ছিটমহল মুক্ত দিবস কাল

আঙ্গোরপোতা-দহগ্রামের মানুষের দু:খ আজও ঘোচেনি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আঙ্গোরপোতা-দহগ্রাম ছিটমহল মুক্ত দিবস কাল। দীর্ঘ ৪৭ বছর পর ১৯৯২ সালের এই দিনে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে বহুল আলোচিত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল পায় বাংলাদেশ। যদিও চুক্তি মোতাবেক ছিটমহলে যাতায়াতের সুবিধার্থে ২৪ ঘন্টা করিডোর খোলা রাখা, তিন বিঘার স্বার্বভৌমত্ব, জমির রেকর্ডপত্র ফেরত দেওয়ার শর্তসহ অনেক শর্তই বাস্তবায়িত হয়নি।

php glass

লালমনিরহাট: আঙ্গোরপোতা-দহগ্রাম ছিটমহল মুক্ত দিবস কাল। দীর্ঘ ৪৭ বছর পর ১৯৯২ সালের এই দিনে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে বহুল আলোচিত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল পায় বাংলাদেশ। যদিও চুক্তি মোতাবেক ছিটমহলে যাতায়াতের সুবিধার্থে ২৪ ঘন্টা করিডোর খোলা রাখা, তিন বিঘার স্বার্বভৌমত্ব, জমির রেকর্ডপত্র ফেরত দেওয়ার শর্তসহ অনেক শর্তই বাস্তবায়িত হয়নি।

উপরন্তু ২০০৯ সালের মাঝামাঝি থেকে তিনবিঘা করিডোরের উত্তর এবং দক্ষিণ প্রান্তে বিএসএফ একতরফাভাবে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে  ছিটমহলটির প্রায় ২০হাজার মানুষ আতংকিত হয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

২৬ জুন তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তর দিবসটিকে দহগ্রাম আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসী মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। এবার তারা ছিটমহলের বঙ্গেরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।
এছাড়াও সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার(ইউএনও) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবেন তারা। দাবির মধ্যে রয়েছে চুক্তি বাস্তবায়ন, ছিটমহলে স্থাপিত হাসপাতালটি পুরোপুরি চালু , আরও বিডিআর ক্যাম্প স্থাপন, কলেজ প্রতিষ্ঠা, তিস্তা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকার ভারতকে বাৎসরিক এক টাকা খাজনা কর দেওয়ার সম্মতিতে ৯৯ বছরের জন্য তিনবিঘা করিডোর লিজ নেয়। ওই বছরের ২৬ জুন খুলে দেওয়া হয় তিনবিঘা করিডোর। সম্প্রতি এ কর আড়াই টাকা করা হয়েছে।

চুক্তি মোতাবেক ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে করিডোর। দৈর্ঘ্যে ১৭৮ মিটার ও  প্রস্থে ৮৫ মিটার ‘তিনবিঘা’ নামক জমি লিজ দেয় ভারত। কিন্তু শুরু থেকে এখনও প্রস্থে মাত্র ৮ ফুট পাকা রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশিরা। শর্ত অনুযায়ী করিডোরের ভেতর দু’পক্ষ কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। কিন্তু বিএসএফ করিডোরের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে দু’টি চেকপোস্ট নির্মাণ করেছে। করিডোরের নিয়ন্ত্রণ বিডিআরের হাতে থাকার কথা থাকলেও মানছে না ভারত।

এ পরিপ্রেক্ষিতে দহগ্রাম আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসী ১৯৭৪ এর মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি তুলেছেন।

দহগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম প্রামাণিক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি-কে অভিযোগ করে বলেন, ২৪ ঘন্টা করিডোর খুলে দেওয়ার পরিবর্তে বিএসএফ জিরো লাইনের ভেতর দিয়ে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করছে। তিনি ছিটমহলের ভেতর আরও দু’টি বিডিআর ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানান।

বাংলাদেশের স্থানীয় সময়:১৫১৬ঘণ্টা, জুন ২৫’ ২০১০
প্রতিনিধি/এনএস/জেএম

জয়পুরহাটে বসুন্ধরা সিমেন্টের কর্মশালা
রমজান উপলক্ষে মসজিদে নববীতে নতুন কার্পেট
অস্বাভাবিক কিছু দেখলে জানানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
কৃষকের ন্যায্যমূল্যের কথা আমরা ভাবছি না: খাদ্যমন্ত্রী
মাত্র ৩১ বছর বয়সেই ক্রিকেটকে বিদায় বললেন নাজমুল


বাস চালককে পিটিয়ে হত্যা, ধর্মঘটে অনড় শ্রমিক নেতারা
যৌন হয়রানির অভিযোগে বখাটের কারাদণ্ড
সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নাম থেকেই কোয়ান্টাম কণার নাম ‘বোসন’
ঝিনাইদহে বাসচাপায় আলমসাধু চালক নিহত
ঢাকা মাতাতে আসছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’