php glass

নুসরাত হত্যার অন্যতম হোতা পৌর কাউন্সিলর মকসুদ গ্রেফতার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর মকসুদুল আলম

walton

ফেনী: ফেনীর সোনাগাজী ইসলামীয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর মকসুদুল আলম ও তার সহযোগী মো. জাবেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১০টায় কাউন্সিলর মকসুদুল আলমকে ঢাকা এবং তার সহযোগীকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। তথ্যটি  নিশ্চিত করেছেন পিবিআইয়ের ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মনিরুজ্জামান।

তিনি বলেন, আটকৃত দুই জনকে ফেনীতে আনা হচ্ছে  ‘এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে পরে জানানো হবে।’

এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই নোমানের দায়ের করা মামলার নামীয় আসামীরা হলো অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদদৌলা, পৌর কাউন্সিলর মকসুদুল আলম, প্রভাষক আবছার উদ্দিন, মাদরাসা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শামীম, সাবেক ছাত্র নুর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহম্মদ ও হাফেজ আবদুল কাদের।

এ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা সাত দিনের রিমান্ডে আছেন। এছাড়া ওই মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আবছার উদ্দিন এবং নুসরাতের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, নুসরাতের সহপাঠী ও মামলার প্রধান আসামী সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার ভাগনী উম্মে সুলতানা পপি ও আরেক মাদরাসা শিক্ষার্থী জোবায়ের আহমেদ এর ৫ দিন করে রিমান্ড চলছে।

এজাহারভুক্ত আসামীদের মধ্যে এখোনো পলাতক রয়েছেন, সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের ওই মাদ্রাসার ছাত্র শাহাদাত হোসেন শামিম, হাফেজ আবদুল কাদের ও নুর উদ্দিন।  

গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রে গেলে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। এর আগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানীর মামলা প্রত্যাহারের জন্য নুসরাতকে চাপ দেয় তারা।

পরে আগুনে ঝলসে যাওয়া নুসরাতকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় গঠিত হয় নয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড।

সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নত চিকিৎসার জন্য নুসরাতকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোরও পরামর্শ দেন তিনি। কিন্তু সবার প্রার্থনা-চেষ্টাকে বিফল করে বুধবার রাতে চলেই গেলো ‘প্রতিবাদী’ নুসরাত।

এদিকে, ওই ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, ২৭ মার্চ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা তার কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। তারই জেরে মামলা করায় নুসরাতকে আগুনে পোড়ানো হয়। ওই মামলার পর সিরাজ উদদৌলাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ০১৩৩ ঘণ্টা, ১২ এপ্রিল, ২০১৯ 
এসএইচডি/এমএমএস

ksrm
সোনালি আঁশেও কৃষকের ‘মুখভার’
কুমারখালীতে ভুয়া কাজির দণ্ড
নলছিটিতে স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দপ্তরি আটক
আটপাড়ায় শিশু ধর্ষণের মামলায় যুবক গ্রেফতার
কবিরহাটে চোরাই মোটরসাইকেলসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক


‘বন্দুকযুদ্ধে’ অটোচালক হত্যার প্রধান আসামির মৃত্যু
পাবনায় ২২ দিন বয়সী কন্যাশিশুকে বিক্রির চেষ্টা, আটক ৪
হবিগঞ্জে হাসপাতাল থেকে বাচ্চা চুরি, নারী আটক
ঝালকাঠিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ত্রিপুরার যুবকের মৃত্যুদণ্ড