প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে চূড়ান্ত হবে মেট্রোরেল প্রস্তাব: অর্থমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

রাজধানীর মেট্রো রেলপথ নির্মাণে জাইকার দেওয়া প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।



ঢাকা: রাজধানীর মেট্রো রেলপথ নির্মাণে জাইকার দেওয়া প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

বুধবার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত (এমআরটি -৬) এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই/তিন মাসের মধ্যেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হবে বলে আশা করছি।

বৈঠকে যোগাযোগমন্ত্রী ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, বর্তমানে মেট্রো রেলপথের যে রুটটির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে বিমান বাহিনীর আপত্তি আছে। বিমান বাহিনী বলছে, প্রস্তাবিত রুট অনুযায়ী মেট্রো রেলপথ নির্মাণ করলে তেজগাঁও বিমানবন্দরটি ব্যবহার করতে তাদের জন্য কিছুটা অসুবিধা হবে।

রাষ্ট্রের যে কোনও জরুরি প্রয়োজনে এয়ারপোর্টের ফ্লাইট যাতে সহজে ওঠানামা করতে পারে সেজন্য ব্যবস্থা রাখার জন্য বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সেইসঙ্গে তারা (বিমানবাহিনী) তেজগাঁও বিমানবন্দর এলাকা পরিহার করে খামারবাড়ি এলাকা দিয়ে রুটটি নেওয়া যায় কি-না সে ব্যাপারে সুপারিশ করার জন্য বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করে।

এছাড়া তারা মেট্রো রেল পথের উচ্চতা এগারো মিটারের মধ্যে রাখা যায় কি-না, সে ব্যাপারেও সুপারিশ করেছে বিমান বাহিনী।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পে এ রুটটির উচ্চতা মাটি থেকে ১৯ মিটার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এটিকে কমিয়ে বড়জোড় ১৬ মিটার পর্যন্ত নামিয়ে আনা যেতে পারে। তবে ১১ মিটারে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

মেট্রো রেলপথটি মাটির নিচ দিয়ে করা যায় কি-না এ রকম প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ রকম করা সম্ভব হবে না। কারণ এতে নির্মাণ ব্যয় ও সময় অনেক লেগে যাবে।‘

মেট্রো রেলপথটির প্রস্তাবিত রুটটি হচ্ছে উত্তরা থেকে মিরপুর-১০, বিজয় সরণি, ফার্মগেট হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত। পরবর্তীতে এটি যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩২৮ ঘণ্টা, আগস্ট ১০, ২০১১

ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে জ্বলে উঠলো ৫২শ' মোমবাতি
সারাদেশে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
গর্বের সঙ্গে বাংলার ব্যবহার চায় ভারতের নদীয়ার প্রতিনিধিদল
ভেঙে পড়লো রাসিক মেয়র লিটনের সংবর্ধনা মঞ্চ
রামুতে বর্ণমালা হাতে হাজারো শিক্ষার্থীর কন্ঠে একুশের গান


ভাষাশহীদদের প্রতি বিরোধী দলীয়নেতা রওশনের শ্রদ্ধা
মাতৃভাষার জন্য ভালোবাসা
একুশে ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন
বাংলায় দেওয়া রায়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ
প্রথম প্রহরেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জনস্রোত