‘সঞ্চয়পত্র গরিবের সোনার বাটি, উৎসে কর ধার্য করবেন না’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মোহাম্মদ নাসিম ও জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ

walton

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: মোবাইল ফোনে যে অতিরিক্ত কর ধার্য করা হয়েছে সেটা প্রত্যাহার করেন। সঞ্চয়পত্র হচ্ছে গরিবের সোনার বাটি। এর উপর উৎসে কর ধার্য করবেন না। গ্যাসের দাম কমানোর জন্য, গরিবের বিদ্যুতের দাম কমানোর জন্য প্রয়োজনে ভর্তুকি দিন। 

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। 

বাজেট অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে বলে দাবি করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাস্তবায়নে যেই ব্যর্থ হোক, মন্ত্রী হলেও তাকে জবাবদিহিতা করতে হবে। 

একইসঙ্গে ব্যাংক ঋণখেলাপিদের ছাড় না দিয়ে তাদের প্রতি জিরো টলারেন্স দেখানো ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তিতে এমপিদের যুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এই সংসদে যে জনপ্রতিনিধি আছেন তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে এমপিওভুক্ত করা হবে তার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হোক। কারণ এই এমপিরা জনগণের প্রতিনিধি। তাদের এমপিওভুক্তিতে অবশ্যই প্রাধান্য দিতে হবে। রাজনীতিবিদরাই দেশ পরিচালনা করেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। ভুল-ত্রুটি হতে পারে, কিন্তু তারাই দেশ পরিচালনা করেন। এই রাজনীতিবিদরাই দেশ স্বাধীন করেছেন।

তিনি বলেন, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিলেন দীর্ঘদিন। এসময় ব্যাংকিং সেক্টরসহ প্রশাসনের সর্বত্রই জামায়াত-শিবির বসেছিল। তারা চেষ্টা করে যাতে শেখ হাসিনার সরকার ব্যর্থ হয়। বিষয়গুলো দেখে হবে ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থমন্ত্রীকে বলবো এই বাজেট অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। যারা করতে পারবে না তাদের জবাবদিহিতা করতে হবে। সে মন্ত্রী হলেও তাকে জবাবদিহিতা করতে হবে। 

‘ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়ে গেলো। এদের ছাড় দেওয়া যাবে না। এই টাকা আদায় করতে না পারলে এদের সস্পদ বিক্রি করে গ্যাস, বিদ্যুতে ভর্তুকি দেন। এদের প্রতি জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে।’

‘সুবিধাবাদী ব্যবসায়ীরা আজ সংসদে। তারা সরকারের মধ্যেও ঢুকে পড়েছে। এরা সুবিধাবাদী, এরা দুই দিক থেকেই সুবিধা নেয়। এরা গার্মেন্টেস মালিক হয়েছে, মিডিয়ারও মালিক হয়েছে। আমাদের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধেই আবার লেখে।’

নাসিম বলেন, বিএনপির ভুল সবই ভুল। জীবনের পাতায় পাতায় ভুল। নির্বাচনের সময় তারা ড. কামাল হোসেনকে ভাড়া করে নিয়ে এলো। তিনি আওয়ামী লীগে ফেইলর তাকে ভাড়া করলো। আওয়ামী লীগের এই পরিত্যক্ত নেতাকে আসাদের প্রতিপক্ষ দাঁড় করানো হলো। সে মাঠ ফাঁকা করে দিলো, আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। যাকে ভাড়া করে আনলো সে আমাদের পক্ষে কাজ করলো। এই হচ্ছে ভাড়াটিয়া নেতার উপহার। বিএনপি কৌশলে হেরে গেছে। আমাদের কাছে কৌশলে আপনারা বারবার হেরে গেছেন। জিয়া, এরশাদের শাসন আমলে আমাদের উপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এরশাদের সময়ও আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিএনপির সদস্যরা সংসদকে অবৈধ বলেন আবার কীভাবে বৈধ হয়ে সংসদে বসে আছেন।   
 
বাংলাদেশ সময়: ২১১৭ ঘণ্টা, জুন ২৫, ২০১৯
এসকে/এএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: সংসদ অধিবেশন
Nagad
বগুড়ায় তাজ ফার্মেসিকে এক লাখ টাকা জরিমানা
বরিশালে ফ্লাইট চালু হচ্ছে রোববার
করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে অমিতাভ বচ্চন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ পেলেন বাংলাদেশের সেঁজুতি
নাটোরে ইউএনওসহ আরও ১৩ জনের করোনা শনাক্ত


করোনা: রাজশাহীতে সুস্থতার হার তুলনামূলক কম
লোহাগাড়ায় ৬ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার চার
বিমানের দুবাই-আবুধাবিগামী যাত্রীদের ভ্রমণে সতর্কবার্তা
মা ও শিশু হাসপাতালে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর প্রদান
ক্রেতা সেজে অভিযান, স্যানিটাইজার কারখানা সিলগালা