কৃষকের দুর্ভোগের মধ্যে ‘নয়া আপদ’ দূর হোক

রফিকুল ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সংগৃহীত

walton

বৈশ্বিক মহামারি করোনার অভিঘাতে আগামী দিনগুলোতে খেয়ে পরে বেঁচে থাকাটাই দায় হবে। সম্প্রতি জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) এমন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের হুঁশিয়ারিতে খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে ভাবিত বাংলাদেশও। বাংলাদেশ পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সংস্থাটির পক্ষে সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী জুন থেকে আগস্ট- এই সময়ে কৃষি বিপদের প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে।

দৃষ্টি তাই বিশাল হাওরাঞ্চলের দিকে। বিশ্ব মন্দাকালে খাদ্যভাণ্ডারখ্যাত এ হাওরাঞ্চলে একমাত্র বোরো ধান ঘরে তোলার পালা চললেও কাটা খাচ্ছে কাঁচা-আধাপাকা ও ধীর লয়ে। এমন মোক্ষম সময়ে নির্বিঘ্নে ধান কাটা, ঘরে তোলা ও বিপণন নিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়া প্রায় ২৪ লাখ কৃষকের কষ্টের বোঝা সরছে না।

করোনায় কৃষিশ্রমিক বা দাওয়াল সংকটের সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মিলে সৃষ্ট বহুমাত্রিক সীমাহীন এ দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হলেও পেয়েছে নতুন মাত্রা। চৈত্রের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে চলা এ দুর্ভোগে অন্যমাত্রা পেয়ে ‘আদিখ্যেতা ও ফটোশুট’ দিচ্ছে পাকা ধানে মই। অসহায় কৃষক এখানে ‘স্কেপগোট’ বা বলিরপাঁঠা। কৃষকের এই দুর্ভোগ থেকে সেই ‘নয়া আপদ’ বিদায় হোক।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বোরো আবাদ হলেও মৌসুমের প্রথমেই ধান পাকে হাওরে। এ সময় বেকার বসে থাকা ওই এলাকাসহ অন্যান্য জেলা থেকে কৃষিশ্রমিকরা ধান কাটতে হাওরে এলেও এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কায় ও লকডাউনের ঝক্কিঝামেলায় উপস্থিতি সেরকম নয়। করোনাভয় স্থানীয় দাওয়ালোর মনেও।

এ নিয়ে কৃষি মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক নিজেও নাকি টেনশনে। বিবিসিকে বলেছেন, 'হাওরের বোরো ধান যদি না কাটতে পারি তাহলে বিপর্যয় হবে আমাদের।' তবে অতিসম্প্রতি সুনামগঞ্জ সফরে এসে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

এ উদ্বেগ অমূলক নয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে এবার হাওরের সাত জেলায় কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বোরো আবাদ হয়েছে ৯ লাখ ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে শুধু হাওরেই হয়েছে ৪ লাখ ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে।

একই তথ্যে প্রকাশ, সারাদেশে এ বছর বোরো ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ কোটি ৪ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন। অধিদপ্তরের হিসাব মতে, হাওরাঞ্চলে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ এই লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২০ ভাগ জোগান দেয় হাওরাঞ্চলের বোরো ধান। কিন্তু তা কাটা ও ঘরে তোলা নিয়ে দেখা দিয়েছে যত বিপত্তি।

হাওর প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। বিশেষ করে বোরো ধান ওঠার প্রাক্কালে অতিবৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখীর ঝড়-তুফান ও নদী নাব্যতায় আগাম বন্যা অন্যতম। পাহাড়ি ঢল ও অতি বর্ষণে হাওররক্ষা বাঁধ ভাঙা তো রয়েছেই। এর যে কোনো একটিই পারে কৃষকের সারা বছরের স্বপ্ন নিমিষেই ভাসিয়ে নিতে। উল্লখ্য, শুধু আগাম বন্যায় প্রতিবছর ক্ষতি হয় প্রায় সাড়ে ৩ লাখ হেক্টরের মতো জমির ফসল।

এর লক্ষণও স্পষ্ট। ইতোমধ্যে মেঘালয়, আসাম ও হাওরাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাতে নদীসমূহের পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে ত্বরিৎ ধান কাটার তাগিদ দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু করোনা ও বোরো সামলানোতে প্রশাসনও রয়েছে স্নায়ু চাপে। তারা আগত দাওয়ালদের নিয়মিত দেখভালও করছেন। কোথাও কোথাও সরবরাহ করা হচ্ছে ইফতার ও পানীয়।

ধান কাটার যন্ত্র পর্যাপ্ত নয়। বাড়ানোও হয়নি। সাড়ে ৯ লাখ হেক্টর জমির বিপরীতে নতুন পুরনো মিলিয়ে মোট ৩৬২টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার ও ১ হাজার ৫৬টি রিপার মাঠে ধান কাটছে বলে কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়, যা দিয়ে কুলিয়ে ওঠা দুরহ। এছাড়া পিকটাইমের মধ্যে অচল হয়ে পড়ে থাকা ২২০টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার ও ৪৮৭টি রিপার সচল হয়ে মাঠে ফেরাও দুরাশা।

কৃষিমন্ত্রীর উদ্বিগ্নের অন্ত নেই বলা হলেও কাটা-মাড়াই নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত যন্ত্র এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ত্রাণ ও প্রণোদনা দিয়ে হলেও কৃষিশ্রমিক সময় মতো মাঠে নামানোতে নির্লিপ্ততাই পরিলক্ষিত হয়েছে। যদিও তিনি অতি সম্প্রতি সুনামগঞ্জ সফরকালে বলেছেন, সেখানের ৭৫ ভাগ ধান কাটা সম্পন্ন হয়ে গেছে। এতে ৩ লাখ ২৫ হাজর শ্রমিক কাজ করছে। কিন্তু সুনামগঞ্জের ৯৫টি হাওরের বিচারে বাকি ছয়টি জেলার আরও ২৮৭টি হাওরের চিত্র সেরুপ নয়। এছাড়া পানিতে তলিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে কাঁচা-আধাপাকা বা কাষ্টি ধান কেটে ফেলা হচ্ছে। পাশাপাশি বিলাসী শ্রমিকদের বিশেষ করে পাকা ক্ষেতে মন্ত্রী-এমপি ও নেতাকর্মীদের ফটোশুটে উপস্থিতি পঙ্গপালের উপদ্রব গণ্য করা হচ্ছে। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে গৌণ ও গণমাধ্যমে।

একইভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ দিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই শিক্ষার্থীদের কিনা ধান কাটতে ক্ষেতে পাঠানো হচ্ছে! মহিলা নেত্রী, থানা-পুলিশ, প্রশাসন পর্যন্ত কাঁচি হাতে নেমে পড়েছে! অথচ কৃষিশ্রমিকদের অনুপ্রেরণা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পর্যাপ্ত ত্রাণ ও কৃষিশ্রমিক প্রণোদনা দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহের আগাম ব্যবস্থা না করে দলীয় লোক মাঠে চড়ানোর ঘোরপথ ধরে খাদ্যনিরাপত্তার অতন্দ্র প্রহরী কৃষকদের মূল সমস্যা মাড়িয়ে আইওয়াশ বা লোকদেখানোর অনুযোগ উঠে গেছে অলরেডি। এতে ভাল অর্জনগুলোও ভূলুণ্ঠিত হয়ে ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ পাচ্ছে।

বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল বিশ্বজোড়া করোনাক্রান্তিকালে চলমান কৃষিশ্রমিক সংকটে দলীয় লোকেরা যেন অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়ায়। স্বেচ্ছাশ্রমে নিষ্ঠার সাথে পাকা ধান কেটে দিয়ে কৃষকের দুর্দশা লাঘব করা হয়। কিন্তু আদুরী হতে নামজাহিরের মহড়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃষকের সমস্যা আরও বাড়িয়ে ক্ষেতেই পাকা ধানের মাড়া লাগিয়ে ফেলা হচ্ছে। ফেসবুকেভরা বিলাসী শ্রমিকদের কায়িক ছবি। তাদের কতজন কতচিমটি ধান কৃষকের গোলায় পৌঁছাতে পেরেছেন?

হাওরের বোরো ধান প্রায় তিন ভাগের দুভাগ চালের জোগান দেয়। হাওরের দুকোটি মানুষের খাদ্য জোগানোসহ দেশের পাঁচ ভাগের এক ভাগ খাদ্য জোগানদাতা হাওরের এ কৃষকরা। এরাই খাদ্যনিরাপত্তার পাহারাদার। দেশকে করছেন প্রধান খাদ্যে স্বনির্ভর। স্বাধীনতার পাঁচ দশকে দেশটির সবচেয়ে বড় অর্জনের দাবিদার তারাই।

পর্যাপ্ত যন্ত্র সরবরাহ, সর্বোপরি কৃষিশ্রমিকদের ধান কাটায় সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। এ কাজে এখনও আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা জনপ্রতিনিধিদের কৃষকদের সর্বাত্মক আন্তরিক সহযোগিতা ও সরকারের নিবিড় তদারকিই অনেকটা পারে বিদ্যমান উৎপাদন ব্যবস্থার ধস রুখে দিতে। এখানে 'চেক অ্যন্ড ব্যালেন্স' একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যেতে পারে। কেননা এ ফসল কৃষকের সারা বছরের সম্বলই শুধু নয়, সারাবাংলার সহায়। এছাড়া মাঠে রয়েছে ভুট্টা, আলু, বাদামসহ অন্যসব ফসলও।

হাওরে শ্রম শহরে চলে যাওয়ায় হাওরে কৃষিশ্রমিক সংকট চলছে দুযুগ ধরে। উত্তরণে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো দীর্ঘকালের ব্যবধানেও উপযুক্ত প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হয়নি। সমস্যা বুমেরাং হয়ে হালে বেণী পুড়ে হাতে লেগে গেছে।

এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে কর্মরত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ধান কাটার স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে তাদের ধান কাটায় উদ্বুদ্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিটি উপজেলায় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কৃষিশ্রমিক সংগ্রহের আহ্বান জানানোয় দেরিতে হলেও সাড়াও মিলছে বেশ।

মৌসুমের শুরুতেই ক্ষেত কাটতে বা দাইতে দাওয়াল মোটেই যখন ছিল না, তখন বাংলাদেশ কৃষক লীগের উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিপুত্র কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের এমপি প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বঙ্গভবন ফেলে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে এবং সুনামগঞ্জে 'পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা'র সভাপতি কাসমির রেজার নেতৃত্বে স্বেচ্ছাশ্রমে পাকা ধান কেটে কৃষকের পাশে চলমান থাকার এ মানবিক প্রয়াসকে কৃষক ও সাধারণরা শ্রদ্ধার চোখে দেখছেন।

এছাড়া পৌনে চারশ'র মতো হাওরের বেশকিছু জায়গায় সামাজিক, দলীয়, প্রশাসনিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ-অংশগ্রহণেও ধান কাটা বা দাওয়া চলছে। করোনা ক্রান্তিকালে তা মহতী উদ্যোগ যদিও, কিন্তু এ কাজে অনভ্যস্ত ও অনভিজ্ঞ থাকায় দাওয়া বা কাটা সেভাবে এগোচ্ছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধান আধাকাটা ও নষ্টও হচ্ছে। ছবি তুলে নেটে দিতে এক মুড়িতে দশজন কাড়াকাড়ি করে পাকা ধানে মই দেওয়ায় কপাল পুড়ছে কৃষকদের। সব হারানোর চেয়ে অল্পে তুষ্ট কৃষকের পুরোপুরি কেষ্ট মিলছে না কাটা নির্বিঘ্ন না হওয়ায় ও বিরুপ আবহাওয়ার দরুন। কাটা ধান খলাতেই জমে থাকছে। মাড়াই, সিদ্ধ, শুকানো, উড়ান, ঘরে তোলা ও বাজারজাতকরণে এখনও রয়েছে বিড়ম্বনা।

কৃষক জানায়, আগাম বন্যার ডরে আধা পাকা ধানই কাটতে হচ্ছে। এখানে কাটাই সব শেষ না। দূরবর্তী হাওর থেকে পোজা বয়ে মুড়ি বাড়িতে আনা লাগে। এর পর মাড়াই, রোদে শুকানো, বাতাসে উড়ানো, খাবারের জন্য সিদ্ধ করা, গোলায় তোলা ও বাজারজাত করা পর্যন্ত শুধু লোকেরই দরকার। এছাড়া খড় শুকানো ও সংরক্ষণ তো রয়েছেই। এগুলো করা সম্ভব হচ্ছে না রোজিন্দায়, ষান্মাসিক ও বৈশাখী কাজের জন্য রাখা কামলা বা মুনিও কাজে নামতে কায়দা করছে করোনার অজুহাতে উচ্চ মজুরির।

এবারের বোরো ধান ও চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রাও ঘোষণা করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সংগ্রহমূল্য গতবারের সমান রেখে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ কোটি ৪ লাখ টন ধানের বিপরীতে কৃষকের কাছ থেকে ১৯ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। ২৬ টাকা কেজি দরে ৭ লাখ টন ধান ও ৩৬ টাকা কেজি দরে ১২ লাখ টন চাল। যা উৎপাদনের ৬-৭ ভাগ মাত্র। বাকি ধান কৃষকের কাছ থেকে অর্ধেক মূল্যে কেনার সুযোগ পাবে ফড়িয়া মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বোরো মৌসুমে প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন ছিল সাড়ে চব্বিশ টাকা। সরকারি পর্যায়ে ধানের দাম ২৬ টাকা কেজি।

কৃষকরা বলছেন, এবার বোরো ধান উৎপাদন খরচ পড়েছে ২৫ টাকার ওপরে। সরকার কেনে ২৬ টাকায়। আর আমরা ফড়িয়াদের কাছে বেচি মাত্র ১৩ টাকা কেজি এবং চাল কিনে খায় ৫০ টাকা কেজি। মইধ্যে ৩৭টাকার বেশি হাত থেইক্কা নাই। তাদের ফরিয়াদ- 'আমরা খাইয়া পিন্ধা বাঁইচ্চা থাকতাম চায়।'

কৃষিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বর্তমান পরিস্থতির কারণে যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তাদের সহায়তার ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে বলে তিনি জানান। সে সঙ্গে কৃষক চায়, কৃষিবীমাসহ উৎপাদন খরচ স্বল্পতা ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্যের পাশাপাশি উৎপাদনমুখী আর্থিক সুরক্ষা।

লেখক: সহযোগী সম্পাদক, আজকের সূর্যোদয়, ঢাকা।

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: মুক্তমত
ঝড়ে লালমোহনে শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
করোনা উপসর্গ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্তের মৃত্যু
উত্তর কোরিয়ার ব্রিটিশ দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা
বিরামপুরে অ্যালকোহল পানে আরও ৪ জনের মৃত্যু
কবে আগের মতন কাজ করতে পারমু?


চিড়িয়াখানায় প্রাণীরা মহানন্দে, বাচ্চা দিয়েছে জিরাফ-জলহস্তী
ঈদের বন্ধেও পর্যটকশূন্য বান্দরবান
খুলনা জেলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কাজল আর নেই
শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
সুবর্ণচরে সরকারি চাল জব্দ, ক্রেতাকে অর্থদণ্ড