রমজানেও লোডশেডিংয়ের হাত থেকে রেহাই নেই চট্টগ্রামবাসীর

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

অনাবৃষ্টি, তীব্র গরম এবং গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় আসন্ন রমজানে চট্টগ্রামবাসীকে বাড়তি বিদ্যুত সরবরাহের অশ্বাস দিতে পারেনি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ফলে রমজান মাসে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকলেও লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে নগরবাসীকে।

চট্টগ্রাম: অনাবৃষ্টি, তীব্র গরম এবং গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় আসন্ন রমজানে চট্টগ্রামবাসীকে বাড়তি বিদ্যুত সরবরাহের অশ্বাস দিতে পারেনি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ফলে রমজান মাসে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকলেও লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে নগরবাসীকে।

তবে রমজানে পিক আওয়ার ইফতার ও তারাবির নামাজের সময় প্রাপ্ত বিদ্যুতের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নজরুল ইসলামকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি মনিটরিং কমিটি করেছে পিডিবি।

এছাড়া চট্টগ্রামের আরও ১৯টি ডিভিশনের প্রতিটিতে কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো রমজান জুড়ে নির্বাহী প্রকৌশলী পদমর্যাদার এক বা একাধিক কর্মকর্তাকে কণ্ট্রোল রুমের সার্বণিক দায়িত্বে রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

রমজানে বাড়তি বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে না পারার কথা স্বীকার করে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বাংলানিউজটোয়েণ্টিফোর.কম.বিডিকে জানান, গ্যাস পেলে রাউজান ও শিকলবাহার দু’টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি চালু করা যেত। এতে কিছু অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যোগ হত। তবে গ্যাস দেওয়া হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চট্টগ্রামে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে সাড়ে ৬’শ মেগাওয়াট। পিক আওয়ারে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬শ’ ৮০ থেকে ৭’শ মেগাওয়াটে।  লোডশেডিংয়ের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩শ’ মেগাওয়াট।

বিষয়টি স্বীকার করেছেন পিডিবির বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মো.মনিরুজ্জামান শিমুল।  সেহরি, ইফতার, তারাবির নামাজ এবং শপিংমলগুলোতে আলোকসজ্জার কারণে বিদ্যুতের এই বাড়তি চাহিদা সৃষ্টি হবে বলে তিনি জানান।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সেহরির সময় বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো ঘাটতি থাকবেনা। কিন্তু ইফতার এবং তারাবীর নামাজের সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবেনা।’

তবে কোনো এলাকায় ইফতারের কিংবা তারাবির সময় লোডশেডিং হলে পরদিন যেন ওই এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অথবা কোনো এলাকায় ইফতারের সময় বিদ্যুৎ না থাকলে তারাবির সময় বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য চট্টগ্রামে সবগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট ১১টি ইউনিটের উৎপাদন মতা ৮শ’ ৪৫ মেগাওয়াট। কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ২শ’ ৬০ থেকে ২শ ৭০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিড থেকে দিনে দেড়শ’ এবং রাতে একশ’ মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়।

সূত্রমতে, রাউজান ও শিকলবাহা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি ইউনিট এর উৎপাদন মতা ৫৩৬ মেগাওয়াট হলেও যান্ত্রিক ত্র“টি এবং গ্যাস সংকটের কারণে সেখান থেকে মাত্র একশ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের উৎপাদন মতা ২শ’ ৩০ মেগাওয়াট হলেও অনাবৃষ্টির কারণে পানির স্তর নীচে নেমে যাওয়ায় সেখানেও একই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। ৫৫ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন শিকলবাহা ও ২৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন সীতাকুন্ড রেণ্টাল পাওয়ার স্টেশন দু’টি থেকে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

এছাড়া শিকলবাহায় ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন মতাসম্পন্ন সদ্য স্থাপিত একটি পিকিং প্ল্যাণ্ট এ আগামী মাসে উৎপাদন শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় ১৩৫৬ ঘণ্টা, ০৯ আগস্ট, ২০১০

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবক নিহত
বেলজিয়ামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি কিশোর নিহত
মাদক মামলায় এক ব্যক্তির ১০ বছর কারাদণ্ড
সমালোচনা না করে দেশের সমস্যা সমাধানের আহ্বান তাজুলের
জনগণের জন্য কাজ করতে পারলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি


চীনে ভ্রমণ স্থগিতের কথা ভাবছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
ধানের শীষে ভোট চাইলেন তাবিথের মা
ইশরাকের গণসংযোগে হামলায় ফখরুলের প্রতিবাদ
ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগালেন ব্র্যাড পিট ও জেনিফার অ্যানিস্টন
অটোমেশনে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী