হাইকোর্টে হাজির আইনজীবীরা, এজলাস বসেছে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আদালতে হাতাহাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার আইনজীবীদের আদালতে হাজির করা হয়েছে। রোববার সকালে নিম্ন আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর হওয়ার পর হাইকোর্ট বেঞ্চের নির্দেশে তাদের হাজির করা হয়।



ঢাকা: আদালতে হাতাহাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার আইনজীবীদের আদালতে হাজির করা হয়েছে। রোববার সকালে নিম্ন আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর হওয়ার পর হাইকোর্ট বেঞ্চের নির্দেশে তাদের হাজির করা হয়।

রোববার দুপুরে আইজিপি ও ডিএমপি কমিনারকে নির্দেশ দেন বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ।  

এর আগে বার অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন সকালে নিম্বআদালতে জামিন প্রত্যাখ্যাত ১০ আইনজীবীসহ ১১ আইনজীবীর পক্ষে আদালতে ক্ষমার জন্য আবেদন করেন।

আদালত এ সময় প্রেসিডেন্ট খন্দকার মাহবুব হোসেনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা মানুষ, আমাদেরও ভুল হতে পারে। আমাদের ভুলের জন্য আরেকটি কোর্ট আছে।’

আদালত আরও বলেন, ‘সেদিন যারা বিশৃঙ্খলা করেছেন তারা দু’টি ডিগ্রির অধিকারী। তাদের কাছ থেকে আমরা এ ঘটনা আশা করিনি। তারা এ ঘটনা ঘটাতে পারেন না। আমরাও বার থেকেই এসেছি। আইনজীবীরা আদালতেরই অংশ।’

রোববার ১১ আইনজীবীর পক্ষে খন্দকার মাহবুবে আলাম ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন জমা দেন।

এ সময় এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী আইনজীবীদের বিকেল ৪টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে ডিএমপি কমিশনার ও আইজিপিকে নির্দেশ দেন।

এদিকে রোববার সকালে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে ১০ আইনজীবীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

যেসব আইনজীবীর পক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে তারা হলেন- বিএনপি সাংসদ ও আইনজীবী সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম, আবু বকর সিদ্দিক রাজন, অ্যাডভোকেট সহিদুজ্জামান, অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল আরেফিন স্বপন, অ্যাডভোকেট এনামুল হোসেন গাফফার, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট আশরাফ উজ জামান খান ও অ্যাডভোকেট খৃস্টান নবী ওরফে গোলাম নবী।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টে বিশৃঙ্খলা, ভাঙচুর, সরকারি ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় ২ আগস্ট রাতে শাহবাগ থানায় গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তা এসএম সোলাইমান ১৪ আইনজীবীর বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।

আদালত এলাকায় হাতাহাতির ঘটনা ৪ আগস্ট তদন্ত করতে এলে তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিলকে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মারধোর করে। এ ঘটনায় আবদুল জলিল বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় আরও একটি মামলা করেন।

এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই সর্বোচ্চ আদালতে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। হাইকোর্টের জেষ্ঠ্য আইনজীবীরা দফায় দফায় আলোচনায় বসেন।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বৈঠকে পলাতক ১০ আইনজীবীকে ১৪ আগস্ট নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করানোর সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২০ ঘণ্টা, আগস্ট ১৪, ২০১১

‘কর্ণফুলী বাঁচলে দেশ বাঁচবে’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব
‘ধূমপানের কথা বলে বাঁশঝাড়ে নিয়ে পাঠাওচালকে হত্যা করা হয়’
মঙ্গলবার শুরু সিইউডিএসর ১৬তম বিতর্ক কর্মশালা
মেলায় ‘রাজার কঙ্কাল’ নিয়ে সাখাওয়াত টিপু 
পথশিশুদের পাশে মেহজাবীনের হাসি ফাউন্ডেশন


উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশ সম্ভাবনাময়
রাজশাহীতে চার দিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু
বঙ্গবন্ধু বিষয়ক দুই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ওপার বাংলার ‘ওরা ৭ জন’ এখন পাবনায়
দ. আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ডু প্লেসিস-রাবাদা