php glass

শ্রমিক লীগের সভাপতি মন্টু, সাধারণ সম্পাদক খশরু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ফজলুল হক মন্টু ও কে এম আজম খশরু।

walton

ঢাকা: আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হয়েছেন ফজলুল হক মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কে এম আজম খশরু। এছাড়া কার্যকরী সভাপতি হিসেবে মোল্লা আবুল কালাম আজাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (০৯ নভেম্বর) শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। 

এর আগে সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম অধিবেশনের পর বিকেল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তাদের নাম ঘোষণা করেন।

সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটিতে সভাপতি ছিলেন শুক্কুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সিরাজুল ইসলাম। 

অধিবেশনে প্রার্থীর নাম চাওয়া হলে সাতজন সভাপতি ও ১৩ জন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করা হয়। এর পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ নেতারা প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। 

বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা সমঝোতার চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সাধারণ সম্পাদক কে এম আজম খশরু ও মোল্লা আবুল কালাম আজাদকে কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। 

এসময় আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে আরও ছিলেন- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ।

পরে কমিটির নাম ঘোষণা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যাদের নাম এসেছে তাদের নিয়ে আমরা সমঝোতায় বসেছিলাম। সমঝোতায় কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত না আসায় সবাই প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর দায়িত্ব দিয়েছেন। শেখ হাসিনা শ্রমিকলীগের এ তিনজনের নাম বলেছেন। আশা করি, আপনারা এ কমিটি নিয়ে শ্রমিক লীগ সুসংগঠিত করে রাখবেন।

নব-নির্বাচিত সভাপতি ফজলুল হক মন্টু একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক কে এম আজম খশরু সদ্য বিদায়ী কমিটির প্রচার সম্পাদক ছিলেন। কার্যকরী সভাপতি মোল্লা আবুল কালাম আজাদ ছিলেন বিদায়ী কমিটির সহ-সভাপতি।

জাতীয় শ্রমিক লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দুই বছর পর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও বিদায়ী কমিটির মেয়াদ সাত বছরের বেশি সময় পার হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রমিক লীগের ৩৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির বাকি সদস্যদের নাম কয়েকদিনের মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

কমিটি ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ফজলুল হক মন্টু সাংবাদিকদের বলেন,  প্রধানমন্ত্রী আমাকে শ্রমিকলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো।

সাধারণ সম্পাদক আজম খশরু বলেন, সারাদেশে শ্রমিক লীগকে সুসংগঠিত করতে আমরা কাজ করে যাবো। প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রাখবো।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৮ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৯, ২০১৯, আপডেট: ১৭২৮ ঘণ্টা
এসকে/আরবি/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: শ্রমিক লীগ
‘জীবদ্দশায় শতবার্ষিকী উদযাপন বিরল সুযোগ’
 এখনো ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখে উপকূলবাসী
টেকনাফে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক
বরিশালে নবান্ন উৎসব ১৪২৬ বাতিল
রাজধানীতে মাদকসহ আটক ৮


মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধরে রাখার আহ্বান
চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
ক্ষেতলালে ৩ জনের কারাদণ্ড
ভোলায় ১০ জেলে নিহত: যেভাবে ডুবলো ট্রলারটি
গাংনীতে কুখ্যাত সন্ত্রাসী আব্দুর রহমান গ্রেফতার