php glass

বাকৃবিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র মৎস্য জাদুঘরের উদ্বোধন আজ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র ‘মৎস্য জাদুঘর’র উদ্বোধন বুধবার। বাকৃবি’র সুবর্ণ জয়ন্তীতেই উদ্বোধন হচ্ছে এ মৎস্য জাদুঘরের।

ময়মনসিংহ: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র ‘মৎস্য জাদুঘর’র উদ্বোধন বুধবার। বাকৃবি’র সুবর্ণ জয়ন্তীতেই উদ্বোধন হচ্ছে এ মৎস্য জাদুঘরের।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমার তথা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি জাদুঘরে ‘গুটিকয়’ প্রজাতির মাছ সংরণ করা হলেও একক মৎস্য জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদাহরণ এটিই প্রথম। জাদুঘরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফিশ মিউজিয়াম অ্যান্ড বায়োডাইভার্সিটি সেন্টার’।

মৎস্য জাদুঘরের পরিচালক ড. মোস্তফা রেজা ফারুক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানান, এ মৎস্য জাদুঘরে দেশের মোট ২’শ ৭০ প্রজাতির মাছের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২’শ ৩০ প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। উদ্বোধনের দিনক্ষণও নির্ধারিত হওয়ায় শেষ মুহুর্তে বাকি ৪০ প্রজাতির মাছও সংগ্রহের কাজ চলছে জোরেশোরে।’
 
সূত্র জানায়, বিলুপ্তপ্রায় সব দেশীয় ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, মাছ এবং জলজ প্রাণী সংরণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে মৎস্য জাদুঘর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১০ বছর আগে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। একাজটি করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা আলী রেজা ফারুক হোসেন ও যুক্তরাজ্যের স্টারলিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এনডি সিন। ২০০৯ সালের জুন মাসে জাদুঘরটির অবকাঠামোগত কাজ শুরু হয়।

বাকৃবির মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের মাঠ গবেষণা (ফিল্ড রিসার্চ) কমপেক্সের দু’তলায় নিবিড় পরিবেশে ৫টি কক্ষ নিয়ে সাজানো জাদুঘরটিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, মাছ ও জলজ প্রাণীর নমুনা, ছবি ও কঙ্কাল। এ জাদুঘরে সংরক্ষিত ২৩০ প্রজাতির মাছের নমুনাগুলো বিভিন্ন আকারের কাচের সিলিন্ডারে ফরমালিনের ভেতর রাখা হয়েছে এবং প্রতিটি মাছের উপরে ঝোলানো রয়েছে মাছের ছবি। এতে মাছের বৈজ্ঞানিক নামসহ সব ধরনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

জাদুঘরটিতে স্থান পেয়েছে হাঙ্গর, ডলফিন ও কুমিরের কঙ্কাল এবং কচ্ছপ ও বিভিন্ন প্রজাতির কাঁকড়ার নমুনা। এছাড়া রয়েছে ক্যাক ফিস, ঘোড়ামুখো, পুটাকান্তি, গুতুম জাতীয় বিভিন্ন বিলুপ্ত মাছ।

জাদুঘরের করিডোরে স্থান পেয়েছে আবহমানকাল ধরে এ দেশের জেলেদের ব্যবহার্য বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার উপকরণ।

মৎস্য জাদুঘরের উদ্যোক্তা ও পরিচালক ড. মোস্তফা আলী রেজা ফারুক আরও জানান, এ মৎস্য জাদুঘরে রয়েছে দেশের মৎস্য ঐতিহ্যের ইতিহাস ও নিদর্শন। জাদুঘরটিতে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে লন্ডনের ব্রিটিশ ন্যাচারাল মিউজিয়াম, যুক্তরাজ্যের স্টারলিং বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের প্রায় সব জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।
 
তিনি জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এটিকে সম্প্রসারণ করা হবে।অ্যাকুরিয়াম ও পুকুরে জীবিত মাছ সংরক্ষণের জন্য এরই মধ্যে বাকৃবি’র পক্ষ থেকে ৩০টি পুকুর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া জাদুঘরটিতে মাৎস্য বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাস নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময় ১১২৯ ঘণ্টা, আগস্ট ১৭, ২০১০

সাড়ে ৫শ’ যাত্রী নিয়ে কালীগঞ্জের চরে আটকা লঞ্চ 
অরগ্যানিক পদ্ধতিতে চাষে গুরুত্ব দিচ্ছে ত্রিপুরা সরকার
বাহুবলে দুইজনকে কুপিয়ে মালামাল লুট, অস্ত্রসহ ডাকাত আটক
একা বেড়ে ওঠা বাচ্চাদের ওজন বেশি হয়!
আশুগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত


সাংবাদিক পরিচয়েও রক্ষা পেলেন না মাদকবিক্রেতা
টানা দুই জয়ে কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টারে বাংলাদেশ
আশুলিয়ায় মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার
আগরতলায় বন সংরক্ষণ বিষয়ক ৩ দিনের কর্মশালা
সেই কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছিলেন হাফেজ মুজিবুল