ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২২ জিলহজ ১৪৪১

আওয়ামী লীগ

পিরোজপুরে গণপূর্ত মন্ত্রীর নেতৃত্বে সুসংগঠিত আ’লীগ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২০৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
পিরোজপুরে গণপূর্ত মন্ত্রীর নেতৃত্বে সুসংগঠিত আ’লীগ

পিরোজপুর: পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য, গৃহায়ন  ও  গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে জেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন বর্তমানে আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত অবস্থায় রয়েছে। তার অনুসরণীয় নেতৃত্বের ফলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বর্তমানে আরও বেশি রাজনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নেতাকর্মীদের দাবী, পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছরের কোন্দল অনেকটাই নিরসন করতে সক্ষম হয়েছেন রেজাউল করিম। এতে করে সাধারণ মানুষও রাজনীতি করার উৎসাহ ফিরে পেয়েছে। 

এ ব্যাপারে পিরোজপুর জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মো. জসিম উদ্দিন খান বাংলানিউজকে বলেন, আওয়ামী লীগের ঘাটি এ পিরোজপুরে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং প্রকট আকারে ছিল। এর ফলে অনেক ত্যাগী নেতকর্মীরাই তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারতো না।

দলের রাজনীতির ব্যাপারে অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। কিন্তু গত ১ বছরে সেই সব নেতাকর্মীরা আবার রাজনীতিতে ফিরে এসেছে।  

নিজেকে দলের দুর্দিনের কর্মী দাবী করে এ শ্রমিক নেতা বলেন, গত ১০ বছরে পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুণ্ণ হয়েছে। অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী এ সময় নিজেদের আওয়ামী লীগ হিসাবে পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করত। কিন্তু গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমের  নেতৃত্বে আজ পিরোজপুরের রাজনীতিতে চলছে একটি সুন্দর পরিবেশ। দল এগিয়ে চলছে সুসংগঠিতভাবে। এর আগে এখানে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলের ফলে জামায়াতের প্রার্থীর কাছে পিরোজপুর-১ আসন হারাতে হয়।  

শ. ম. রেজাউল করিমের নেতৃত্বের প্রশংসা করে পিরোজপুর জেলা যুবলীগ সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান ফুলু বাংলানিউজকে বলেন, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমন পরিচ্ছন্ন লোকের প্রয়োজন ছিল অনেক আগেই। তিনি এমপি ও মন্ত্রী হওয়ার কারণে পিরোজপুরে কোনো সিন্ডিকেট টেন্ডার বা নিয়োগ বাণিজ্য হচ্ছে না। দলের নেতাকর্মীরা রাজনীতি করে আনন্দ পাচ্ছে।  

জেলার সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও সরকারী সোহরাওয়ার্দী কলেজের ভিপি এসএম বায়েজিদ হোসেন বলেন, জন্ম  থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার পরও এখানে বিশেষ একটি পরিবারের বাইরে দলের পক্ষে কথা বলা সম্ভব হতো না। কিন্তু আজ আমরা সবাই এক হয়ে দলের পক্ষে কাজ করছি।  

জেলার নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের উপজেলা সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময়ে দলীয় কোন্দলে অনেক সময় অনেক সুবিধাভোগীদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছি। কিন্তু তারপরও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে শেখ হাসিনার দেওয়া নির্দেশনা ও দলীয় কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছি। আজ নাজিরপুরে দলের রাজনীতি করার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।  

নেছারাবাদ (স্বরূপাকাঠী) উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রবীণ নেতা আ. হামিদ বলেন, আমি ১৯৬৯ সাল থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন সদস্য হিসেবে আছি। শ. ম. রেজাউল করিম এমপি হওয়ার পর এখানের দলের কর্মীদের ভিতর প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দল আজ সুসংগঠিত।  

জেলা আওয়ামী লীগ নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাইলে স্থানীয় এমপি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, আমি চাচ্ছি  পিরোজপুরের আওয়ামী লীগ ও পিরোজপুরকে ঢেলে সাজাতে। সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে। কেউ আমার রাজনীতি করুক, এটা আমি চাই না। সবাই বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের আদর্শ লালন করে দল করুক এটাই আমার কামনা।  

বাংলাদেশ সময়: ০৭০৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯ 
এইচজে

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa