ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৪ আগস্ট ২০২০, ১৩ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

‘করোনা আক্রান্ত’ বলে দুদকের তলবে হাজির হননি আমিনুল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৭-০৮ ০৯:২৪:৩৩ পিএম
‘করোনা আক্রান্ত’ বলে দুদকের তলবে হাজির হননি আমিনুল দুদক কার্যালয়

ঢাকা: স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয় দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলবে ‘করোনা আক্রান্ত’ কারণ দেখিয়ে হাজির হননি এলান কর্পোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন।
 
বুধবার (০৮ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে করোনায় আক্রান্তের কারণ দেখিয়ে হাজির না হয়ে সময় চান আমিনুল ইসলাম।


 
এ বিষয়ে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বাংলানিউজকে বলেন, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আমিনুল ইসলাম আমিন তলবে হাজির না হয়ে সময় চেয়েছেন।
 
এদিকে, কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে নকল এন৯৫ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)৷ একই সঙ্গে কম মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের সমন্বয়কারী (মেডিক্যাল টিম) মো. মতিউর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে সংস্থাটি৷
 
বুধবার সকাল দশটা থেকে প্রথমে আব্দুর রাজ্জাক এবং পরে মতিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
 
দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল জিজ্ঞাসাবাদ করে। দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান।
 
বৃহস্পতিবার (০৯ জলাই) মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের চেয়ারম্যান ও লেক্সিকোন মার্চেন্ডাইজ ও টেকনোক্র্যাট লিমিটেডের মালিক মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক৷
 
এর আগে গত ১ জুলাই স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই পাঁচ ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়৷ তাদেরকে নির্ধারিত দিনে দুদকে হাজির হয়ে রেকর্ডপত্রসহ বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কোন বক্তব্য নেই বলে ধরে নেওয়া হবে।
 
দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরিত অতীব জরুরি তলবি নোটিশে  বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার নিমিত্ত নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে অন্যান্যদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎপূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বর্ণিত অভিযোগ বিষয়ে তাদের  বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।
 
বাংলাদেশ সময়: ২১২০ ঘণ্টা, জুলাই ০৮, ২০২০
ডিএন/এমআরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa