‘ছিটের মানুষ’ পাক পূর্ণ স্বাধীনতা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

জীবন-জীবিকা নির্বাহের পরিচয়ে তারা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, থাকতে হয় ভারতের ভেতর। অবস্থানগত কারণে অন্যরা ভারতের মানুষ, বসবাস বাংলাদেশের ভেতর। কিন্তু, বাস্তবতার আয়নায় তারা রাষ্ট্রহীন, নাগরিকত্বহীন। বেঁচে থাকার মূল পরিচয় হলো এরা ‘ছিটের মানুষ’।

জীবন-জীবিকা নির্বাহের পরিচয়ে তারা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, থাকতে হয় ভারতের ভেতর। অবস্থানগত কারণে অন্যরা ভারতের মানুষ, বসবাস বাংলাদেশের ভেতর। কিন্তু, বাস্তবতার আয়নায় তারা রাষ্ট্রহীন, নাগরিকত্বহীন। বেঁচে থাকার মূল পরিচয় হলো এরা ‘ছিটের মানুষ’। আবদ্ধ জীবনযাপনের কষ্ট, যাতায়াত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ার কষ্ট, দয়া-করুণা, নিরাপত্তাহীনতা ও বিচ্ছিন্নতার দুঃসহ কষ্ট--সব মিলে দীর্ঘশ্বাসে ভরা জীবন তাদের।

ছিটমহল মানে ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের আর বাংলাদেশের ভেতের ভারতীয় ভূখণ্ড। আবার এমনও আছে, বাংলাদেশের ভেতরে ভারত, তার ভেতরে আবার বাংলাদেশ। যেমন কুড়িগ্রামে ভারতের ছিটমহল দাশিয়ারছড়া। দাশিয়ারছড়ার ভেতরেই আছে চন্দ্রখানা নামে বাংলাদেশের একটি ছিটমহল। নেই কোনো কাঁটাতারের বেড়া। বাঁশের খুঁটি কিংবা সীমানা পিলার খোঁজার ইচ্ছেও নিষ্প্রয়োজন। কোনোটারই দেখা মিলবে না। তারপরও মানুষগুলো সব দিক থেকেই পরাধীন অথবা বন্দী। চাইলেই যখন-তখন যেভাবে খুশি বের হওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে পারে না।

রাস্তা বলতে কোথাও জমির আল ধরে মেঠো পথ চলা। আবার জলাভূমি থাকলে তার ওপর তৈরি হয়েছে বাঁশের সাঁকো। ভূমি থাকলেও দেশের ওপর নেই কোনও নাগরিক অধিকার। বাংলাদেশ ও ভারতে এ ধরনের ১৬২টি ভূখণ্ড রয়েছে, যার মধ্যে ভারতের ১১১টি ভূখণ্ড বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশের ৫১টি ভূখণ্ড রয়েছে ভারতে। ছুটে যাওয়া বলেই হয়তো এসব ভূখণ্ড পরিচিত ছিটমহল নামে। আর ‘ছিটের মানুষ’ নামে পরিচিত ছিটমহলের অধিবাসী।

১৯৪৭ সালে তথাকথিত দেশভাগের পরেই শুরু ছিটমহল আখ্যানের। মৌলিক অধিকার বঞ্চিত গণমানুষ মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও তাদের কোনো দেশ নেই, পরিচয় নেই। যেন বারাঙ্গনার বেজন্মা কিংবা পিতৃ-মাতৃহীন সন্তান। অথচ মজার বিষয় হচ্ছে, ভারতীয় ছিটের লোকজনের ভাষা ও সংস্কৃতিতে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সাদৃেশ্যর কোনো অভাব নেই। ভারতে বসবাসকারী বাংলাদেশের ‘ছিটের মানুষে’র ছবিটা একই। বাংলাদেশের ছিটমহলগুলোর লোকজনের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো যোগাযোগ নেই, সম্পর্কও নেই। বাইরে গেলেই লোকজন তাদের ডাকে ছিটের লোক। এই পরিচয় শুনে স্বভাবতই নিজেদের আড়াল করার চেষ্টা করে এসব ভুক্তভোগী-ব্যথিত মানুষজন। বাংলাদেশ যেমন এদের নাগরিকত্ব দেয়নি, দেয়নি ভারতও। পড়াশুনা, জীবিকা--সবকিছুর জন্যই ছিটমহলের লোকজনকে নির্ভর করতে হয় ‘অন্য দেশের’ ওপর। তার পরও তাদের অবস্থা নিজ চোখে না দেখলে অনুধাবন করা যাবে না।  এক কথায় বলা চলে খুবই ন্যক্কারজনক। ব্রিটিশ শাসক ও রাজনৈতিক পুরোধাদের খেয়ালখুশির বলি দেশহীন ও পরিচয়হীন এসব মানুষ। দেশভাগের প্রায় দুই যুগ পরে রক্তাক্ত সংগ্রামের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটেছে বাংলাদেশের। কিন্তু, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার দশক পরেও স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দুঃখ ঘোচেনি দেশ থেকেও দেশহীন এসব গণমানুষের।ওখানে নতুন সন্তানের জন্ম নেয়াই যেন মহাপাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রের কাছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী,১৯৪৭  সালে বাংলা ও পাঞ্জাবের সীমারেখা টানার পরিকল্পনা করেন ব্রিটিশ শাসনের শেষ লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল রেডক্লিফকে প্রধান করে সেই বছরই গঠন করা হয় সীমানা নির্ধারণী কমিশন। ১৯৪৭ সালের ৮ জুলাই লন্ডন থেকে ভারতে আসেন রেডক্লিফ। মাত্র ছয় সপ্তাহের মাথায় ১৩ আগস্ট তিনি সীমানা নির্ধারণের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। এর তিন দিন পর ১৬ আগস্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় সীমানার মানচিত্র। ১৯৪৭ সালে রেডক্লিফের সেই মানচিত্র বিভাজন থেকেই উদ্ভব ছিটমহলের। এক দেশের ভূখণ্ডে থেকে যায় অন্য দেশের অংশ। উদ্ভব হয় এক মানবিক সমস্যার।

কোনো রকম সুবিবেচনা ছাড়াই হুট করে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি যথাযথভাবে হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, কমিশন সদস্যদের নিষ্ক্রিয়তা আর জমিদার, নবাব, স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও চা-বাগানের মালিকেরা নিজেদের স্বার্থে দেশভাগের সীমারেখা নির্ধারণে প্রভাব ফেলেছে। আর উত্তারিকার সূত্রেই উপমহাদেশের বিভক্তির পর এই সমস্যা বয়ে বেড়াচ্ছে প্রতিবেশী দুই দেশ।    

১৯৫৪ সালের নেহেরু-নুন চুক্তি অনুযায়ী বেরুবাড়ীর উত্তর দিকের অর্ধেক অংশ ভারত এবং দক্ষিণ দিকের অর্ধেক অংশ ও এর সংলগ্ন এলাকা পাবে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী বেরুবাড়ীর সীমানা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভারতের অসহযোগিতায় তা মুখ থুবড়ে পড়ে। ফলে বেরুবাড়ীর দক্ষিণ দিকের অর্ধেক অংশ ও এর ছিটমহলের সুরাহা হয়নি।

এরপর, সীমান্তের অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ১৬ মে দিল্লিতে স্থল সীমানা চিহ্নিতকরণ-সংক্রান্ত এক চুক্তিতে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির পর দুই দেশ ছিটমহলের আলাদা আলাদাভাবে তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছিল। ভূমি হস্তান্তরের বিষয়ে চুক্তির তৃতীয় ধারায় বলা হয়েছে, ভূমি বিনিময়ের সময় লোকজন কোথায় থাকতে চান, সে ব্যাপারে তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। ভূমি বিনিময় হলে বাড়তি ১০ হাজার একর জমি বাংলাদেশের পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরে ১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল চূড়ান্ত হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ও ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে।

এখানে উল্লেযোগ্য যে, ১৯৫৮ সালে স্বাক্ষর হওয়া নেহেরু-নুন চুক্তিতে ছিটমহল বিনিময়ের উল্লেখ থাকলেও এ ব্যাপারে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সে দেশের সংবিধানের ১৪৩ ধারা সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চান। তখন আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংবিধানের সংশোধনীর মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে হবে। পরে ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে সংবিধান সংশোধনী আর জনগণনার অজুহাতে বিলম্বিত হয়েছে ছিটমহল বিনিময়।

কুচবিহার রাজ্যের কোচ রাজার জমিদারির কিছু অংশ রাজ্যের বাইরের বিভিন্ন থানা পঞ্চগড়, ডিমলা, দেবীগঞ্জ, পাটগ্রাম, হাতিবান্ধা, লালমনিরহাট, ফুলবাড়ী ও ভুরুঙ্গামারিতে অবস্থিত ছিল। ভারতবর্ষ ভাগের পর ওই আট থানা পূর্ব পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত হয়। আর কুচবিহার একীভূত হয় পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে। ফলে ভারতের কিছু ভূখণ্ড আসে বাংলাদেশের কাছে। আর বাংলাদেশের কিছু ভূখণ্ড রয়ে যায় ভারতে। এই ভূমিগুলোই দীর্ঘদিন যাবত পরিচিত হয়ে আসছে ‘ছিটমহল’ নামক শব্দের মূর্ছনায় ১১৬২ টি ছিটমহল আছে দুই প্রতিবেশী দেশে। এর মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল আছে বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতে। ৫১০০০ জনসংখ্যা রয়েছে এসব ছিটমহলে। সাম্প্রতিক জনগণনা অনুযায়ী, ভারতের ছিটমহলের লোকসংখ্যা ৩৭ হাজার। বাংলাদেশের ছিটমহলের লোকসংখ্যা ১৪ হাজার। ২৪২৬৮ একর ভূমি নিয়ে দুই দেশের ছিটমহল। তার মধ্যে ভারতের ১৭ হাজার ১৫৮ একর। বাংলাদেশের ছিটমহলের জমির পরিমাণ ৭ হাজার ১১০। ভারতীয় ছিটমহলগুলোর বেশির ভাগই রয়েছে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। এসব ছিটমহলের ৫৯টি লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারিতে চারটি। বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। ৪৭টি কুচবিহার এবং চারটি জলপাইগুড়ি জেলায়।

যে দুর্ভাগ্যজনক ও পীড়াদায়ক পরিস্থিতির কথা ইতিহাসের সাপেক্ষে বর্ণনা করা হলো সে কারণে, এবং ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত স্থল-সীমানা চুক্তির বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি না ঘটার ফলে ইতিমধ্যেই দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কড়ায় গণ্ডায় মাশুল দিতে হয়েছে। ২০০৭ সালের পর বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নতির ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন চোখে পড়েছে। তাই দুই সরকারকেই সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তরিকভাবে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

দুই দেশই তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে এটা স্পষ্টভাবে প্রতিপাদন করেছে যে তারা কার্যত এই চুক্তিটিকে অনুমোদন করে এবং এই চুক্তির আওতাধীন সুবিধাগুলো তারা স্বতঃপ্রণোদিতভাবেই ভোগ করেছে। শুধু চুক্তির প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়নি বা এজন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতাগুলো পালন করা হয়নি। এখন দুই দেশের জন্য জরুরি কর্তব্য হলো অনতিবিলম্বে তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধিদের ১৯৭৪ সালের স্থল-সীমানা চুক্তির অনুসমর্থনের দলিলে স্বাক্ষর করার ক্ষমতা প্রদান করা এবং একটি নির্ধারিত দিনে এই দলিল বিনিময় করা—যা ভূতাপেক্ষভাবে এই চুক্তিকে বলবৎ করবে এবং এই চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সীমানাকে আইনি মোড়ক দেবে। একইভাবে তিন বিঘার কাছে বাংলাদেশকে দেওয়া করিডোরের চিরস্থায়ী ইজারা দেওয়ার বিষয়টিকেও দেবে আইনি মোড়ক।

১৯৭৪ সালের স্থল-সীমান্ত চুক্তির পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুসারে আরও বেশি বিলম্ব এবং অকারণ উত্তেজনা পরিহার করে, চুক্তি অনুযায়ী বিনিময়ের কাজটি সম্পন্ন করতে দুই বন্ধুপ্রতিম সরকারের জন্য চলমান এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই ছিটমহল বিনিময়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হতে পারে, যদি দুই রাষ্ট্রের সরকারপ্রধানরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে প্রাধান্য দেন। যেহুতু, ছিটমহলগুলোতে লোক গণনার কাজ আশাব্যঞ্জকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাই, ছিটমহলবাসীর ভেতরে আনন্দ-হাসির উচ্ছলতায় নতুন আশার আলো  দেখা দেওয়ার শুভক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে সৃষ্টি ভারত ও বাংলাদেশের ভূখণ্ডে থাকা ছিটমহলের বিনিময়ের দাবি চলমান মনমোহন-হাসিনা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অবশ্যই সমাধান করতে হবে সেইসব দূর্ভাগা মানুষের ভবিষ্যৎ ও বাংলাদেশের আগামী সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে। ছিটমহলবাসীর ইচ্ছেশক্তিকে মূল্যায়ন করেই প্রদান করা হোক দেশের নাগরিকত্ব, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায্য অধিকার।

আধুনিক বাঙলা কবিতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত রূপক কবিতা ‘রসাল ও স্বর্ণলতিকা’য় স্বর্ণলতিকার মতো পরগাছা হিশেবে পরাধীনভাবে বাঁচার চেয়ে মৃত্যুবরণ করাই অনেক শ্রেয়! ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভূখণ্ডে থাকা ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহলের বাসিন্দারা ছিটমহল বিনিময়ের দাবি তুলেছেন। এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি গঠিত হয়েছে। ছিটমহলবাসী আকাশের নক্ষত্রের দিকে চেয়ে আলোর প্রতীক্ষায় নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন; যাতে এই মাসেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে খুলে যেতে পারে ছিটমহল বিনিময়ের জট। উন্মোচন হতে পারে সেইসব ছিটমহলবাসীর স্বাধীন জীবনযাত্রার সুদীর্ঘ পথের।

লেখকঃ কবি, কলামিস্ট, বিশ্লেষক ও গবেষক।

ইমেইলঃ[email protected]

শ্রীমঙ্গলে ৬৭ মামলায় ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা
আড়াইহাজারে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৪৮ জন
নালিতাবাড়ীতে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
বগুড়ায় একদিনে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত


সাবেক মেয়র কামরানের স্ত্রী করোনা আক্রান্ত
বাগেরহাটে আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১
নিহত ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করেছে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ
ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন: মৃতদের মধ্যে ৩ জন করোনা পজিটিভ
ঢামেকে সংগ্রহ করা প্লাজমা রোগীদের শরীরে প্রয়োগ