ঢাকা, শনিবার, ১৫ কার্তিক ১৪২৭, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জাতীয়

গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস উদ্বোধন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৭৩৪ ঘণ্টা, অক্টোবর ১, ২০২০
গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস উদ্বোধন ...

ঢাকা: ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, সড়ক হবে সংস্কার’ এ স্লোগানের বাস্তব প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে উদ্বোধন করা হলো 'গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস অক্টোবর-২০২০'।
 
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে এ মাসের উদ্বোধন করেন।


 
সারাদেশে গ্রামীণ সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার জন্য চলতি অক্টোবর এবং আগামী বছরের মার্চকে রক্ষণাবেক্ষণ মাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সারাদেশে এলজিইডির আওতাভুক্ত বিভিন্ন শ্রেণির মোট ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক রয়েছে।
 
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) সেখ মোহাম্মদ মহসিন।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এলজিইডির অধীন সব কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করার জন্য সবস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
 
তাজুল ইসলাম বলেন, নির্মাণ সামগ্রী, আধুনিক প্রযুক্তি এবং জবাবদিহিতা এবং সুপারভিশন নিশ্চিত করা গেলে তার সুফল পাওয়া সম্ভব।
 
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এবং প্রকল্প পরিচালক যদি সময়ে সময়ে কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন তাহলে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।
 
কাজের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ঠিকাদারদের কথা মাথায় রেখে নির্মাণ ব্যয় প্রাক্কলন করা উচিত জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী দক্ষ এবং প্রফেশনাল ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
 
তিনি বলেন, কাজের অভিজ্ঞতা না থাকলেও এখন অনেকেই লাইসেন্স করে। এতে করে একদিকে যেমন নিম্নমানের কাজ হয় অন্যদিকে সেই ঠিকাদারও লোকসানের মুখে পড়ে।
 
তিনি জানান, রাস্তা, সেতু নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণসহ যে কাজই হোক না কেন তা অবশ্যই মানসম্মত ও টেকসই হতে হবে। গুণগত কাজ করতে গিয়ে কোনো ধরনের চাপের কাছে মাথা নত করা যাবে না।
 
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং মন্দ কাজের জন্য তিরস্কার নিশ্চিত করতে হবে।
 
তাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দারিদ্র-ক্ষুধামুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সঙ্গবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, শহরের সব সুযোগ-সুবিধা গ্রামগঞ্জে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার "আমার গ্রাম, আমার শহর" এর পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগর এবং গ্রামের বৈষম্য দূর হবে।
 
বাংলাদেশ সময়: ০৭৩৩ ঘণ্টা, অক্টোবর ০১, ২০২০
এমআইএইচ/আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa