php glass

ইসিকে ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার আহ্বান

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ড. কামাল হোসেন | ছবি: ডিএইচ বাদল

walton

ঢাকা: দলীয় আনুগত্য ও ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ৩০ ডিসেম্বর জনগণকে ভোট কেন্দ্র পাহারা দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

ভোটারদের উদ্দেশ্য করে ড. কামাল হোসেন বলেন, নির্বাচনের ব্যাপারে সবাই সতর্ক থাকবেন। ভোটকেন্দ্রে সকাল সকাল চলে যেতে হবে। দেশের মানুষ অবাধ নির্বাচন চায়। 

জনগণ যাতে সঠিক তথ্য পায় সে জন্য আগামী ২৮ দিন গণমাধ্যমের সহযোগিতা দরকার জানিয়ে কামাল হোসেন বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে যেসব আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে তা তুলে ধরতে হবে গণমাধ্যমকে।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বলেও মন্তব্য করেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা।

শনিবার (০১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ড. কামাল হোসেন। 

গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, জনগণ হলো ক্ষমতার মালিক। আপনারা ১৬ কোটি মানুষের কাছে এ তথ্য তুলে ধরুন। তাহলে জনগণ যে রাষ্ট্রের মালিক, তা অনুধাবন করতে পারবে। জনগণ সক্রিয়ভাবে দেশ পরিচালনা করবে। সঠিক, যোগ্য ও ন্যায়পরায়ণ জনপ্রতিনিধি বাছাই করবে।

ড. কামাল হোসেন বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় দেখেছি, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে সম্ভব। সংবিধান অনুযায়ী জনগণই রাষ্ট্রের মালিক। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ অপরিহার্য। কিন্তু প্রতিদিন পাইকারি হারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানে যে সাম্যের রাজনীতির কথা বলা হয়েছে, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। সংবিধানেই লেখা আছে, জনগণই রাষ্ট্রের মালিক।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৭ সালে সালে শেখ হাসিনা জোরালোভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তিনি তা বাতিল করে দিলেন। আদালতের রায়েও আরও দুবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করা যেতে পারে। জনগণের আস্থা পেয়ে সরকারে গেলে সংবিধান অনুযায়ী সবকিছু পরিচালিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কিন্তু প্রতিদিন প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গ্রেফতারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশন যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা যেন বাস্তবায়ন করা হয়। তা না হলে কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু ও অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৩০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০১, ২০১৮/আপডেট: ১৬০৮ ঘণ্টা
টিএম//এমজেএফ

পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় হচ্ছে না বিএনপির র‌্যালি
রাজশাহীর ‘টিপু রাজাকারে’র রায় বুধবার
গাজীপুরে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট
বাকলিয়ায় ওষুধের দোকানে আগুন
শীতে পুরুষের ত্বকেরও যত্ন প্রয়োজন


শেষবারের মতো নিজ বাসায় অজয় রায়
জেনে নিন বিপিএলের টিকিটের মূল্য
তদারকির অভাবে পশ্চিম রেলে বেহাল দশা, ঘটছে দুর্ঘটনা
টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদকবিক্রেতা নিহত
আমরণ অনশনে পাটকল শ্রমিকেরা