রোজায় মিসওয়াক ব্যবহারের নিয়ম বিষয়ে জানতে চাই?

ইসলাম ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অপার মহিমার মাস রমজান

walton

ঢাকা: অপার মহিমার মাস রমজান। আত্মশুদ্ধি-আত্মগঠনের এ মাসে মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তোষ অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। রমজান মাসকে সঠিকভাবে পালনে করণীয় ও বর্জনীয়সহ নানা বিষয়ে জানার থাকে মুসল্লিদের। 

এজন্য মাহে রমজানে বাংলানিউজের বিশেষ আয়োজন ‘আপনার জিজ্ঞাসা’।এই আয়োজনের মাধ্যমে ([email protected] ঠিকানায় ইমেইল করে) পাঠক তার রমজান বিষয়ক প্রশ্ন করে জেনে নিতে পারেন উত্তর। পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরিফের আলোকে পাঠকের জিজ্ঞাসার উত্তর দেবেন বিশিষ্ট মুফাসসিরে কুরআন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী।

প্রশ্নকর্তা: আনিসুল ইসলাম, জুরাইন, ঢাকা।
প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় মিসওয়াক ও টুথপেস্ট ব্যবহার করার নিয়ম কি?
উত্তর: যদি গলার মধ্যে না যায় তবে টুথপেস্ট ও পাউডার ব্যবহার করতে কোনো অসুবিধা নেই। এমনিভাবে দিনের শুরুতে ও শেষে যে কোনো সময়ে মিসওয়াক করতে কোনো অসুবিধা নেই। কতিপয় আলেম দুপুরের পর মিসওয়াক করাকে মাকরূহ বলেছেন। অবশ্য এ মত শুদ্ধ নয়। সঠিক কথা হল, কোনো সময় মিসওয়াক করা যায়। কেননা রাসূল (সা.) মিসওয়াক সম্পর্কে যা বলেছেন তা ‘আম’ অর্থাৎ ব্যাপক।

তিনি বলেছেন, ‘মিসওয়াক মুখকে পবিত্র ও আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে।’ (নাসায়ি, আয়েশা (রা.) থেকে)। রাসুল (সা.) আরও বলেন, যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর না হতো তা হলে আমি প্রত্যেক সালাতে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। (বুখারি ও মুসলিম) আর এ হাদিস জোহর ও আছরের সালাতকেও শামিল করে। কারণ এ দু’সালাত দুপুরের পরেই হয়ে থাকে।

প্রশ্নকর্তা: মো. রুহুল আমিন, গাজীপুর।
প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় ঘন ঘন থু থু গিলে ফেললে কোনো ক্ষতি হবে কি-না?
উত্তর: রোজা পালনকারী যদি মুখে থাকা থু থু গিলে ফেলে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। আর এ মাছআলায় উলামাদের মধ্যে কোনো মতানৈক্য নেই। কেননা বার বার থু থু ফেলা যেমন কষ্টকর তেমনি থু থু না গিলে থাকাও সম্ভব নয়। কিন্তু কাঁশি ও শ্লেষ্মা যদি মুখে এসে যায় তবে তা ফেলে দিতে হবে। সিয়াম পালনরত অবস্থায় তা গিলে ফেলা জায়েজ নয়। কেননা কাঁশি ও শ্লেষ্মা থুথুর মতো নয়। আল্লাহ তায়ালাই সর্বাধিক জ্ঞাত।

প্রশ্নকর্তা: মো. সজিব, পাবনা।
প্রশ্ন: কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদি রমজান মাসে জ্বালানো জায়েজ কি-না?
উত্তর: রমজান মাসে দিনের বেলা মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানো জায়েজ। এতে রোজার ক্ষতি হবে না। কারণ ধূপ, কয়েল, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানোর পর আশপাশে সাধারণত এর ঘ্রাণই ছড়ায়। এর ধোঁয়া নাক পর্যন্ত পৌঁছে না। এরপরও অনিচ্ছাকৃত তা নাকে-মুখে চলে গেলে রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা অবস্থায় কেউ যদি নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয় সেক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। (রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫; আশশুরুনবুলালিয়া ১/২০২; মাজমাউল আনহুর ১/৩৬১; হাশিয়াতুত তাহতাবি আলাদ্দুর ১/৪৫০)

জবাব প্রদানে: 
মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী

লেখক: বিশিষ্ট মুফাসসির কুরআন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মুফাসসির সোসাইটি।

বাংলাদেশ সময়: ১১০১ ঘণ্টা, জুন ০৪, ২০১৮
এমএ 

করোনা সন্দেহে নড়াইল সদর হাসপাতালের নার্সকে ঢাকায় প্রেরণ
নরসিংদীতে কালবৈশাখী ঝড়ে দেয়াল ধসে কিশোরীর মৃত্যু
করোনা: রাজধানীতে ছাত্রদলের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় আইপিএইচ-এ কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি 
জ্বর-কাশিতে ভুগে নৌ-সদস্যের মৃত্যু


চলে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি গোয়ো বেনিতো
করোনা: আমেরিকায় বেকার হয়েছে ৬৬ লাখ মানুষ 
দক্ষিণখানে ভবনের দেওয়াল ধসে ঘুমন্ত বৃদ্ধার মৃত্যু 
করোনা: মক্কা-মদিনায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারফিউ
জ্বর-কাশিতে তরুণের মৃত্যু, সৎকার সংশ্লিষ্টদের কোয়ারেন্টিন