মৃত্যুর এতো কাছে, এতো কাছের মৃত্যু!

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

গেল দু’বছর কেটেছে ভয়াবহ। বেশ ক’জন ঘনিষ্ট মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যোগত্যার বিচারে সবাই ছিলেন মেধাবী ও অনন্য।  তরতাজা তারুণ্যগুলো এভাবে অকালে ঝরে যাবে! পুরো ব্যাপারটা এতোই অপ্রত্যাশিত!

[৬ সেপ্টেম্বর, অনুজপ্রতিম বন্ধু কবি-সাংবাদিক আহমেদ ফারুক হাসানের মৃত্যুবার্ষিকী। ফারুকের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি]

গেল দু’বছর কেটেছে ভয়াবহ। বেশ ক’জন ঘনিষ্ট মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যোগত্যার বিচারে সবাই ছিলেন মেধাবী ও অনন্য।  তরতাজা তারুণ্যগুলো এভাবে অকালে ঝরে যাবে! পুরো ব্যাপারটা এতোই অপ্রত্যাশিত! হতভম্ব সত্যি। কানের পাশ দিয়ে গুলি যাবার মতো মৃত্যু এতো কাছে? আমরা মৃত্যুর এতো কাছাকাছি থাকি! মনে হয়েছে মধ্যরাতে জীবনের দুয়ারে মৃত্যু কড়া নেড়ে জানান দিয়ে গেলো, সময় হয়েছে ভাই, উঠে পড়ুন, আমি এসে গেছি, অবিকল কৈশোরের সেহেরীর হাঁক-ডাক, ‘উঠেন ভাই উঠেন, সময় হয়ে গেছে’।

মৃতদের অন্যতম একজন কবি আহমেদ ফারুক হাসান। বয়সে অনুজপ্রতিম বন্ধু। মেধা-মনন ও যোগ্যতায় অগ্রজপ্রতিম সুহূদ। ফারুক সংবাদপত্রকে ভালোবেসেছিলেন জীবন-জীবিকার তাগিদে নয়- সত্য উচ্চারণের অভিপ্রায়ে, মানুষের কল্যাণে নিজকে নিবেদনের মহতী প্রেরণায়। সদা হাস্যমূখ ফারুকের জিহ্বা ছিলো ক্ষুরধার। ভালো পেন্টিংয়ের ছবিগুলোতে হাসি যেভাবে স্হির ও প্রাণবন্ত থাকে, ফারুকের দিলখোলা হাসি ছিলো সেরকম ভাস্বর। অপ্রিয় সত্য উচ্চারণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছিলোনা ফারুকের। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর ব্যামো ছিলো অস্হি-মজ্জায়।

মৃত্যু এক অমোঘ নিয়তি, হয়তো জীবনের পূর্ণতা প্রাপ্তির সনদপত্র। মৃত্যু এই নশ্বর পৃথিবীর প্রিয় মানুষগুলোর সাথে ‘আল-বেদা’। প্রিয় ফুল-রং-পাখি-সোনালী আকাশ, ঘন বর্ষার ঘনঘটা থেকে নিজকে চির আড়াল করে নেয়া। মৃত্যুর সাথে আমার বোধ করি একধরনের সখ্যতা আছে। একাত্তুরের সদ্য কৈশোর চোখে দেখেছি সারিবাঁধা লাশ। লালখান বাজার আর বাটালী হিলের কোন ঘেষানো বিরান মতিঝর্ণার পাহাড়ে স্কুলের সহপাঠী ও প্রতিবেশীদের লাশ কুকুরে কামড়াতে দেখেছি। অথচ সেই বয়সে আমার ধ্যান-জ্ঞান-প্রেমে ছিলো কিশোরের স্তনযুগল দর্শন। পাক হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের ফেলে যাওয়া চিহ¡ দেখে ভয় পেয়েছি, প্রাণ বাঁচানোর দুঃশ্চিন্তায় হাঁটার পথ দৌঁড়ে পেরিয়েছি তবে কাঁদতে পারিনি, কান্না আসে নি।

সীমান্তসংলগ্ন গ্রামের বাড়ীর কাছাকাছি প্রায় পাওয়া যেতো মুক্তিযোদ্ধাদের শিয়ালে-কুকুরে খাওয়া মৃতদেহ। এপ্রিলের মাঝামাঝি বড় ভাই যখন দেশ স্বাধীনের দৃপ্ত শপথে সীমান্তের ওপারে পাড়ি জমান, তখন বড় ভাইর জন্যে আমার গর্বে বুক ফুল উঠলেও পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই বাবাকে দেখেছি, ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে। পনেরো বছরের মাইনাস আট চশমার মেঝ ছেলেকে নিয়ে মা পাড়ি জমান বাপের দেশের জলাভূমিতে। বাবা নিশ্চিন্ত হতে পারেন না- অন্ততঃ বংশ রক্ষার জন্যে একটি ছেলে হলেও বেঁচে থাকুক, এই দুরন্ত প্রত্যাশায় আমাকে পাঠিয়ে দেন প্রিয় শ্যালকের কাছে, হানাদার বাহিনীর দূর্গে- পাক রাজধানী ইসলামাবাদে। প্রবাদ আছে, ঘূর্ণিঝড়ের উৎসে বাতাস নীরব-নিথর হয়।

একাত্তরের তেরো ডিসেম্বর ভারতীয় বোমারু বিমানগুলো যখন মাথা ছুঁই ছুঁই উচ্চতা থেকে রাওয়ালপিন্ডিসহ রাজধানীর  কাছাকাছি শহরগুলোতে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা বর্ষণ করছিলো, তখন মৃত্যুভয় পেয়েছিলাম কিন্তু সেই মৃত্যুভয় ছাপিয়ে গিয়েছিলো পাক-বাহিনী পরাজিত হতে যাচ্ছে এই ভাবনা। সেই বয়সে স্বাধীনতা বুঝতাম না, বোঝার কথাও নয়। কেবল বুঝতাম স্বাধীনতা মানে বড় ভাই বাড়ী ফিরবে, দেখবোনা আর কোনো লাশ, দেখবোনা কোনো অপঘাতের মৃত্যু। কত ভ্রান্ত ও রোমান্টিক ছিলাম !

স্বাধীনতা আমাকে পাক-রাজধানীতে রেখেছে গৃহবন্দী আর আমার প্রিয় পরিবার আছে স্বাধীন বাংলাদেশে। অন্য দেশের মাধ্যমে চিঠি পত্রের দীর্ঘ বিলম্বিত যোগাযোগই ছিলো ‘এলাহী ভরসা’। পরিবারের টানে, বোঝার-অতীত স্বাধীনতার টানে কাবুল-দিল্লী হয়ে যশোর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকি তিয়াত্তুরের দোসরা জানুয়ারি। নিজের কাংখিত মাটিতে পা’রেখেই শুনি, হরতালের কারণে কোনো যান-বাহন বেনাপোল থেকে যশোর যাবেনা। কারণ আবারো একই- মৃত্যু। স্বাধীন বাংলাদেশে পুলিশের গুলিতে প্রথম ছাত্রের মৃত্যু। অবাক হয়েছি, স্বাধীন বাংলাদশেও পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় সাধারনের! বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশেও ছাত্র নিহত হয় খাকি পোষাকধারী পুলিশের গুলিতে!

দূর্ভাগা যান-বাহনের ধকলে নাকাল আমি বারো জানুয়ারী সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে পোঁছি। গ্রামের বাড়ীতে আমাদের কখনো থাকা হয়নি, হয়না, জানতাম গ্রামের বাড়ি মানেই দাদার বাড়ি, সেখানে দাদা-দাদীর মতো বাতিল পরিবার থাকেন। বাড়িতে পৌঁছানো মাত্র দুই ভাইয়ের আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরার উষ্ণতায় প্রথমবারের মতো বুঝতে পেরেছিলাম, ভাই কেমোন হয়, ভাইকে হারালে কিংবা ফিরে পেলে কেমন লাগে। সপ্তাহ খানেকেরও বেশী মৃত্যু সাথে পাঞ্জা লড়া বাবা ‘কমা’র ঘর ছেড়ে সেইরাতেই ‘ফুলস্টপ’ হলেন। দাদী-ফুফু-মা-ভাইদের আহাজারিতেও বুঝিনি কি সর্বনাশ হয়ে গেলো। পরদিন বাদ জোহর বাবার দাফনের সময় যখন ফৌজদার হাট ক্যাডেট কলেজের গর্বিত সাবেক ছাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া বড় ভাইর মায়াবী চোখ যখন রক্তাক্ত হয়ে উঠছিলো তখন অবাক ভেবেছি, বড় ভাই আমাকে জড়িয়ে কাঁদে কেনো? তখনো মৃত্যুকে বুঝিনি।

মফস্বলের কুয়ো থেকে রাজধানী ঢাকায় কবি হতে এসে তখন মোহাম্মদপুর বিজলী মহল্লায় থাকি। বিজলী মহল্লা তখন নামে মাত্র পৌর এলাকা। সস্তায় পাওয়া গেছে বলে দোতলা একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন বড় মামা। দোতলায় উনারা থাকতেন। নীচ তলায় থাকতাম আমরা কয়েক বন্ধু ও সমবয়সী আত্মীয়-বন্ধু। কবি ও সাংবাদিক জাফর ওয়াজেদও আমাদের সংগী। তখন সাপ্তাহিক রিপোর্টার ছেড়ে আমি আর আমার অন্যতম গুরু তুমুল-তূখোড় ওবায়দুল হক কামাল দৈনিক দেশ-এ।  নেশা-ভাংগ তখন অস্হিমজ্জ্বায়। সারাদিন কাটে কবিতা আর মঞ্চ নাটক নিয়ে। মাঝেমধ্যে ফিল্ম সোসাইটির ব্যামোতে ভূগি। এক রাতে পৃথিবীকে অসহ্য মনে করে চল্লিশটি ইউনোকটিন গুলে খেয়ে বসি। দু’তিন ঘন্টা পর মূখ ভর্তি ফেনা দেখে বন্ধুরা নিয়ে এলেন ঢাকা মেডিক্যালে। আমাদের মেডিক্যাল রিপোর্টার ছিলেন চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মোমেন। আর দৈনিক দেশ ছিলো প্রেসিডেন্ট জিয়ার কাগজ। সব মিলিয়ে হাসপাতালের ভিভিআইপি ট্রিটমেন্ট। খবর পেয়ে দৌঁড়ে গেলেন সে সময়কার ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার আলমগীর হোসেন (বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর প্রধান সম্পাদক ও আমাদের সময়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক)। কী অজানা কারণে উনাকে মামু ডাকি! মামুর মুখে খবর পেয়ে হাসপাতালে দৌঁড়ে এলেন কবি মোস্তফা মীর, বন্ধু কবি রুদ্র, কবি আলমগীর রেজা চৌধুরী, প্রাবন্ধিক আলী রীয়াজ, কবি ফারুক মাহমুদ প্রমূখ। দৈনিক দেশ সম্পাদক সানাউল্লাহ নূরী, চিফ রিপোর্টার মাওলানা ভাসানীর সাবেক সচিব সৈয়দ জাফর ও ওবায়দুল হক কামালের ব্যক্তিগত তৎপরতায় ঢাকা মেডিক্যাল ব্যস্ত হয়ে উঠলো আমাকে মর্তে রাখার দুরূহ সংগ্রামে। স্টমাক ওয়াশ আর সেলাইনের জোরে যখন চৈতন্য ফিরছিলো, তখন  মনে হচ্ছিলো সুন্দর চির-বসন্তের বাগানে বিমুঢ় ভালো লাগার হেঁটে যাওয়া আমার সার্টের কলার ধরে কেউ যেন বিচ্ছরি টান দিচ্ছে। মনে হচ্ছিলো প্রশান্তির ভূবন থেকে কে যেন আমাকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে আসছে বিরক্তির বিব্রতকর উঠোনে। ভোররাতে আমাকে জেগে উঠতে দেখে বন্ধু কবি আলমগীর রেজা কী ডুকরে কঁদে উঠেছিলেন!

তখনো মৃত্যুকে বুঝিনি, জানিনি মৃত্যুর মহান মানে। একে একে অনেককেই হারিয়েছি। মায়ের বরফবন্দী কফিন যখন সুইডেন থেকে ঢাকায় এলো তখনো কাঁদতে পারিনি। আমার তিন বছর বয়সী ছেলেকে সাথে নিয়ে যখন মায়ের লাশ কবরে নামাচ্ছিলাম, তখনো মৃত্যু মৃত্যু খেলার নিয়ম কানুন অজানা ছিলো। মায়ের চেয়ে অধিক বড় মামী ও বাবার চেয়ে নিকটাত্মীয় মেজ মামার মৃত্যুর সময় আমি অনেক দূর প্রবাসের নির্বাসনে। দূরত্বের কারণেই কেঁদেছি কিন্তু মৃত্যুকে বোঝা হয়ে উঠেনি।

মৃত্যুকে বুঝলাম গত দু’বছরে বেশ ক’বার। বন্ধু আজিমের স্ত্রী লিপি ভাবীর দূর্ভাগ্যজনক প্রস্হান ছোট একটা নাড়া দিয়ে গেছে। মৃত্যু চিন্তাটা জাগিয়ে দেবার মতো একটা বীজ বপন করে গেছেন লিপি ভাবী। কিন্তু মৃত্যু চিন্তার সুনামীটা এসেছে সুপ্রিয় ফারুকের মহাপ্রস্হানে। আর সব ভাসিয়ে দিয়ে গেছে মিশুক মুনীর। যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক বন্ধু সাইফুল আলম কিংবা সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুলের মতো প্রতিভাবান হলে ফারুকের মৃত্যুকে যথাযথ সম্মান জানাতে পারতাম কলমের জোরে। বাংলাদেশে মৃত্যু কেবল বেদনা ও শোকের। মৃত্যু মাতমের, আহাজারি ও কান্নার। মৃত্যুকে আমরা দেখি জীবনের যতি চিহ্ন হিসেবে, জীবন-নাটকের ড্রপ স্ক্রিন হিসেবে। মৃত্যুর পর আমরা মৃতের অর্জন নিয়ে ভাবিনা, ভাবি আমাদের বৈষয়িক ক্ষতিগুলো নিয়ে।

মৃত্যু কেবল বিচ্ছেদই নয়, মৃত্যু শিক্ষারও। বন্ধু ফারুকের মৃত্যুর কারণসমূহকে বিশ্লেষণ করলে শরীরের প্রতি তীব্র অবহেলার ব্যাপারটি প্রণিধানযোগ্য হয়ে উঠে। জানা যায় বেঁচে থাকার ব্যাকরণসমূহ- মৃত্যুর মতোই বেঁচে থাকাটাও ব্যাকরণ-নির্ভর ছন্দ-তাল-লয় মেলানো-মেশানো। বেঁচে থাকতে যে মানুষটি থাকে ঘৃণার, অপছন্দের, ভিন্নমতের মৃত্যুর পর কী অবলীলায় সেই মানুষটি হয়ে উঠে প্রাণের মিতা। জীবিত যে মানুষের কারণে পরিবার-স্বজন থাকে সম্মানজনক দূরত্বে, সেই মানুষটির মৃত্যুই বিছিন্ন ভুবনগুলোকে টেনে আনে মিলনের পতাকা তলে। সেকারণেই  মৃত্যু বেদনার হলেও গুণী মানুষের মৃত্যুকে সেলিব্রেট করতে হয় মৃতের অর্জন দিয়ে। ফারুকের মৃত্যু জানান দিয়ে গেলো, মৃত্যু মানেই শেষ নয়, মৃত্যু মানেই জীবনের হালখাতা। কি কি করার ছিলো, কি কি করেছি বা করতে পেরেছি তারই হিসাব-কিতাব। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে মৃত্যু হচ্ছে, মোমিন মুসলমানের বাড়ি ফেরা; মানে মহান আল্লাহ’র সৃষ্টি আল্লাহর কাছে ফেরৎ যাওয়া। সৃষ্টিকর্তার কাছে ফেরৎ যাওয়া, বাড়িতে ফিরে যাবার মধ্যে আনন্দই থাকার কথা, তবু আমরা কেন মৃত্য সংবাদে কাঁদি, বুঝিনা। মোমিন বান্দার মৃত্যু সংবাদের কান্না কী  ঈর্ষার কান্না না আনন্দাশ্রু ?

গ্লাসের পানি অর্ধেক কেন এই মূল্যায়নে না গিয়ে আমরা কী পারিনা, অর্ধেক পানির জন্যে ধন্যবাদ জানাতে? মানুষকে যেতেই হবে পরপারে, মহাবিচারের প্রতীক্ষায় শুয়ে থাকতে হবে কবরের গহীন নিকষ অন্ধকারে কিন্তু মানুষটি আমাদের জন্যে কি রেখে গেলেন কিংবা আমাদের জন্যে মানুষটির ত্যাগ ও রেখে যাওয়া সম্পদের প্রাপ্তিকে কেন আমরা উদযাপন  করবোনা?  পরিচিত কেউ মৃত্যু-স্রোতে হারিয়ে গেলে আমরা সর্ব্বপ্রথম বিচারে বসি মানুষটির জীবন-বীমা,  পরিবারের জন্যে রেখে যাওয়া বৈষয়িক সম্পদের।  মানুষের সংজ্ঞাতো ‘ক্যাশ কাউ’ নয়, মানুষ মানুষই। মানুষের সাফল্য-ব্যর্থতা বৈষয়িক অর্জনের সীমা-পরিসীমা পেরুনো সুদূর প্রসারী।

আসুন, আমরা আমাদের জীবনের, সমাজের, সাহিত্যের, সংস্কৃতির, রাজনীতির, পরিবারের দায়-দায়িত্বগুলো পালনে মনযোগী হই কেন না মৃত্যু আমাদের এতো কাছে, আমাদের এতো বড়ো নিকট প্রতিবেশী! মৃত্যু যদি জীবনের জানালা খুলে মধ্যরাতে বলে বসে, ভাই এখন একটু আসবেন? না বলার জো আছে?   

মৃত্যুর পর একজন কবির একান্ত কাম্য থাকে বন্ধুর নিবেদিত একটি কবিতা, যেমন হাসানকে নিয়ে গুণের লাইনগুলো, কবরে শুয়ে তুমি কী করে লেখো/ মাটি কী খাতা-কাগজ-কলম?’ (স্মৃতি বিভ্রাটের কারণে লাইনগুলো এলোমেলো-অবিন্যস্ত হতে পারে)। একজন গায়কের মৃত্যুতে যেন বন্ধু লিখে, ‘কী করে তুমি একতারা বাজাও মাটির নিকষ অন্ধকারে?’

ইমেলঃ [email protected]

ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে নারী ভাইস চেয়ারম্যান
নারায়ণগঞ্জে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তের দিন শহর ফাঁকা!
বোলারদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ মিসবাহ’র
শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির ১৮ সদস্য কোয়ারেন্টিনে
লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ হলে মানুষ আর ক্রিকেট দেখবে না: স্টার্ক


মুকসুদপুরে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় ওসিসহ আহত ৪৫
আগৈলঝাড়ায় শ্বাসরোধ করে গৃহবধূকে হত্যা
নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে জাপা চেয়ারম্যানের শোক
নারায়ণগঞ্জে করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু
পুলিশে করোনা আক্রান্ত ৪ হাজার ছাড়ালো, সুস্থ ১১১৯