বাজারে আসছে কেরুর উৎপাদিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ছবি: বাংলানিউজ

walton

চুয়াডাঙ্গা: বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে কদর বেড়েছে জীবাণুনাশক হ্যান্ড স্যানিটাইজারের। বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি হচ্ছে দেদারছে। তবুও যেন পূরণ হচ্ছে না চাহিদা। সাধারণ মানুষের সেই চাহিদা মেটাতে এবার বাজারে আসছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ডিস্টিলারি কেরু অ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিমিটেডের উৎপাদিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার। নাম দেওয়া হয়েছে কেরুজ হ্যান্ড স্যানিটাইজার। 

আগামী সোমবার (২৩ মার্চ) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বাজারে আসবে এ পণ্যটি। কয়েকদিনের মধ্যে কেরুর হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্বল্প মূল্যে সবার হাতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, ১৯৩৮ সাল থেকে কেরু কেম্পানি বিশ্বখ্যাত উন্নতমানের স্পিরিট তৈরি করে আসছে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মূল উপাদানই স্পিরিট। এর সঙ্গে ডিস্টিল্ড ওয়াটার, রং ও ঘ্রাণ মেশালেই তৈরি হয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার। 

১০০ মিলির একটি বোতলের সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য হবে ৬০ টাকা। যা বাজারের যেকোনো স্যানিটাইজারের চেয়ে অনেক কম। কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদ আলী আনছারী বাংলানিউজকে জানান, দেশে উদ্ভুদ পরিস্থিতে রাষ্ট্রের স্বার্থে তাৎক্ষণিক এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাদের নিজস্ব রসায়নবিদের মধ্যমে এটি তৈরির পর পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ জীবাণু এতে মরে যায়।

তিনি আরও জানান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজারে ছাড়তে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমোদন নিতে হয়। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। যেহেতু কেরুর স্পিরিট বিক্রির লাইসেন্স আছে, তাই তারা এটি বাজারে বিক্রি করতে পারবে। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের অনুমতি পেলেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজারজাতকরণ শুরু হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ স্যানিটাইজার উৎপাদন করা হয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় কেরু অ্যান্ড
কোং এর অনুমোদিত ১৬টি বিপণন কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে চাহিদা মতো দেশের সবকটি ফার্মেসিতে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

দেশের এমন ক্রান্তিকালে কেরু কোম্পানির এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা মনে করেন, বাজারে অন্যান্য জীবাণুনাশকের তুলনায় কেরুজ হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্রয়মূল্য তুলনামুলক কম। যা সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছাতে সহায়ক
হবে। এছাড়া বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের যে সংকট রয়েছে এ
পণ্যটি সে সংকটের নিরসন ঘটাবে।

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির কারখানাটি অবস্থিত। এটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি সংস্থা চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের আওতায় স্পিরিট উৎপাদন করা হয়। এছাড়া তাদের আরও পাঁচটি
উৎপাদন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২৪ ঘণ্টা, মার্চ ২২, ২০২০
আরএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: চুয়াডাঙ্গা
লাম্পি স্কিন রোগে ২০ গরুর মৃত্যু, দিশেহারা খামারিরা
আগরতলায় ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি
আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামত করা হবে
অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি না করতে তথ্যমন্ত্রীর অনুরোধ
নিয়ম মেনে সীমিত অফিস ১৫ জুন পর্যন্ত, অন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল


দুর্যোগে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা বিএনপির রাজনীতি
ঢাকা ছাড়লেন ১৭০ ভারতীয় নাগরিক
কুষ্টিয়ায় ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ফসলের ক্ষতি
১২টি করোনা টেস্টিং বুথ বসানোর উদ্যোগ মেয়র নাছিরের
আড়াইহাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ একজন নিহত