php glass

যুক্তরাষ্ট্রের ধনী প্রেসিডেন্টরা: ৫১ মি. ডলারের বেশি সম্পদশালীরা

মাহমুদ মেনন, হেড অব নিউজ | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সি জয়ে একটা টাকার খেলা চলে। যার গাঁটের জোর যত বেশি তার জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় তহবিল সংগ্রহ। যে যত বেশি তহবিল গঠন করতে পারেন ততই তার হোয়াইট হাউজে যাওয়ার পথ সুগম হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মানেই ধনী, সে কথাটি বলা যাবে অনায়াসে। এদের মধ্যে কারও হাতে অর্থ কম, কারো বেশি... এই যা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সি জয়ে একটা টাকার খেলা চলে। যার গাঁটের জোর যত বেশি তার জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় তহবিল সংগ্রহ। যে যত বেশি তহবিল গঠন করতে পারেন ততই তার হোয়াইট হাউজে যাওয়ার পথ সুগম হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মানেই ধনী, সে কথাটি বলা যাবে অনায়াসে। এদের মধ্যে কারও হাতে অর্থ কম, কারো বেশি... এই যা।

যুক্তরাষ্ট্রের ধনী প্রেসিডেন্টরা: ১-১০ মি. ডলারের সম্পত্তি যাদের
যুক্তরাষ্ট্রের ধনী প্রেসিডেন্টরা: ১১-৫১ মি. ডলারের সম্পত্তি যাদের

বিল ক্লিনটন ৫৫ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য গড়েছেন একক চেষ্টায়। আইন ব্যবসায় সফল ক্যারিয়ার ছিলো তার। আর হোয়াইট হাউস ত্যাগ করার পর মাই লাইফ লিখে আয় করেন ২.২ মিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বক্তৃতা তার আয়ের একটি বড় উৎস।

ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট। তার ছিলো ৬০ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য। হোয়াইট হাউজে ১২ বছর কাটালেও মূল অর্থ আসে নিজের পরিবার ও ধনীর কন্যা এলেনরকে বিয়ে করে।

হার্ভার্ড হুভার ৩১তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি উত্তরাধিকারে কোনো সম্পদই পাননি। যা কিছু তার নিজের অর্জন। ছিলেন খনির মালিক। আরও নানা ব্যবসা। যা দিয়ে ৭৫ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য গড়ে তুলেছিলেন সেই ১৯৩০ এর দশকেই। 

লিন্ডন বি জনসন ৩৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন জন এফ কেনেডিকে হত্যার পরেই। কিন্তু দ্রুতই দেশ পতিত হয় যুদ্ধ ও দারিদ্র্যদশায়। টেক্সাসে এই ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টের বিশাল সম্পত্তি ছিলো। যার মূল ছিলো ৯৮ মিলিয়ন ডলার।

জেমস মেডিসনের সম্পদ ১০১ মিলিয়ন ডলারের। তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ভার্জিনিয়ায় তার ৪০০০ একরের বেশি জমি ছিলো যা তাকে এতোটা ধনী করে রাখে।

অ্যান্ড্রু জ্যাকসন ১১৯ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য গড়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম প্রেসিডেন্ট হিসেবে। তার মিলিটারি ক্যারিয়ার ও বিশাল সম্পত্তি থেকে আসে এই অর্থ। 

থিওডর রুজভেল্ট নিউইয়র্কের ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ছিলেন। তবে নিজে প্রথম জীবনে কষ্টই করেছেন। পরে বই লিখেই নিজের ভাগ্য গড়েন। ৪০টি বই তিনি সারা জীবনে লিখেছেন। লং অ্যায়ল্যান্ডে রয়েছে তারা বিশাল হিল ইস্টেট। যা দিয়ে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য গড়ে যান এই ২৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

টমাস জেফারসন ২১২ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য গড়েছেন সফল ব্যবসা থেকে। তবে অন্যান্য ফাউন্ডিং ফাদারদের মতো তৃতীয় এই প্রেসিডেন্টেরও ছিলো বিশাল পারিবারিক সম্পত্তি।

জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধনী। তিনি গড়ে তুলেছিলেন ৫২৫ মিলিয়ন ডলারের ভাগ্য। যা এক কথায় বলতে গেলে জমির মালিকানা থেকেই এসেছিলো। ভার্জিনিয়ায় ওয়াশিংটনের পরিবার ছিলো সেরা ধনী। মাউন্ট ভেরনে তাদের জমি ছিল ৮০০০ একর।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে সেরা ধনী প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ কেনেডি। তিনি ছিলেন দেশটির ৩৫তম প্রেসিডেন্ট। ডেমোক্র্যাট এই প্রেসিডেন্টের সফল ব্যবসা ছিলো, যার তালিকায় ছিলো ব্যাংক, স্টক মার্কেট বাণিজ্য, মদের ব্যবসা এবং চলচ্চিত্র বানানো। কেনেডিকে হত্যা করা হয়েছিলো। তবে তার আগেই পরিবারের হাতে এসব সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে পেরেছিলেন। যার আর্থিক মূল্য ছিলো ২ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ সময়: ০৮০৮ ঘণ্টা, অক্টোবর ১০, ২০১৬
এইচএ/এমএমকে/

বাগেরহাটে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ভাংচুর
স্থানীয় সরকার পর্যায়ের কাজে সম্পৃক্ত হতে চান প্রতিবন্ধীরা
নিউ সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
ফ্রান্স প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান
খুলনায় আ’লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ


সিলেটে লবণ বিক্রেতাকে জরিমানা
লবণের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা, হবিগঞ্জে আটক ৪
‘খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে সরকার’
আবাসন খাতে সর্বোচ্চ করদাতা র‌্যাংগস প্রপার্টিজ লিমিটেড
‌সিলেটের বাজারে লব‌ণ সংকটের গুজব