৯০ দিন মেয়াদে বিভক্ত ডিসিসিতে প্রশাসক নিয়োগের বিধান

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি:রুবেল/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

নব্বই দিনের মধ্যে দিখণ্ডিত ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচনের সময় নির্ধারণ সাপেক্ষে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে এ সংক্রান্ত বিলের রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

ঢাকা: নব্বই দিনের মধ্যে দিখণ্ডিত ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচনের সময় নির্ধারণ সাপেক্ষে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে এ সংক্রান্ত বিলের রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

রোববার কমিটি বিলটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় কিছু সংশোধনী এনে চূড়ান্ত করে।

কমিটির পক্ষ থেকে আজ (রোববার) বিলের রিপোর্ট উত্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হলেও ছাপা না হওয়ায় তা সংসদে উত্থাপিত হয়নি।

জানা গেছে, আগামীকাল এ রিপোর্ট উত্থাপন করা হবে।

বিলে উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগের বিধান বহাল রেখে প্রথম শ্রেণীর পদমর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তার বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তা রাখা হয়েছে।

প্রশাসকের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ৯০ দিন এবং ওই সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। যদি কোনও প্রশাসক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে তিনি পদে অযোগ্য হবেন এবং নতুন প্রশাসক দায়িত্ব নেবেন। অর্থাৎ একই ব্যক্তি দু’মেয়াদে থাকতে পারবেন না।

স্থানীয় সরকার কমিটির সভাপতি রহমত আলীর অনুপস্থিতিতে কমিটির সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সংসদ মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘বিভক্ত ডিসিসির আইনে কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে বিলটি পাস হওয়ার পর গেজেট জারির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই মেয়াদে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘ওই প্রশাসকের দায়িত্ব থাকবে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করা। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে অপারগ হন, তাহলে নতুন প্রশাসক এসে নির্বাচন করবেন। এ প্রশাসকের মেয়াদও হবে ৯০ দিন।  এছাড়াও নতুন কোনও সিটি করপোরেশন গঠিত হলে গেজেট জারির পর থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করতে হবে।’

লিটন বলেন, ‘নবগঠিত সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে নির্বাচন করতে হবে ১৮০ দিনের ভতর। বিভক্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।’

তিনি বলেন, আজ (রোববার) রিপোর্ট উত্থাপন করা  হবে।
 
বিলটি পাস হলে বর্তমান ডিসিসি ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন’ এবং ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ নামে দু’টি জোনে বিভক্ত হবে। একই সঙ্গে তাক্ষণিকভাবে বর্তমান মেয়র ও কাউন্সিলররাও আর নিজ পদে বহাল থাকতে পারবেন না।

এর ফলে নতুন সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত যে কোনও উপযুক্ত ব্যক্তি কিংবা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।

ডিসিসিকে দু’ভাগ করার লক্ষ্যে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০১১’ গত ১৭ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পায়।

এরপর ৩১ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয় ২৩ নভেম্বর।

উত্থাপিত বিলটিতে বলা হয়েছে- ডিসিসির ১ থেকে ২৩, ৩৭ থেকে ৪৭ এবং ৫৪ ও ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হবে ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন’।

আর ২৪ থেকে ৩৬, ৪৮ থেকে ৫৩ এবং ৫৬ থেকে ৯২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হবে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’।

উল্লেখ্য, ডিসিসি ৯২টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।

বাংলাদেশ সময়: ২০০৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৭, ২০১১

Nagad
দুর্দান্ত জয়ে নতুন মাইলফলকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে মেয়র নাছিরের শোক
নেতারা বলছেন সাহেদ আওয়ামী লীগের কেউ না
পাটুরিয়া নৌরুট পারের অপেক্ষায় তিন শতাধিক ট্রাক
রামেক হাসপাতালে করোনা রোগীর মৃত্যু


বগুড়া-১, যশোর-৬ উপ-নির্বাচনের তদন্ত কমিটি গঠন ইসির
পায়ে পায়ে ৬৪ দিনে ৬৪ জেলা (পর্ব-৬৪)
বগুড়া-১, যশোর-৬ উপ-নির্বাচন: অনিয়মে জরিমানা ১ লাখ টাকা
করোনা: চট্টগ্রামে নতুন ১৬২ জনসহ মোট আক্রান্ত ১১১৯৩
ছোটপর্দায় আজকের খেলা