কমলনগরে ‘গলাফোলা’ রোগে দু’শতাধিক মহিষের মৃত্যু

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীবক্ষে জেগে ওঠা চরসামছুদ্দিন ও বাহিরের চরের চারণভূমিতে মহিষ বাথানে মহামারি আকারে ‘গলাফোলা’ রোগের বিস্তার দেখা দিয়েছে।

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর): লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীবক্ষে জেগে ওঠা চরসামছুদ্দিন ও বাহিরের চরের চারণভূমিতে মহিষ বাথানে মহামারি আকারে ‘গলাফোলা’ রোগের বিস্তার দেখা দিয়েছে।

গত দুই সপ্তাহে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধিক মহিষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে।

জানা যায়, উপজেলার মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা চরকালকিনি ইউনিয়নের চরসামছুদ্দিন ও বাহিরের চরে ২০০০ মহিষ রয়েছে। চরকালকিনি, চরফলকন, চরজগবন্ধু ও পাটারীরহাট এলাকার মহিষ মালিকদের নিয়োগকৃত বাথাইন্যারা (রাখাল) ওই চরে মহিষগুলো লালন-পালন করছেন।

রাখাল ও মহিষ মালিকরা জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে এ রোগে ওই দুটো চরের দুই শতাধিক মহিষ মারা গেছে। এ রোগে আক্রান্ত মহিষগুলোর প্রথমে মুখ ও পেট ফুল যায়, মুখ দিয়ে লাল পড়ে এবং গায়ে প্রচন্ড জ্বর থাকে। এ রোগ আক্রান্ত হওয়ার ১০-১২ ঘণ্টা পর মহিষগুলো মারা যায়।

মহিষ মালিক চরকালকিনি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গত দু’সপ্তাহ ধরে রোগটির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। হঠাৎ জ্বর ওঠে গলাফুলে গিয়ে দু’সপ্তাহে তার মালিকানার ২৬টি, হোসেন মিয়ার ১৪টি, শরিয়ত উল্যা মিয়ার ১০টি, কাদির বেপারির ১০টি, কদু হাজির ১১টি, মনু মালের পাঁচটি, মহিউদ্দিন মিয়ার ১৩টি ও হাজী এছহাকের আটটি ও হাসান মিয়ার ১৫টিসহ বিভিন্ন মালিকের ছোট-বড় ও বাছুরসহ প্রায় দুই শতাধিক মহিষ মারা গেছে। অর্থ উপার্জনের জন্য পোষা এসব গবাদি পশুর অকাল মৃত্যুতে মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

এদিকে সোমবার ঢাকা থেকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রাণি স্বাস্থ্য ও প্রশাসন) ডা. মোছাদ্দেক হোসেনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
 
পরিদর্শন শেষে বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান ডা. মোছাদ্দেক হোসেন বাংলানিউজকে জানান, এর আগে সংগৃহীত মৃত মহিষের নমুনা কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা ও সরেজমিনে বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এটি গবাদি পশুর একটি সংক্রামক ব্যাধি ‘গলাফোলা’ রোগ।   

তিনি আরো জানান, কমলনগর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুল মান্নান মিয়া ও সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জ্যোতির্ময়সহ স্থানীয় জনবল সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে ফলোআপ করছেন।
 
কমলনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুল মান্নান বাংলানিউজকে জানান, সেখানে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনসহ বিভাগীয় ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১০৫১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১১

‘দুর্নীতি ঘটলেই আইনি ব্যবস্থা’ 
করোনা: চট্টগ্রামে নতুন আক্রান্ত ২০৬ জন
কবি অ্যালেন গিন্সবার্গের জন্ম
এবার মেয়র আরিফের স্ত্রী করোনা পজিটিভ
বগুড়ায় ডোবা থেকে ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার


ফটিকছড়িতে সার্ভেয়ারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামের তিন বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক
ঘোষিত প্যাকেজ বাস্তবায়নে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের নির্দেশ
না'গঞ্জ জেলা কারাগারে আক্রান্ত ৩৪, সুস্থ ১০
আল্লামা হাশেমীর মৃত্যুতে সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর শোক