দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম জোটের বিক্ষোভ-সমাবেশ। ছবি: ডিএইচ বাদল

walton

ঢাকা: পেঁয়াজ-চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।



বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়ে জনগণের পকেট থেকে তিন হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চালের দাম কেজিপ্রতি আট থেকে ১০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। লবণের দাম নিয়ে কারসাজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বেশি দামে লবণ কিনতে বাধ্য হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারের লোকদেখানো সক্রিয়তায় মানুষের আস্থা নেই।

তারা বলেন, শেয়ারবাজার লুটেরা, ব্যাংক লুটেরা, ক্যাসিনো বাণিজ্যের দুর্বৃত্তরা এ সরকারের সহযোগী। সরকারি হিসাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১২ হাজার কোটি হলেও আসলে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা। সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ব্যবসার নামে একদল লুটেরা ধনিক ব্যাংকে আমনত রাখা সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ ঋণের নামে লুটে নিয়েছে।

নেতারা বলেন, লুটপাট সীমাহীন হয়ে উঠলে সরকার নিজেই বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য অস্থির হয়ে ওঠে। সরকারি সংস্থা টিসিবির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে, তাদের উদ্যোগের আগেই জনগণ সর্বস্বান্ত হয়ে যায়।

এসময় উভয় দলের নেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মুক্তবাজার অর্থনীতির নামে লুটপাট বন্ধে সরকারের প্রতি আহবান জানান। একইসঙ্গে ‘মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠা, নিয়মিত বাজার তদারকি ব্যবস্থা ও টিসিবির কার্যক্রম বিস্তৃত করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তারা।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ-সমাবেশ। ছবি: ডিএইচ বাদল

বক্তারা বলেন, পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হোতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিপ্রদান ও তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা উচিত। গত বোরো মৌসুমের মতো চলমান আমন মৌসুমে ধানচাষিরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিও সরকারের তদারকি করা দরকার।

এসময় নেতারা পেঁয়াজ-চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশে বাম জোটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জোটের সমন্বয়ক সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফখরুদ্দিন কবীর আতিক, ইউসিএলবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহবায়ক হামিদুল হক প্রমুখ।

ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আবুল হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিটব্যুরো সদস্য সুশান্ত দাশ, পলিটব্যুরো সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, আমিনুল ইসলাম গোলাপ প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৩০ ঘণ্টা, নভেম্বর ২১, ২০১৯
এইচএমএস/একে

সারাদেশে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
গর্বের সঙ্গে বাংলার ব্যবহার চায় ভারতের নদীয়ার প্রতিনিধিদল
ভেঙে পড়লো রাসিক মেয়র লিটনের সংবর্ধনা মঞ্চ
রামুতে বর্ণমালা হাতে হাজারো শিক্ষার্থীর কন্ঠে একুশের গান
ভাষাশহীদদের প্রতি বিরোধী দলীয়নেতা রওশনের শ্রদ্ধা


মাতৃভাষার জন্য ভালোবাসা
একুশে ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন
বাংলায় দেওয়া রায়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ
প্রথম প্রহরেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জনস্রোত
একুশের প্রথম প্রহরে উপচেপড়া ভিড় শহীদ মিনারে