গার্মেন্ট খুলেছে: ৬০ হাজার শ্র্রমিকের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুধবার সকালে খুলে দেওয়া হয়েছে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সব তৈরি পোশাক কারখানা। এই এলাকার দু’শতাধিক কারখানায় সকালেই কাজ শুরু করেছেন শ্রমিকরা

সাভার: কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুধবার সকালে খুলে দেওয়া হয়েছে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সব তৈরি পোশাক কারখানা। এই এলাকার দু’শতাধিক কারখানায় সকালেই কাজ শুরু করেছেন শ্রমিকরা।

তবে স্ক্যানডেস্ক নামের একটি কারখানার শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করছেন বলে জানা গেছে। শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে তারা কর্মবিরতি করছেন বলে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক।

এদিকে, মঙ্গলবারের সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ৬০ হাজার শ্র্রমিকের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) আহমেদ মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে বুধবার দুপুরে এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে সরকারি কাজে বাধাদান, কারখানায় হামলা ভাংচুর ও তান্ডবের অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামির সংখ্যা ‘‘অজ্ঞাতনামা ৬০ হাজার’’ বলে উল্লেখ করা হয়।

কারখানা ভাঙ্চুর, কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগ করা ছাড়াও মঙ্গলবারের ওই সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত হন অর্ধশতাধিক।

সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেণে আশুলিয়ায় অবস্থান করছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, র‌্যাব ও পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা।

গত কয়েকদিনের সহিংসতার পর আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সব কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বিজিএমইএ। একদিন বন্ধ থাকার পর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাসে বুধবার কারখানা খুলে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় গার্মেন্ট মালিকদের এই সংগঠন।

আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামো দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে মর্মে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঘোষণা দেওয়ার পর শ্রমিকদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি।

সকালেই তারা নিজ নিজ কারখানায় গিয়ে কাজে যোগ দিতে শুরু করেন। তবে কিছু কিছু কারখানায় শ্রমিক-উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। পরিচয়পত্র দেখে তল্লাশির পরই কেবল শ্রমিকদের কারখানায় ঢুকতে দেওয়া হয়।

এদিকে গোটা শিল্পাঞ্চল জুড়েই চলছে পুলিশ ও র‌্যাবের বিশেষ টহল। এ ছাড়াও সাইরেন বাজিয়ে পুলিশের জলকামান ও বিশেষ যানবাহনকে তৎপর দেখা গেছে।

বিজিএমইএ অতিরিক্ত সচিব মনসুর খালেদ শ্রমিকদের কম উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, অনির্দিষ্টকালের জন্যে কারখানা বন্ধের ঘোষণায় অনেক শ্রমিক কর্মস্থল ছেড়ে চলে গেছেন বলেই এমনটা হয়েছে। তা সত্ত্বেও উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশ বলে জানান তিনি।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শক আজিজুল ইসলাম বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত পাওয়া খবরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সব ক’টি কারখানায় স্বাভাবিক পরিবেশে কাজ শুরু হয়েছে তবে কেবলমাত্র স্ক্যানড্যাক্স নামের তৈরি পোষাক কারখানার শ্রমিকরা একটি ফোরে কাজ বন্ধ রেখেছে।

শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

বিজিএমইএর সভাপতি সালাম মুর্শেদী বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন,‘আমরা সরকারের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে সব কারখানা খুলে দিয়েছি, বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেণ করছি, আশা করি সরকারের প থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার ইকবাল বাহার বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি ভালো।’
তিনি জানান, শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আপেকি ব্যাপার। এককভাবে কারো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তবে সামগ্রিকভাবে অবস্থা ভালো, যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত আছি’।



বাংলাদেশ সময় ২১৪৪ঘণ্টা, জুন ২৩, ২০১০
জেডআর/এনএস/এমএমকে/জেএম

Nagad
নালিতাবাড়ী-ঝিনাইগাতীতে ২৫ গ্রাম প্লাবিত
বিপিও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান পলকের
বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতিমালা সংস্কারের পরামর্শ
ভুয়া চিকিৎসকসহ ৩ জনকে কারাদণ্ড, হাসপাতাল সিলগালা
পশ্চিমবঙ্গে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৫৬০ জন


নভোএয়ারে ভ্রমণ করলে ফ্রি কাপল টিকিট
‘টাউট’ শহীদুলের আইন পেশা, আছে মানবাধিকার সংগঠন!
সব বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা, বন্যার অবনতি
অর্ধেক দামে মিলবে কৃষি যন্ত্রপাতি, একনেকে প্রকল্প
খুলনায় নতুন করোনা রোগী শনাক্ত ৭৩, মোট ৩১০৮