php glass

আত্মসমর্পণের পিস্তলটি কোথায়?

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন জেনারেল নিয়াজী। তার আত্মসমর্পণের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয় বিশ্ব দরবারে ঘোষিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, ৪০ বছর পূর্বের এই দিনটি আজও বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণের কাছে স্মরণীয়। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে নিয়াজী আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন জেনারেল নিয়াজী। তার আত্মসমর্পণের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয় বিশ্ব দরবারে ঘোষিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, ৪০ বছর পূর্বের এই দিনটি আজও বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণের কাছে স্মরণীয়। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে নিয়াজী আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

নিয়াজীর কাছ থেকে আত্মসমর্পণের পিস্তলটি গ্রহণ করেন যৌথ কমান্ডের পক্ষে মিত্র বাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল অরোরা। এর মধ্য দিয়ে নিয়াজীর পিস্তলটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের বিজয় স্মারকে পরিণত হয়।

আত্মসমর্পণের মূহুর্তে নিয়াজী মুক্তিবাহিনীর ভয়ে সন্ত্রস্ত ছিলেন। ১৬ ডিসেম্বরের আগেই বাংলাদেশের বেশির ভাগ অঞ্চল মুক্ত হয়ে যায়। ঢাকা ছিল মুক্তিবাহিনী ও লাখ লাখ মুক্তিকামী জনতার দ্বারা অবরুদ্ধ। নিয়াজীর আত্মসমর্পণের বিষয়টি ছিল তখন সামান্যতম সময়ের ব্যাপার। জেনারেল অরোরা ভারত থেকে এসে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছিলেন। মুক্তিবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওসমানী আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি সিলেটে আক্রান্ত হবার পর তিনি অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন। এ কারণে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান উইং কমান্ডার একে খন্দকার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

ভারতের কমান্ডারদের ভাষ্য মতে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পরাজয়ের মূল শক্তি ছিল মুক্তিবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণ। আত্মসমর্পণের সময় ঢাকায় মাত্র মাত্র কয়েক হাজার ভারতীয় সৈন্য অবস্থান করছিল। একটি তথ্যে জানা যায়, একজন ভারতীয় সেনার বিপরীতে ১০ জন পাকিস্তানি সেনা ছিল।

ভারতের জেনারেল জ্যাকব দাবি করেছেন, তিনি ছিলেন ঢাকার রেসকোর্সে আত্মসমর্পণের মূল পরিকল্পনাকারী। বিজয়ের ৪০ বছরের স্মরণীয় সময়ে জেনারেল জ্যাকব বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল নিয়াজীর আত্মসমর্পণের পিস্তলটি এখন কোথায়? জ্যাকব উত্তরে বলেন, পিস্তলটি এখন দেরাদুনে অবস্থিত ভারতীয় সামরিক একাডেমিতে।

বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা হয়ত জানেন না পিস্তলটি এখন কোথায় আছে। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর উত্তাল সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী বিজয়ের স্মারক এই পিস্তলটি কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় ভারতের দেরাদুনে নিয়ে গিয়েছিলেন তা এখনো জানা যায়নি।

ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, কোনো বৈধ রাষ্ট্রীয় নিয়মে ভারতীয় বাহিনী পিস্তলটি নিয়ে যায়নি। অনেকে বলেছেন, নিয়াজীর আত্মসমর্পণের দলিলটি যে টেবিলে স্বাক্ষরিত হয়, তা বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় যাদুঘরে রক্ষিত রয়েছে। তাদের মতে, বিজয়ের স্মারক এই পিস্তলটি ভারতের দেরাদুন থেকে এনে বাংলাদেশের জাতীয় যাদুঘরে অথবা সামরিক যাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত।

বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায়। অন্যদিকে, ভারতের ক্ষমতায় রয়েছে মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন দানকারী দল কংগ্রেস।

লেখক: বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১২

ksrm
সমালোচনায় সোনাক্ষী সিনহা
যমুনার বুকে ‘পঙ্খীরাজ’
ব্যস্ত ঢাক-ঢোল কারিগররা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশজ সুর
পানির নিচে ‘প্রপোজ’ করতে গিয়ে প্রেমিকের মৃত্যু
‘সর্প-ভাস্কর্য’ ঘিরেই শ্রদ্ধা


কাজ বন্ধ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মেয়াদ-ব্যয় বাড়বে
বশেমুরবিপ্রবির ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত 
এক চিকিৎসকে চলছে শেবামেকের ফরেনসিক বিভাগ!
দুই বছরে ধরা তিন শতাধিক, পাসপোর্ট পেতে মরিয়া রোহিঙ্গারা
কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ