নাজুক যন্ত্রপাতিতে বিঘ্নিত বেহাল সড়কের সংস্কার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বৃষ্টিপাত ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ সড়ক এখন বেহাল অবস্থায় আছে। একইসঙ্গে নাজুক অবস্থায় আছে সড়ক সংস্কারের কাজে নিয়োজিত যানবাহনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও।

চট্টগ্রাম: বৃষ্টিপাত ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ সড়ক এখন বেহাল অবস্থায় আছে। একইসঙ্গে নাজুক অবস্থায় আছে সড়ক সংস্কারের কাজে নিয়োজিত যানবাহনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও।

বেহাল সড়কের মতো বেহাল অবস্থায় থাকা যন্ত্রপাতিও সিটি কর্পোরেশনের জন্য বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। এসব যানবাহন ও যন্ত্রপাতি দিয়ে সিটি কর্পোরেশন দ্রুত গতিতে নগরীর সড়কগুলো মেরামত ও সংস্কার কাজ করতে পারছে না।

যন্ত্রপাতির বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. সামসুদ্দোহা বাংলানিউজকে বলেন, ‘কর্পোরেশনে যানবাহনসহ যেসব যান্ত্রিক সরঞ্জাম আছে সেগুলোর প্রায় সবই ১৫-২০ বছরের পুরনো। এগুলো মাঝে মাঝেই বিকল হয়ে যায়। এগুলোর অবস্থা এমন যে ব্যবহার তো নয়ই, নিলামে বিক্রির উপযোগীও নেই।’

চসিক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর সাগরিকায় সিটি কর্পোরেশনের স্টোরে রাখা দু’টি এ্যাসফল্ট প্ল্যান্টের মধ্যে একটি অচল। একটি মাত্র স্কেভেটর সেটিও অচল অবস্থায় আছে। এছাড়া ২০টিরও বেশি ট্রাক, ডাম্প ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন বিকল অবস্থায় স্টোরে পড়ে আছে।

সূত্র জানায়, এ্যাসফল্ট প্ল্যান্টটি দিয়ে শনিবারও নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় সড়ক সংষ্কার কাজে বিটুমিন ঢালা হয়েছে। কিন্তু গতকাল সেটি অচল হয়ে পড়েছে।

চসিকের যান্ত্রিক বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এ্যাসফল্ট প্ল্যান্টটির পাইপে কার্বন জমে সেটি বন্ধ হয়ে গেছে। এখন পাইপের বিকল অংশ কেটে আবারও নতুন পাইপ স্থাপন করতে হবে।

সেটি বন্ধ থাকায় বাকি মাত্র একটি এ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট দিয়ে বিভিন্ন সড়কের সংস্কার কাজে বালু, পাথর ও বিটুমিন ঢালতে হচ্ছে। এতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, নগরীর ময়লা-আবর্জনা অপসারণসহ নিয়মিত বিভিন্ন কাজের জন্য প্রায় ৮০টি ডাম্প ট্রাক ও সাধারণ ট্রাক আছে। এর মধ্যে ২০টিরও বেশি মেরামতের জন্য রাখা হয়েছে। বাকি ট্রাকগুলো দিয়ে নিয়মিত কাজ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। ওই যানবাহনগুলো সড়ক মেরামতের সরঞ্জাম পরিবহনে অংশ নিতে পারছে না।

সচিব মো. সামসুদ্দোহা বাংলানিউজকে বলেন, ‘যানবাহন ও যন্ত্রপাতি অচল থাকায় আমাদের সড়ক মেরামত কাজে সমস্যা হচ্ছে। তবে সড়ক সংষ্কারের মূল কাজ শুরু হবে শীতকালে। এর আগেই আমরা সবগুলো সচল করার চেষ্টা করছি।’

এদিকে সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন ও যন্ত্রপাতির অবস্থা নিজ চোখে দেখতে সোমবার সকালে নগরীর সাগরিকায় যান মেয়র এম মনজুর আলম। এ সময় তিনি অচল এ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট ও স্কেভেটর এবং যানবাহন দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন সাকী জানান, পরিদর্শনের সময় স্টোরে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মেয়র। কাজে স্বচ্ছতা আনতে তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল পাম্পে ও স্টোরে ২টি কম্পিউটার স্থাপন করেন তিনি।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৫, ২০১১

আমার ব্যক্তিগত পছন্দের একটি গান ‘বেঁচে নেই’: অটমনাল মুন
পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার দৃশ্যমান 
গ্রিসে ভ্রমণের অনুমতি পেল না যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি
কাটছে না খুলনার উপকূলের দুর্গতদের দুঃখ-দুর্দশা!
লিবিয়ায় নিহত মাগুরার লালচাঁদ, আহত এক


করোনা হটাতে ১৯ হাজার কোটি টাকার ৪ প্রকল্প উঠছে একনেকে
শনিবার ভিডিও কনফারেন্সে ১৮ বিচারকের শপথ
সবকিছু খুলে দিলে বিপদ হবে ত্রিমুখী: ডা. লেলিন
স্বাস্থ্যবিধি মতো পরিস্থিতি মানিয়ে চলার ওপর গুরুত্ব সরকারের
খোলার ব্যাপারে ফের বৈঠকে বসছে রাবি প্রশাসন