বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে টাস্কফোর্স কাজ করছে- আইনমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনতে ৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ট্রাস্কফোর্স নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকির এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল তিনি সংসদকে এ কথা বলেন।

ঢাকা: আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনতে ৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ট্রাস্কফোর্স নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকির এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল তিনি সংসদকে এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী সংসদকে জানান, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনার আইনগত ও কুটনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তাদের অনেকের অবস্থানও নিশ্চিত হয়েছে সরকার। খুনিদের ফিরিয়ে আনার জন্য আইন বিচার এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টাস্ক ফোর্স কাজ করছে।

ফরিদুন্নাহার লাইলীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সংসদকে আরও জানান, দেশের প্রতিটি জেলার আদালতের কার্যক্রম কম্পিউটারাইজড করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এর অংশ হিসাবে বাংলাদেশ সকল চিফ মেট্রোপলিটন আদালত ও চিফ জুুডিয়াসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এবং উক্ত আদালত সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে অনুন্নয়ন বাজেট ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্পের আওতায় কম্পিউটার সরবরাহ করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, জেলাজজ আদালতে এবং এর অধিনস্ত অন্যান্য আদালত গুলোতে কম্পিউটার সরবরাহ প্রক্রিয়াধীন আছে। অধিকাংশ দেশের সকল অধঃস্থন আদালতকে ওয়েভলিংকের আওতাভুক্ত এবং ডিজিটাইজেশন করার লক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্ট এরই মধ্যে পরিকল্পনা নিয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ২০০টি অধঃস্তন আদালতকে ওয়েভলিকের আওতায় আনার জন্য সরকার এরইমধ্যে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
 
বেগম সাফিয়া খাতুনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রায় দেড় হাজার নিকাহ রেজিস্ট্রার সীমানা নির্ধারণের রিট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে রেখেছে এমন তথ্য সঠিক নয়। তবে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের দায়ের করা ১৩৭টি রিটের নোটিশ মন্ত্রণালয়ে পাওয়া গেছে। এসব মামলার মধ্যে কয়েকটি সীমানা নিধারণ সংক্রান্ত এবং অন্য মামলা গুলো শৃঙ্খলা, অপসারণও অন্যান্য বিষয়ে দায়ের হয়েছে। এ সব রিটের কারণে কিছু এলাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধা সৃষ্টি হয়েছে স্বীকার করে তিনি বলেন, সরকার পক্ষ থেকে দাখিল না হওয়ায় সরকারের পক্ষে তা প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই। তবে রীট কারীরা ইচ্ছা করলে প্রত্যাহার করতে পারেন।

সংরক্ষিত আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এডভোকেট সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী সংসদকে জানান, দেশের আদালতগুলোতে বিচার কাজ নিষ্পত্তির জন্য আইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেধে দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে সমন জারি, জবাব দাখিল, সাক্ষ্যগ্রহণ ইত্যাদি সুনির্দিষ্ট করা নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও তা বাধ্যতামূলক নয়।

ইসরাফিল আলমের এক সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানই সর্বোচ্চ আইন। এর আলোকেই সবকিছু নির্ধারিত হয়। সুপ্রিম কোর্টও সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ।

বাংলাদেশ সময় ১৯২০,  ফেব্রুয়ারি ১, ২০১১

Nagad
র‍্যাঙ্কিংয়েও বড় লাফ হোল্ডারের
সাহেদের যত প্রতারণা
ইউআইটিএস ও গুলশান ক্লিনিকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক
সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনার পানি, প্লাবিত নতুন এলাকা
বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র ডিএমডি বেলায়েত হোসেন আর নেই


পাটুরিয়া ঘাটে পারের অপেক্ষায় সাড়ে তিন শতাধিক যানবাহন
সূচকের মিশ্র প্রবণতায় পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে
খুমেক হাসপাতালে বিক্রি হচ্ছে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট!
প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
নিউইয়র্কে পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম খুন