ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ আগস্ট ২০২০, ২৩ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

বর্জ্য পরিষ্কার না হলে কল করুন হটলাইনে: সাঈদ খোকন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৭৫০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৮, ২০১৭
বর্জ্য পরিষ্কার না হলে কল করুন হটলাইনে: সাঈদ খোকন মতবিনিময় সভায় মেয়র সাঈদ খোকন-ছবি-শাকিল আহমেদ

ঢাকা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাস্তা, অলি-গলি ও বাসাবাড়ির সামনে থেকে কোরবানির বর্জ্য পরিচ্ছন্নকর্মীরা না নিয়ে গেলে সিটি করপোরেশনের হটলাইনে (০৯৬১১০০০৯৯৯) কল করে অভিযোগ করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন।

সোমবার (আগস্ট ২৮) রাজধানীর নগর ভবনে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান তিনি।

মেয়র বলেন, কোরবানিতে এই শহরে প্রায় ২ লাখ পশু জবাই করা হয়।

এই বিপুল পরিমাণ পশু থেকে অন্তত ২৫ হাজার টন বর্জ্য নির্গত হয়। এই বর্জ্যের কারণে শহরের পরিবেশ নষ্ট হতো, রোগ-বালাই ছড়িয়ে পড়তো। কিন্তু গত ২ বছর ধরে সফলতার সঙ্গে কোরাবানি পশুর বর্জ্য সফলতার সঙ্গে অপসারণ করতে পেরেছি।

সাঈদ খোকন আরও বলেন, এবারও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করতে সাড়ে ১২ হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী প্রস্তুত রয়েছে। কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ের মধ্যেই পরিষ্কার করে নাগরিকদের পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেবো।

মেয়র বলেন, তারপরও যদি কোনো জায়গায় বর্জ্য পড়ে থাকে তবে আমাকে ফোনে জানাবেন। ফোনে যদি যোগাযোগ করতে না পারেন, তবে ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমাকে অভিযোগ করবেন। আমি সর্বশক্তি নিয়ে প্রস্তুত আছি। এবার আমি ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মনিটরিং করবো।

গরু ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র বলেন, কোরবানি শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় বিধান নয়, এটি এখন আমাদের কাছে একটি বড় উৎসবে পরিণত হয়েছে। কোরবানি হাটে অসুস্থ, রুগ্ন এবং জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো পশু বিক্রির জন্য আনবেন না। যদি কোনো ব্যবসায়ী এই ধরনের পশু হাটে আনেন তাহলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুসারে তাদের জেল-জরিমানা করা হবে।

মতবিনিময় সভায় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর শফিকুল ইসলাম, সচিব সাহাবুদ্দিন খান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জে. ড. শেখ সালাউদ্দিনসহ ওয়ার্ড কমিশনাররা বক্তব্য রাখেন।

নগরবাসীর উদ্দেশে সাঈদ খোকন বলেন, সিটি করপোরেশন নির্ধারিত ৬২৫টি স্থানের কোরবানি করুন। এই জন্যে দেড় লাখ ব্যাগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্থানে একজন করে ইমাম ও কসাই রাখা হয়েছে। কোরবানির পশুর বর্জ্যগুলো নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। এর বাইরে যদি বাসায় কোরবানি দেন তবে কোরবানির পর পশুর রক্ত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। বর্জ্যগুলো নির্ধারিত জায়গায় ফেলুন।

পশুর রক্ত ও অন্যান্য বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করতে প্রত্যেক কাউন্সিলরের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পলিথিন ব্যাগ, ব্লিচিং পাউডার ও হ্যান্ড ওয়াশ সহ যাবতীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান মেয়র সাঈদ খোকন।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫১ ঘণ্টা, আগস্ট ২৮, ২০১৭/আপডেট: ১৬২২ ঘণ্টা
এমএফআই/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa