ঢাকা, বুধবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০, ২১ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর দাম এখন পর্যন্ত কম

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৪১ ঘণ্টা, আগস্ট ২৮, ২০১৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর দাম এখন পর্যন্ত কম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর দাম এখন পর্যন্ত কম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: কোরবানির ঈদের আর বাকি মাত্র চারদিন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে গতবারের তুলনায় এবার দাম অনেকটাই কম বলে দাবি গরু ব্যবসায়ীদের। উত্তরাঞ্চলে বন্যার কারণে গরুর আমদানিও কমে গেছে।  

ঈদ যতোই এগিয়ে আসছে, হাটগুলোতে ততোই বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়। জেলার প্রায় ৪০টি ছোট-বড় হাটে গরু, ছাগল ও মহিষ বিক্রিও বাড়ছে।

পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হয়রানি রোধে পুলিশ প্রশাসনও জেলার সবগুলো হাটে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিচ্ছে। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য তৎপর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, গরুর আমদানির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতিও। সাধ ও সাধ্যের সমন্বয়ে পছন্দের কোরবানির পশু কিনতে হাটের একদিক থেকে অন্যদিকে ঘুরছেন তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর দাম এখন পর্যন্ত কমউত্তরাঞ্চলে বন্যার কারণে সেখান থেকে এ বছর কোরবানির পশুর আমদানি অনেকটাই কমে গেছে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, জেলার কোরবানির চাহিদা পূরণে জন্য প্রায় ৬০ হাজার গরু-মহিষ-ছাগল প্রস্তুত আছে।

আশুগঞ্জ উপজেলার চারতলা হাটে গরু কিনতে আসা মো. আনোয়ার মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, ‘বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখছি। এবার আগের তুলনায় দাম কিছুটা কম থাকায় মধ্যবিত্তদের হাতের নাগালেই থাকবে বলে মনে হচ্ছে’।

গরু-মহিষ বিক্রেতা মো. ইকবাল বলেন, ‘এবার গত বছরের তুলনায় দাম অনেকটাই কমে গেছে। এ অবস্থা থাকলে অনেকটাই লোকসান গুণতে হবে। মনে হচ্ছে, উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রভাব পড়েছে এ এলাকার কোরবানির হাটগুলোতে’।  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর দাম এখন পর্যন্ত কমজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন জানান, প্রতিটি পশুর হাটে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একদল পুলিশ তিনবেলাই দায়িত্ব পালন করছেন। মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টির খপ্পর থেকে জনসাধারণকে রক্ষায় সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যরাও নিয়োজিত আছেন। জেলার মহাসড়কগুলোতে পশুবাহী ট্রাক বা পিক-আপ ভ্যানগুলো যেন হয়রানির শিকার না হয়- সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গণেশ চন্দ্র মণ্ডল জানান, জেলার সবগুলো হাটে ৩৩টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। হাটগুলোতে অসুস্থ পশু যেন বিক্রি না হয়- সেদিকে নজরদারিও করছেন তারা।

বাংলাদেশ সময়: ২১৩০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৮, ২০১৭
এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa