ঢাকা, বুধবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০, ২১ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঝালকাঠির পশুর হাটগুলো

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৯২৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৭
শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঝালকাঠির পশুর হাটগুলো

ঝালকাঠি: শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন স্থানে থাকা কোরবানির পশুর হাটগুলো।

শুক্রবার (০১ সেপ্টেম্বর) হাটগুলোতে দেখা যায় ক্রেতারা তাদের সাধ্য অনুযায়ী পছন্দের গরু খুঁজছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত বছরের চেয়ে এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি।

স্থানীয় খামারি ও চাষীদের বলদ ও ষাড় গরুর পাশাপাশি হাটগুলোতে কুষ্টিয়া, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলের গরু আমদানি করা হয়েছে।

ক্রেতারা বাংলানিউজকে জানান, গরুর দাম অনেক বেশি, হাটে আমদানি না বাড়লে চড়া দামেই গরু কিনতে হতে পারে। তবে শেষ হাটে গরুর দাম কমতে পারে বলে অনেকের ধারণা।

এদিকে ব্যবসায়ীরা ‍জানান, আগে থেকেই বেশি দামে দেশি গরু কিনে আনতে হয়েছে। আর সে দামের ওপরে বিক্রি করতে না পারলে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী মনির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, স্থানীয় খামারির পাশাপাশি ব্যাপারীরা গরু এনে জেলার হাটগুলোতে এনেছেন। যেখানে সর্বনিম্ন ৪০ হাজার থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গরু রয়েছে। অনেকে শুরুর দিন থেকেই পশু বিক্রি করতে পেরেছেন। অনেকে আবার শেষ দিনের আশায় রয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবার হাটে বিক্রি ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ঝালকাঠি জেলার প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে জানান, স্থানীয় বাজারগুলোতে মনিটরিং করা হচ্চে। রোগাক্রান্ত কোনো পশু বাজারে উঠালে তা চিহ্নিত করা জন্য মোবাইল টিম রয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলার চার উপজেলায় ছয়টি অস্থায়ী হাটসহ অর্ধশতাধিক হাট রয়েছে। যার বেশিরভাগ স্থানেই কোরবানির পশু বিক্রি হচ্ছে। স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। জাল নোট সনাক্তকরণ মেশিন বসানো হয়েছে। প্রাণি সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে ক্যাম্প বসানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫১৬ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৭
এমএস/এনটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa