বাংলা একাডেমি পুরস্কার: সঙ্গীত কি সাহিত্য নয়?

ড. শাখাওয়াৎ নয়ন, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বাংলা একাডেমির লোগো

সম্প্রতি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০১৭’ ঘোষণা করা হয়েছে। যথারীতি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য নির্বাচিতদের কিংবা মনোনীতদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। যারা পুরস্কার পেয়েছেন তাদের অনেকের লেখার সঙ্গেই আমার পরিচয় রয়েছে। 

যদিও কেউ কেউ বলবেন অমুকের চেয়ে তমুকের গদ্য-পদ্য অনেক ভালো, উনি পেলে তিনি কেন পাবেন না? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতি বছরের মতো এবছরও উক্ত আলোচনা বেশ লাইক পাচ্ছে, নজর কাড়ছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন কিংবা প্রসঙ্গে ভিন্ন। 

বাংলা একাডেমি মোট দশটি শাখায় পুরস্কার দেয়। যেমন- কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ, গবেষণা, অনুবাদ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী, নাটক, বিজ্ঞান/প্রযুক্তি/পরিবেশ ও শিশুসাহিত্য। খেয়াল করুন, সাহিত্যের উল্লেখিত শাখাগুলোর মধ্যে গান কিংবা সংগীত নেই। কিন্তু কেন নেই? গান কিংবা সংগীত কি সাহিত্য নয়?

নাকি বাংলা একাডেমির কর্তা ব্যক্তিরা সংগীতকে কে সাহিত্য মনে করেন না? তাহলে রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কি সাহিত্য নয়? গীতাঞ্জলির জন্যই কিন্তু তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। ২০১৬ সালে আমেরিকান গীতিকার ও শিল্পী  বব ডিলানকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। তাহলে আমাদের দেশের লালন ফকির, হাছন রাজা, উকিল মুন্সী এবং শাহ আব্দুল করিমদের মতো গুণীজনরা কি সাহিত্যে অবদান রাখেননি? কিংবা এখনো বেঁচে আছেন এমন গীতিকার যিনি দুই/তিন হাজার গান রচনা করেছেন; তার অবদানের স্বীকৃতি মিলবে না কেন? কেউ কি আছেন, যিনি বাংলা একাডেমির কাছে এই প্রশ্নটি উত্থাপন করবেন? 

পুনশ্চ: আমি বিশ্বাস করতে চাই, একদিন গীতিকবিরাও বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাবেন।  

বাংলাদেশ সময়: ১২৪৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৮, ২০১৮
এএ

আশুরায় হুমকি নেই, প্রস্তুত থাকবে সোয়াট-বোম্ব ডিসপোজাল
আমি নিশ্চিত এবার জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যাবে: এরশাদ
সাকিবের ভিত্তিহীন সংবাদে বিসিবির ক্ষোভ
দোকানের সামনে গাড়ি রাখায় চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
গাজীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লাইনম্যানের মৃত্যু
আইনগত বিষয়ে যুক্তিতর্ক তুলে ধরছেন আসামিপক্ষ
হাইকোর্টে শহিদুল আলমের জামিন আবেদন
বেনাপোলে যাত্রীর পায়ুপথে স্বর্ণের বার, আটক ১ 
উন্মোচিত হলো চন্দ্র ভ্রমণে পর্যটকবাহী রকেট
কসবায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার