সরকারের সমালোচনা বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন মন্ত্রীরা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

নিজ দলের ভেতর থেকে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা থামানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মন্ত্রীরা।

ঢাকা : নিজ দলের ভেতর থেকে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা থামানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মন্ত্রীরা।

তারা বলেছেন, বাইরের চেয়ে ক্ষমতাশীল আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে নেতারা সরকারের বেশি সমালোচনা করছেন। কিন্তু সরকারের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরা হচ্ছে না।

সোমবার নিয়মিত বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসব কথা বলেছেন বলে সূত্র জানায়।

এ দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সফরের সময় তিস্তা নদীর পানি চুক্তিসহ বিভিন্ন চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভায় আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে এটা র্নিধারিত এজেন্ডায় ছিল না। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভায় কোনো আলোচনাও হয়নি।

সভা শেষে একাধিক মন্ত্রীর কাছে মনমোহনের সফরের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তারা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনিও এ ব্যাপারে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান।

সুত্র আরও জানায়, বৈঠকে বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ নিজ দলের ভেতর থেকে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ সময় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলেন।

তারা বলেছেন, ‘আমাদের দলের (আওয়ামী লীগের) নেতারাই সরকারের সমালোচনা করে বেশি কথা বলছেন। দল থেকে সরকারের সফলতা ও ইতিবাচক দিকগুলো তুলে না ধরে নেতিবাচক সমালোচনা বেশি করা হচ্ছে।’

মন্ত্রীদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সেই সঙ্গে সরকারের সফলতাগুলো তুলে ধরা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

বিরোধী দলের আন্দোলনের হুমকিতে সরকার শঙ্কিত নয় বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেছেন বিরোধী দল আন্দোলন করবে, কর্মসূচি দেবে এটাই স্বাভাবিক।

সভায় পদ্মা সেতুর টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে মিডিয়ায় প্রকাশিত দুর্নীতির অভিযোগের কথা তুলে ধরে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছেন, এখন পর্যন্ত কোনো টেন্ডারই দেওয়া হয়নি। টেন্ডার প্রক্রিয়া বিশ্ব ব্যাংকই দেখাশোনা করছে। বিশ্ব ব্যাংকের টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুযায়ী সব কিছু হচ্ছে। দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।
 
সূত্র জানায়, সভায় ঈদের দিন শহীদ মিনারে প্রতিবাদ সমাবেশের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ঈদের দিন আনন্দের দিন। এই শহীদ মিনারে এটা না করলে কি হতো। তারা অন্য দিন করতে পারতো। বিশ্বের কোনো দেশে আনন্দের দিন এটা হয় না। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তো আমরা ঈদ করেছি।’

সভায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিদেশি সাহায্য সংস্থার সমালোচনা করেছেন মন্ত্রীরা। তারা বলেছেন, অবকাঠামো উন্নয়নে তেমন কোনো সহযোগিতা দিতে চায় না। যে সাহায্য দেয় সেটাও কঠিন শর্তের জালে আবদ্ধ।

এ দিকে সভায় বিভিন্ন সেক্টরে সরকারি চাকরিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিদের স্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে আউসোর্সিং বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক সায় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিষয়টি উপস্থাপন করেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর কোন কোন মন্ত্রণালয়ে আউটসোর্সসিংয়ের প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তালিকা দেওয়া কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সংস্থাপন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমামকে এ তালিকা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভায় ঈদে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। বিগত ৮/১০ বছরের মধ্যে এবারের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো ছিল বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন।

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান প্রত্রিকায় প্রকাশিত তার বিদেশ সফরের সংবাদ প্রসঙ্গ তুলে বলেছেন, ‘মন্ত্রী হিসেবে আমি মাত্র ছয়বার বিদেশ সফরে গিয়েছি। কিন্তু পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে আমি ১৪ বার বিদেশ গিয়েছি।’

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১১

মহাদেবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত 
১ কেজি রেণুতে লাখো মাছের পোনা, দাম গড়ে ৪৫ হাজার
জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
করোনা মৃত্যুতে স্পেনকে ছাড়িয়ে গেল ব্রাজিল
ছুটি শেষে বেরোতে, স্যানিটাইজার রাখছেন গাড়িতে! 


খুমেকে করোনার উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু
সোমবার থেকে করোনা রোগী ভর্তি হচ্ছে রেলওয়ে হাসপাতালে
আমার ব্যক্তিগত পছন্দের একটি গান ‘বেঁচে নেই’: অটমনাল মুন
পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার দৃশ্যমান 
গ্রিসে ভ্রমণের অনুমতি পেল না যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি