রামগড়ে জনসংহতি সমিতির কর্মীকে গুলি করে হত্যা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নিহত মোহনের নিথর দেহ, ছবি: বাংলানিউজ

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ির রামগড়ে মোহন ত্রিপুরা (৩০) নামে জনসংহতি সমিতির এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত মোহন ত্রিপুরা মাটিরাঙ্গার কালাচন্দ্র মহাজনপাড়া এলাকার কৃষ্ণ ত্রিপুরার ছেলে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা গ্রুপ)’র রামগড় থানা কমিটির সদস্য।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে রামগড়ের জগন্নাথ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জন্য প্রসিত খীসার ইউপিডিএফকে দায়ী করেছে সংগঠনটি।

জানা যায়, রাতে রামগড়ের জগন্নাথপাড়া এলাকায় জৈনক প্রবেশ ত্রিপুরার বাসায় ঢুকে কয়েকজন দুর্বৃত্তরা মোহনকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক রতন খীসা বাংলানিউজকে জানান, নিহতের পেটে তিনটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার জন্য ইউপিডিএফ’কে দায়ী করেছে জনসংহতি সমিতি। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, ‘ইউপিডিএফ যে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন তা বারে বারে প্রমাণ দিচ্ছে। একের পর এক আমাদের নেতাকর্মীদের তারা হত্যা করছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ির জেলা সংগঠক মাইকেল চাকমা।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এই ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়: ২১৩১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৪, ২০১৯
এডি/এএটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: হত্যা খাগড়াছড়ি
একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুটম্যাপ
১৭৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন
টাঙ্গাইলে বালু উত্তোলন বন্ধ করলো দুদক
পাঠক বেড়েছে বইমেলায়
বইমেলায় ইমদাদুল হক মিলনের ‘একাত্তর ও একজন মা’


ঢাকায় আসছে জার্মান সংসদীয় প্রতিনিধি দল   
হরিপুরের ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত: বিজিবির মহাপরিচালক
ঘটনার পেছনের ঘটনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ নওফেলের
ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে নিয়োগ
ধুনটে আ’লীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে আহত ১৩