ঢাকা, রবিবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ সফর ১৪৪২

জাতীয়

করোনা: কর্মক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে পরিকল্পনা প্রয়োজন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২০৩ ঘণ্টা, আগস্ট ১২, ২০২০
করোনা: কর্মক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে পরিকল্পনা প্রয়োজন

ঢাকা: কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে করণীয় বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনায় একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন সরকার, ট্রেড ইউনিয়ন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
 
তারা বলেন, কোভিড-১৯ কালে শ্রমিকের সুরক্ষায় ট্রেড ইউনিয়নকে সঠিক ও কার্যকর ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেই কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সঠিক নির্দেশনা আসতে হবে, কেননা এটি শুধু জনস্বাস্থ্য সমস্যাই নয়, জনস্বাস্থ্য নীতি বিষয়ক সমস্যাও।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্ট্যাডিজের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কোভিড-১৯: পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সবার জন্য (শ্রমিক, সম্মুখযোদ্ধা, সেবা প্রদানকারী)’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

বিলস চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান সিরাজের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব নজরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় আয়োজিত ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট অব অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের ফ্যাকাল্টি মেম্বার একেএম মাছুম উল আলম।  

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন- বিএমএ সাবেক সভাপতি ড. রশিদ-ই-মাহবুব। সম্মানিত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম-এসএনএফ এর আহ্বায়ক ড. হামিদা হোসেন, আইএলও আরএমজি প্রজেক্ট চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর জর্জ ফলার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি) সাধারণ সম্পাদক চায়না রহমান প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে এ কে এম মাছুম উল আলম বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। লকডাউন ও সাধারণ ছুটি নিয়ে মানুষের মধ্যে দ্বিধা থাকার কারণে মানুষের সচেতনতার ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটেছে। সমন্বয়হীনতার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য বিভ্রাট ও ক্ষেত্রবিশেষে গুজব রটেছে, যার কারণে মানুষ হয়রানির শিকার।  
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড. রশিদ-ই-মাহবুব বলেন, কোভিড-১৯ কোনো পেশাগত রোগ নয়, এটি সংক্রামক ব্যাধি। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে এটি মালিকপক্ষকেই নিশ্চিত করতে হবে।  

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেভাবে বিমার আওতায় আনা হয়েছে, সেভাবে শ্রমিকদেরও বিমা নিশ্চিত করা যায় কিনা তা সব পক্ষকে বিবেচনা করতে হবে।

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মক্ষেত্র শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে জর্জ ফলার বলেন, কর্মক্ষেত্রে পেশাগত সুরক্ষা আইএলওর সুপারিশ করা শোভন কাজের একটি অংশ। এটিকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিতে হবে, বিশেষত কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে।  

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৬ ঘণ্টা, আগস্ট ১২, ২০২০
জিসিজি/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa