ব্যক্তিগত সংঘাতে এই হত্যাকাণ্ড: ছাত্রলীগ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নিহত ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ নিয়ে স্বজনদের আহাজারি। ছবি: বাংলানিউজ

মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ব্যাপারে মুখ মন্তব্য করেছে জেলা ছাত্রলীগ। নিহতদের একজন ছাত্রলীগের কর্মী হলেও অন্যজন তাদের কেউ নয় বলে দাবি করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রনি।

বাংলানিউজকে মোবাইলফোনে সাইফুর রহমান রনি জানান, আমি শুনেছি নিহত নাহিদ আলম মাহির দীর্ঘদিন থেকে খেলাধুলা সক্রান্ত বিরোধ ছিল তার সহপাঠীদের সঙ্গে। সেই বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য নাহিদ বড় ভাই হিসেবে শাহবাবকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে মধ্যস্ততা করতে গেলে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এটি ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কিংবা দলীয় কোন্দলের জেরে ঘটা কোনো হত্যাকাণ্ড নয়।

এদিকে নিহত নাহিদের মামা, গোলাম ইমরান আলী বাংলানিউজকে জানান, তার ভাগ্নে প্রাইভেট পড়তে শহরের ‘মেন্টরস একাডেমি’তে গিয়েছিলো। সে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কি-না তিনি জানেন না। তবে নিহত শাহবাবের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিলো।

জানা গেছে, নিহত নাহিদ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী না হলেও সে শাহবাবের সঙ্গে গ্রুপভিত্তিক ছাত্রলীগের রাজনীতি করতো।

শাহবাব রহমানের একাধিক বন্ধু জানান, শাহবাব ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলো।

শাহবাব পৌর মেয়র ফজলুর রহমান গ্রুপের রাজনীতি করত। দীর্ঘদিন থেকে একই গ্রুপের কয়েক নেতা-কর্মীর সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। তারাই মূলতঃ তাকে হত্যা করেছে। এটা কোনো স্বাভাবিক হত্যাকাণ্ড নয়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুহেল আহম্মদ বাংলানিউজকে জানান, ঘটনাস্থল পুলিশ চিহ্নিত করে রেখেছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের জন্য শহরে বিশেষ অভিযান চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৫০৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৭
এএটি/এমএইউ/

দ্বিতীয়দিন রঘু দীক্ষিত-মমতাজ'র পরিবেশনায় মাতোয়ারা দর্শক
নরসিংদীতে আ’লীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৩
ভাসানীর কবর জিয়ারতে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা
ভোটের ‘পরিবেশ নষ্ট না করতে’ আইজিপিকে নির্দেশ দিচ্ছে ইসি
প্রতি ফরম্যাটের জন্য টাইগারদের আলাদা দল!
ত্রিপুরায় প্লেন পরিষেবার উন্নতির দাবিতে ডেপুটেশন
শংকর-এহসান-লয়ের সুরের মূর্ছনায় দিওয়ালি কনসার্ট
নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা শনিবার
সংস্কৃতিকেন্দ্র নির্মাণের ইচ্ছে বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের
ভুরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি