খাদ্য আদালত প্রতিষ্ঠা কেন প্রয়োজন বুঝতে পারছি না: আইনমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাজারে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের ছড়াছড়ি। ক্ষতিকর রাসয়নিক মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে এসব খাবার। কাঁচা পেঁপে কিনে পাকানো হচ্ছে বিষাক্ত রাসয়নিকে। একই ব্যবস্থায় পাকছে কলা, আনারসসহ বিভিন্ন ফল। ফরমালিন মিশিয়ে টাটকা রাখা মাছ বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা: বাজারে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের ছড়াছড়ি। ক্ষতিকর রাসয়নিক মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে এসব খাবার। কাঁচা পেঁপে কিনে পাকানো হচ্ছে বিষাক্ত রাসয়নিকে। একই ব্যবস্থায় পাকছে কলা, আনারসসহ বিভিন্ন ফল। ফরমালিন মিশিয়ে টাটকা রাখা মাছ বিক্রি হচ্ছে। মসলাসহ বিভিন্ন রান্নাসামগ্রীতে মেশানো হচ্ছে টেক্সটাইল ডাই।

এসব অনিয়ম রোধে সরকার নামকাওয়াস্তে চালাচ্ছে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান।

অথচ এসব অনিয়ম স্থায়ী ভাবে রোধ করতে এক বছর আগেই উচ্চ আদালত প্রতিটি জেলায় খাদ্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং পাবলিক এনালিস্ট (খাদ্য বিশেষজ্ঞ) নিয়োগের আদেশ দেন।

আদালতের সে নির্দেশ মানার ব্যাপারে কোনোই অগ্রগতি নেই। খোদ আইনমন্ত্রী নিজেই এ ব্যাপারে কিছু জানেন না।

আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, ‘আমি বিষয়ে কিছুই জানি না। না জানা বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতেও রাজি নই।’

তিনি বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘সকল জেলায় খাদ্য আদালত প্রতিষ্ঠার কেনো প্রয়োজন পড়ল তা আমি বুঝতে পারছিনা।’

তবে ভেজাল প্রতিরোধে আদালত ভ্রাম্যমান আদালতকে এবং ফৌজদারী আদালতকে বিশেষ ক্ষমতা দিতে পারে বলে মত দেন আইনমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২০ জুন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) দায়ের করা রিট আবেদনের নিষ্পত্তি করে প্রতিটি জেলায় খাদ্য আদালত গঠন এবং খাদ্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগের নির্দেশ দেন। জনগণের কল্যাণে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, খাদ্যের মান বজায় রাখাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এ আদেশ দেওয়া হয়।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এখনও এ ধরনের আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য কোন সুপারিশই গ্রহণ করা হয়নি।

তবে এ ব্যাপারে ঢাকায় দেশের একমাত্র খাদ্য আদালতের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানায়, উচ্চ আদালতের  ওই রায়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়কে রায় বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর একটিমাত্র সমন্বয় সভা হয়। এরপর থেকে খাদ্য আদালত বিষয়ে আর কোনো কার্যক্রম নেই।
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ এ বিষয়ে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে আরও বলেন, ‘আদালতের রায় বাস্তবায়ন করাতো আইন মন্ত্রণালয়ের কাজ না। আদালত যখন যাকে রায় বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয় সেই তা বাস্তবায়ন করবে। এ ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রনালয়ের কিছু করার নেই।’

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, ‘আদালতের রায় সাধারণত বাস্তবায়ন করে থাকে আদিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ। তবে অনেক রায় বাস্তবায়ন করতে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে আবার রায় বা নির্দেশনা বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তেরও প্রয়োজন হয়।’

ওই মামলার বাদী এইচআরপিবি’র মহাসচিব ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, ‘এক বছর হয়ে আসলেও এখনো জেলা পর্যায়ে খাদ্য আদালত প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ভেজাল প্রতিরোধে অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা এবং পাবলিক এনালিস্ট নিয়োগের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।’

বাংলাদেশ সময় ১৭০৫, ২৩ আগস্ট ২০১০

কক্সবাজারে ১০১ ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে অভিযোগত্র দাখিল
শিক্ষককে মারধর, ভালুকা উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা
বগুড়ায় দুদকের মামলায় পৌর মেয়রসহ পাঁচজন কারাগারে
নগরবাসী পরিবর্তন চায়: হাজী মিলন
রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু


ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করল এনআরবিসি ব্যাংক
বুধবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন তাবিথ
মৌসুমের বাইরে লবণ চাষিদের বিকল্প পেশার ব্যবস্থা করা হবে
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ৯.২ ডিগ্রি, ঠাণ্ডায় কাহিল জনজীবন
বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে চবি ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ