জানুয়রিতে সিডিএ অ্যাভিনিউ রিকশামুক্ত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

মহানগরীর যানজট নিরসনে ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে বারিক বিল্ডিং থেকে বহাদ্দারহাট পর্যন্ত সিডিএ অ্যাভিনিউ সড়ক রিকশামুক্ত করা হবে। এরপর লাইসেন্সবিহীন অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে সিএমপি ও সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।

চট্টগ্রামঃ মহানগরীর যানজট নিরসনে ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে বারিক বিল্ডিং থেকে বহাদ্দারহাট পর্যন্ত সিডিএ অ্যাভিনিউ সড়ক রিকশামুক্ত করা হবে। এরপর লাইসেন্সবিহীন অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে সিএমপি ও সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।

এছাড়া যানজট নিরসনে ছয় মাসের মধ্যে সল্টগোলা থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত সড়কে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের জন্য পৃথক লেন তথা ডেডিকেটেড বাস লেন চালু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম  সিটি কর্পোরেশন।

নগরীর যানজট নিরসনে সিএমপির উদ্যোগে সিডিএ, সিটি কর্পোরশেন, বিআরটিএ ও যানবাহন-মালিক-শ্রমিক সমিতিসহ সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সর্বস্মতিক্রমে এ সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির সদর দপ্তরে সোমবার দুপুরে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কাশেম।

সিএমপি কমিশনার বলেন, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে কিছু শর্র্ত পূরণ করতে হয়। কিন্তু নগরীর মূল সড়কগুলোতে ট্রাফিক সিগনাল সচল না থাকা, জেব্রা  ক্রসিং ও রোড  মার্কিং না থাকার কারণে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার ব্যাপারে চালক ও হেলপারদের উদ্বুদ্ধ করতে বিআরটিএর সহায়তায় আগামী  দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দেন কমিশনার। প্রশিক্ষনের পর চালক ও হেলপারদের আচরন মনিটর করবে  এ সংক্রান্ত ভিজিল্যান্স টিম।

সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি ট্রাফিক বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির আহবান জানিয়ে যানবাহন চলাচলের পৃথক লেন চালুর আগে ছয়মাসের মধ্যে চসিককে রোড মার্কিং ও জেব্রা ক্রসিংয়ের মার্কিং করার অনুরোধ জানান কমিশনার।

এছাড়া মূল সড়ক  রিকশামুক্ত করতে জানুয়ারির মধ্যে রিকশার লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণ করে বাকী ৩৫ হাজার রিকশার লাইসেন্স প্রদান শেষ করতে বলেন।

উন্নত বিশ্বের মতো নগরীতে পার্কিং জোন নির্দ্দিষ্ট করে নো পার্কিং জোন ঘোষণারও আহবান জানান তিনি।  আবুল কাশেম বলেন, অনেক বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পার্কিং-এর স্থান করার কথা বলে নকশার অনুমোদন নিলেও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখেনি। সেগুলোর বিরুদ্ধে  সিডিএকে  ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভায় নগরীর মূল সড়কের পাশে গড়ে ওঠা নামকরা ৭টি স্কুলকে যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে এসব স্কুল কর্তৃপক্ষকে বাস চালু করতে বাধ্য করার জন্য চাপ প্রয়োগের ব্যাপারে সবাই একমত হয়।

সভায় গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সভায় বিভিন্ন যানবাহন মালিক ও শ্রমিক  সমিতির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন ট্রাফিক পুলিশ রেকার দিয়ে হয়রানি করছে ।  

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় রিকশামুক্ত করারও আহবান জানান নেতৃবৃন্দ। ট্রাফিক পুলিশের সংকট থাকায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে কমিউনিটি  পুলিশ বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।

সভায় পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরীর যানজটের কারণ এবং সমাধানের উপায় সংক্রান্ত তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শহীদুল হক। এতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম, উপ-কমিশনার (সদর) ফারুক আহমদে, আঞ্চলিক ট্রান্সপোর্ট কমিটির সদস্য প্রকৌশলী সুভাষ বড়–য়া, সিডিএর সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদ জহিরুল ইসলাম, সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৮১৮ ঘণ্টা,  নভেম্বর ২৮, ২০১১

Nagad
পায়ে পায়ে ৬৪ দিনে ৬৪ জেলা (পর্ব-৬৪)
বগুড়া-১, যশোর-৬ উপ-নির্বাচন: অনিয়মে জরিমানা ১ লাখ টাকা
করোনা: চট্টগ্রামে নতুন ১৬২ জনসহ মোট আক্রান্ত ১১১৯৩
ছোটপর্দায় আজকের খেলা 
৮ কোটি টাকার গরু নিয়ে প্রস্তুত নাহার ডেইরি ফার্ম


আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শেখ হাসিনার যত স্বীকৃতি
আইএস অনলাইনে সন্ত্রাসী নিয়োগের চেষ্টা করছে
সিউলের নিখোঁজ মেয়র পার্কের মরদেহ উদ্ধার
কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত, নারী চিকিৎসকসহ গ্রেফতার চার
সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক