জহিরিয়া মসজিদে তারাবি পড়েন ৪ হাজার মুসল্লি 

সোলায়মান হাজারী ডালিম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

জহিরিয়া মসজিদে তারাবি পড়েন ৪ হাজার মুসল্লি। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ফেনী: ফেনী শহরের প্রাচীন জহিরিয়া জামে মসজিদে রমজান মাসে প্রতিদিন এক সঙ্গে তারাবির নামাজ পড়েন প্রায় ৪ হাজারেরও বেশি মুসল্লি।

php glass

শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ সহিদুল্লাহ কায়সার সড়কে অবস্থিত এ মসজিদটিতে নামাজ পড়তে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন মুসল্লিরা। 

এ বিশাল সংখ্যক মুসল্লিদের যাতে প্রচণ্ড গরমে স্বস্তিতে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলেও  রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন জেনারেটরের ব্যবস্থা। 

মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, জহিরিয়া জামে মসজিদে প্রতি জুমার দিনে প্রচুর মুসল্লির সমাগম হয়। রমজানের তারাবিতে এ সংখ্যা আরো বেড়ে যায়। তাই মুসল্লিদের কথা মাথায় রেখে পুরো মসজিদটিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। রাখা হয়েছে আইপিএস। বিদ্যুৎ যাওয়ার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে চালুর ব্যবস্খা রাখা হয়েছে জেনারেটর।

তিনি জানান, রমজানে মসজিদটিতে তারাবি পড়ান অভিজ্ঞ কোরানে হাফেজ শাহ নেওয়াজ ও সায়ীদ আহম্মদ। এর মধ্যে সায়ীদ আহম্মদ কোরআন তিলাওয়াত করে সৌদি আরবের মক্কা-মদিনায় দুইবার পুরস্কৃত হয়েছেন। 

নামাজে কোরআন তেলাওয়াতের বিষয়ে দুই হাফেজ জানান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী- প্রথম ৬ দিন দেড় পারা এবং পরের ২৭ রমজানের আগ পর্যন্ত  প্রতিদিন ১ পারা কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো কোরান পাঠ সম্পন্ন করা হবে। 

দুলাল তালুকদার নামে এক মুসল্লি জানান, শহরের অধিকাংশ মুসল্লিই এ মসজিদটিতে নামাজ আদায় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মসজিদ কমিটির ব্যবস্থাপনাও প্রশংসা করার মতো।

রমজানবিষয়ক যেকোনো লেখা আপনিও দিতে পারেন। লেখা পাঠাতে মেইল করুন: [email protected]

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৬ ঘণ্টা, মে ১০, ২০১৯ 
এসএইচডি/এমএ

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কাটলো বিনিয়োগ সংকট, গতি কাজে
রংপুরে হোটেল-বেকারির অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট
ভবন থেকে ফেলে দেওয়ায় নবজাতকের মৃত্যু
মেসির গোলেও শিরোপা ধরে রাখতে পারল না বার্সা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত


পাহাড়ি ফুটবলকন্যা মনিকার বিশ্বজোড়া খ্যাতি!
জাহাজশিল্পে ক্যারিয়ার গড়ুন বাগেরহাট মেরিন ইনস্টিটিউটে
চকরিয়ায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
এতিমখানা ও মাদ্রাসায় ঈদ বস্ত্র বিতরণ
বিপদসীমার নিচে মনু নদের পানি, জনমনে স্বস্তি