ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু: প্রথম দিনে ভীড় কম

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দেশের সবগুলো স্টেশনে মঙ্গলবার সকাল নয়টা হতে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রির প্রথম দিনে ঈদের কমপক্ষে পাঁচদিন আগের টিকেট বিক্রি হওয়ায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে তুলনামূলক কম ভীড় ছিল লক্ষ করা গেছে। তবে টিকেট প্রত্যাশীদের অনেকে সময় মতো টিকেট পেতে রেল স্টেশনেই রাত কাটান। 

php glass

ঢাকা: পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দেশের সবগুলো স্টেশনে মঙ্গলবার সকাল নয়টা হতে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রির প্রথম দিনে ঈদের কমপক্ষে পাঁচদিন আগের টিকেট বিক্রি হওয়ায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে তুলনামূলক কম ভীড় ছিল লক্ষ করা গেছে। তবে টিকেট প্রত্যাশীদের অনেকে সময় মতো টিকেট পেতে রেল স্টেশনেই রাত কাটান।  

রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রির কাজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শনিবার পর্যন্ত চলবে। এ সময় বিক্রি করা হবে সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ হতে ৯ তারিখের ট্রেনের টিকেট।

কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো: সৈয়দুজ্জামান বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানান, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ওই দিনের টিকেট এখনই বিক্রি করা হচ্ছে না। তবে ওইদিন ঈদ না হলে রেল কর্তৃপক্ষের বিশেষ ব্যবস্থায় ১০ সেপ্টেম্বরের টিকেট আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বিক্রি করা হবে ।

রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, অগ্রিম টিকেটের জন্য এবার রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীর নাম, যাত্রার তারিখ, ট্রেনের নাম, শ্রেণী, কাক্সিত আসন সংখ্যা, ফোন নম্বর এবং ঠিকানা সম্বলিত একটি বুকিং কুপন সরবরাহ করছে, যা জমা না দিলে টিকেট দেওয়া হবে না। এ বছর একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কিনতে পারবেন।

এদিকে মঙ্গলবার টিকেট বিক্রির প্রথম দিন কমলাপুর রেলস্টেশনের অধিকাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী। তবে ঈদের ঝক্কিঝামেলা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য পরিবারকে আগেভাগে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়ার জন্যও অনেকে কাটছেন পাঁচ দিন আগের টিকেট।

বেসরকারি একটি ফার্মে চাকুরিজীবী মো. রাশেদুল হাসান কমলাপুর রেলস্টেশনে প্রথম দিকেই টিকেট পাওয়া সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের একজন। তিনি জানালেন, সোমবার সন্ধ্যা ছয়টা হতে তিনি স্টেশনে বসে থেকে মঙ্গলবার সকালে টিকেট পান। পরিবারের ঈদের কেনাকাটা এখনও হয়নি জানিয়ে রাশেদুল বলেন, আগে ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করা পরে কেনাকাটা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সন্দ্বীপ সোমবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটা হতে স্টেশনে বসে থেকে মঙ্গলবার সকাল সোয়া নয়টায় খুলনার প্রথম শ্রেণীর টিকেট পাওয়ার সাথে সাথে বন্ধুদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করলেন ।  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। গতকাল বন্ধ হয়েছে তাই আজ সকালেই পাঁচ তারিখের টিকেট কাটতে এসেছি। আম্মুকে নিয়ে ওইদিনই চলে যাব,আব্বু পরে আসবেন।’

তবে টিকেট বিক্রির প্রথম দিন কালোবাজারিদের খুব একটা দৌরাত্ম্য ছিল না বলে জানালেন ক্রেতারা। এমনকি লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে কিছু টাকার বিনিময়ে টিকেট কিনে দেওয়া চক্রেরও দেখা পাওয়া যায়নি।

তবে এ অবস্থা টিকেট বিক্রির আগামীদিনগুলোতেও থাকবে কিনা সে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

বেসরকারি একটি আমদানী-রপ্তানী প্রতিষ্ঠানে চাকুরিজীবী মো. বাকীবিল্লাহ জানান, অতিরিক্ত দামে টিকেট কাটতে হয়নি, রাতে কালোবাজারীদের ঝামেলা ছিল না, সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কিনে ফেললাম। প্রত্যেকবার টিকেট বিক্রির প্রথম দিন এরকমই থাকে। তবে বিক্রির শেষদিন এবং যাত্রার শুরুর দিন থেকে কালোবাজারীদের দৌরাত্ম্যে টেকা যায় না।

এ প্রসঙ্গে স্টেশন মাস্টার মো. সৈয়দুজ্জামান জানান, এ বছর টিকেটের কালোবাজারী ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও রেল কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও নিজেদের দায়িত্বের অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ সময় : ১৩১৫ ঘন্টা, আগস্ট ৩১, ২০১০।

এক্সিম ব্যাংকের কুমিল্লা অঞ্চলের গ্রাহক সমাবেশ 
বিআরটিএ’র বিভিন্ন পদে নিয়োগ
আফগানিস্তানে জোড়া বোমা হামলায় নিহত ৪
খাল দখল করে ভবন নির্মাণ করায় দণ্ড
মানবাধিকার সমুন্নত করতে সরকার কাজ করছে


সিরিয়ায় আইএসের ‘খেলাফতের সমাপ্তি’ ঘোষণা
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ কংগ্রেসের
মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
খাগড়াছড়িতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স
শিবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ১