ঢাকা, রবিবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ সফর ১৪৪২

জাতীয়

কুমিল্লায় ৩৯৩টি স্থানে বসবে পশুর হাট

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১১৬ ঘণ্টা, আগস্ট ৭, ২০১৯
কুমিল্লায় ৩৯৩টি স্থানে বসবে পশুর হাট পশুর হাট। ফাইল ফটো

কুমিল্লা: মুসলিম বিশ্বের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। এ উৎসবের মূল তাৎপর্য পশু কোরবানি। এ উপলক্ষে কুমিল্লায় ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পশু আসতে শুরু করেছে। এবার জেলাজুড়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৩৯৩টি পশুর হাট বসতে যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যে স্থায়ী ৪৪টি ও অস্থায়ী ৩৪৯টি। 

এবারে হাটগুলোতে দেশি গরুর আধিক্য থাকবে বলে জানা গেছে। তবে কোরবানির পশুর দাম মধ্যবিত্ত শ্রেণির নাগালের মধ্যে থাকবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, কুমিল্লা জেলা সদরে মোট ২৩টি পশুর হাট বসছে। এর মধ্যে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী ২২টি। সদর দক্ষিণ উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ২১টি। এর মধ্যে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী ২০টি। লালমাই উপজেলায় মোট
পশুর হাটের সংখ্যা ২৫টি। তার মধ্যে স্থায়ী দুইটি ও অস্থায়ী ২৩টি।  

বরুড়া উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ৪৩টি। এর মধ্যে স্থায়ী চারটি ও অস্থায়ী ৩৯টি। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ১৮টি। এর মধ্যে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী ১৭টি। নাঙ্গলকোট উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা
৩৪টি। এ উপজেলায় কোনো স্থায়ী হাট নেই। মনোহরগঞ্জ উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ২৪টি। এর মধ্যে স্থায়ী তিনটি ও অস্থায়ী ২১টি।  দেবিদ্বার উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ২২টি। এর মধ্যে স্থায়ী তিনটি ও অস্থায়ী ১৯টি।  

এছাড়া চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ৩৪টি। এর মধ্যে স্থায়ী আটটি ও অস্থায়ী ২৬টি।  লাকসাম উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ১০টি। এর মধ্যে স্থায়ী তিনটি ও অস্থায়ী সাতটি।  দাউদকান্দি উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী ১৪টি। তিতাস উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ১৪টি। এর মধ্যে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী ১৩টি। হোমনা উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ১৯টি। এর মধ্যে স্থায়ী ১৭টি ও অস্থায়ী ১৯টি। বুড়িচং উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ২৬টি, যার মধ্যে স্থায়ী পাঁচটি ও অস্থায়ী ২১টি। চান্দিনা উপজেলায় মোট পশুর হাটের সংখ্যা ১৮টি। এর মধ্যে স্থায়ী তিনটি ও অস্থায়ী ১৫টি। মুরাদনগর উপজেলায় পশুর হাটের সংখ্যা ২৬টি। এর মধ্যে স্থায়ী দুইটি ও অস্থায়ী ২৪টি। সবশেষ মেঘনা উপজেলায় পশুর হাটের সংখ্যা নয়টি। তার মধ্যে স্থায়ী একটি ও অস্থায়ী আটটি।

সম্প্রতি পশু বাজারের ইজারাদার ও চামড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ইজারাদার ও চামড়া ব্যবসায়ীদের বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।  

সেগুলো হলো- রাস্তায় কোনো হাট বসবে না, হাটে পশু টানাটানি হবে না, গরুর হাটে সিসিটিভির ব্যবস্থা করতে হবে, পশুর গাড়িতে গন্তব্যের ব্যানার লাগানো থাকবে, রোগাক্রান্ত গরু শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রতিটি হাটেই মেডিক্যাল টিম রাখতে হবে, হাটগুলোতে কোরবানির পশু বিক্রি করতে আসা। এছাগা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য হাট প্রশাসন পুলিশের সহায়তা পাবে এবং জাল টাকা চিহ্নিত করার যন্ত্রসহ হাটে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১৫ ঘণ্টা, আগস্ট ০৭, ২০১৯
এসএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa