অসংক্রামক ব্যাধি

বিশেষজ্ঞ নন, জাতিসংঘ সম্মেলনে যাচ্ছেন আমলারা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

অসংক্রামক ব্যাধি (নন-কমিউনিকেবল ডিজিজেস) বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে অসংক্রামক ব্যাধির কোনও বিশেষজ্ঞ যাচ্ছেন না। বরং যাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।  দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

ঢাকা: অসংক্রামক ব্যাধি (নন-কমিউনিকেবল ডিজিজেস) বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে অসংক্রামক ব্যাধির কোনও বিশেষজ্ঞ যাচ্ছেন না। বরং যাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।  দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক। অন্য দুজন হলেন যুগ্মসচিব (প্রশাসন) আশরাফুল ইসলাম ও এপিএস মো.মোসায়েদ আলী।

আগামী ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুদিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। উচ্চ  পর্যায়ের এ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অংশ নেবেন।

অসংক্রামক ব্যাধি বিয়ষক এ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কাউকে অন্তর্ভূক্ত না করে শুধুমাত্র মন্ত্রীর এপিএস হওয়ার সুবাদে এপিএস মো.মোসায়েদ আলীর নাম এবং যুগ্মসচিব আশরাফুল ইসলামকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ অসংক্রামক ব্যাধি নিরসনে কতটুকু আন্তরিক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে---এমন অভিমত সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেছেন, এ ধরনের উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে অসংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ করা উচিত। তাদের বাদ দিয়ে ভ্রমণানন্দ দিতে কয়েকজনকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্বস্বাস্থ্য সম্মেলনে স্মারক বক্তা হিসেবে শেখ হাসিনা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহবান জানান।
‘অসংক্রামক রোগের ঝুকিপূর্ণ আচরণ সমূহের জরিপ ২০১০’ থেকে জানা যায়,  রাজধানীসহ সারাদেশে অসংক্রামক ব্যাধি বা নন-কমিউনিকেবল ডিজিজেস (এনসিডি) এর প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে!

বিগত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান অনুসারে দেশে প্রতি বছর মানুষ হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ব্রেনস্ট্রোক, ইনজুরি, কিডনি জটিলতা, মানসিক সমস্যা, আর্সেনিক, অন্ধত্ব, থেলাসেমিয়া ও অর্থোপেডিকসসহ বিভিন্ন অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্তের হার বাড়ছে।

এনসিডি শুধু বাংলাদেশেই নয় ক্রমেই বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ স্বাস্থ্যসমস্যা হিসেবে আর্বিভূত হচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘ অধিবেশনে সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রায় (এমডিজি) নতুন করে অসংক্রামক ব্যাধি অন্তর্ভূক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে যত সংখ্যক রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাদের শতকরা ২৭ ভাগই অসংক্রামক ব্যাধির আক্রান্ত। আর সার্বিকভাবে  জনস্বাস্থ্য সমস্যায় যত রোগী মারা যায় তার শতকরা ২৫ ভাগ এ রোগের রোগী। তাই এনসিডি মোকাবেলায় নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জোর চিন্তাভাবনা চলছে।

জানা গেছে বর্তমানে প্রতি বছর দেশে এনসিডিতে যত রোগী মারা যায় তাদের মধ্যে হৃদরোগে শতকরা ১২ দশমিক ৫ ভাগ, ডায়াবেটিসে ৯ ভাগ, ক্যান্সারে ৩ দশমিক ৭ ভাগ, সিওপিডিতে ৩ ভাগ, ব্রেন স্ট্রোকে ২ ভাগ ও আঘাতজনিত কারণে ২ ভাগ রোগী মারা যায়।

এ ব্যাপারে মন্ত্রী আফম রুহুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ সময় ১৮১৪; ৫ সেপ্টেম্বর ২০১১

মুসল্লিদের জন্য খুলছে মসজিদে নববীর দুয়ার
প্লাজমা দিয়েও বাঁচানো গেল না করোনা রোগী
শর্ত মেনে করতে হবে নাটকের শুটিং
শাহ আমানত বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রস্তুতি
টানা দ্বিতীয়বার সবচেয়ে দামি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ


রাজাপু‌রে পু‌লিশ‌কে কু‌পি‌য়ে জখম
করোনায় শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের ইমামুল কবীরের মৃত্যু
ফ্লয়েডের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না ওবামা
সোনাইমুড়ীতে ২৭টি অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২ 
করোনায় ভারতে নতুন আক্রান্ত ৭৯৬৪, মৃত্যু ২৬৫ জনের