপাদনের বাইরে ওখানে কিছু ডিমান্ড আছে। ওই সরবরাহ রেখে বাকিটা বন্ধ করা হয়েছে।   

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ২৪ জুন শাহজালাল সার কারখানার নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত কারখানায় প্রতিদিন ১ হাজার ৭৬০ টন ও প্রতিদিন ১ হাজার টন অ্যামোনিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে কেবল ইউরিয়া সার উৎপাদন হচ্ছে। 

২০১৫ সালের আগস্টে পুরোদমে উৎপাদন শুরুর কথা থাকলেও ওই বছরের সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যায় কারখানাটি। 

উৎপাদন শুরুর দুই বছরের মধ্যেই বিভিন্ন জটিলতায় কারখানাটির উৎপাদন বারবার বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ মঙ্গলবার গ্যাস সরবরাহ জটিলতায় ফের বন্ধ হয়ে যায় শাহজালাল সার কারখানার উৎপাদন। 

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৮
এনইউ/এমএ

আদালতের মালখানা থেকে খোয়া গেছে ২৭ লাখ টাকা
ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা, আহত ৫
‘মেসিকে জাতীয় দলে নেওয়ার সময় এটা নয়’
ভালোবাসায় স্মরণ কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহকে
রাজবাড়ীতে ২ সেবা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা


মাদারীপুরে ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত
সিআইইউতে ‘ব্যাংকারস হান্ট’
জবিতে ২ দিনব্যাপী সংগীত উৎসব শুরু বুধবার
জিডিপিতে শেয়ার বাজারের অবদান ৪০ শতাংশ হওয়া উচিৎ
ইবিতে র‍্যাগিং, ৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার